• শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন |
Headline :
ডোমারে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সবার পাঠশালা’র শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ডোমারে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সবার পাঠশালার কমিটি গঠন সভাপতি সিহাব সম্পাদক প্রাণহরি ডোমারে সাবেক কাউন্সিলর রাজাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে দূর্বৃত্তরা, গ্রেফতার এক সব্দিগঞ্জ ঈদগাঁ ময়দানে লক্ষাধিক মুসল্লীদের উপস্থিতিতে আদায় হলো পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের নামাজ জলঢাকায় এসএসসি ২০০০ ব্যাচের উদ্যোগে রজত জয়ন্তী ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত জলঢাকায় বাংলাদেশ তথ্য ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নীলফামারীর জলঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি নীলফামারীতে শ্রমিক দলের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় জলঢাকায় সংঘর্ষের আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি জলঢাকায় এসএসসি ব্যাচ-২০০১ এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

জলঢাকায় ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্দ্যোগে কালভার্ট নির্মান

মাইদুল হাসান / ৪৫ Time View
Update : শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন

নীলফামারীর জলঢাকায় ১১নং কৈমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছাদেকুল সিদ্দিক সাদেকের নিজ অর্থায়নে উপজেলার মৌয়ামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন কাউশার মোড়ে একটি কালভার্ট নির্মান কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। ১১ই ফেব্রুয়ারী রবিবার দুপুরে এ কালভার্ট নির্মান কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কৈমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাদেকুল সিদ্দিকী সাদেক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অত্র ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য জোনাব আলী জনি, স্থানীয় সূধী সমাজের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আজিজুল ইসলাম, সেলিম মিয়া, নুরুল হক, তোফাজ্জল হোসেন, জবেদুল ইসলাম, বাহাদুর মিয়া ও নয়েল আহমেদ প্রমুখ। কালভার্ট নির্মান কাজের সময় ইউপি সদস্য জোনাব আলী জনি মেম্বার জানান, আমার এই নির্বাচনি এলাকায় বর্ষা মৌসূমে প্রায় ২ থেকে ৩ শত পরিবার পানিবন্দী হয়ে পরে। ফলে পানিবন্দিদের ভোগান্তি চরমে উঠে যায়। এ জন্য আমিসহ এলাকার মানুষজন চেয়ারম্যান মহদয়ের নিকট একটি কালভার্ট নির্মানের দাবী করি। এরই ফলশ্রুতিতে চেয়ারম্যান সাদেকুল সিদ্দিকী সাদেক নিজ অর্থায়নে এ কালভার্টটি নির্মান করে দিচ্ছেন। এতে করে আমার এ নির্বাচনি এলাকার মানুষ পানীবন্দী থেকে পরিত্রাণ পাবে। অন্যদিকে চেয়ারম্যান সাদেকুল সিদ্দিকী সাদেক যুগের আলোকে জানান, অত্র ওয়ার্ডের মেম্বারসহ এলাকার মানুষজন আমার কাছে দাবী করেন যে এখানে একটি কালভার্টের প্রয়োজন। তাই ইউনিয়ন পরিষদে বাজেট না থাকায় নিজ উদ্দোগে এবং নিজ অর্থায়নে এ কালভার্টটি নির্মান করার ব্যবস্থা করেছি। আশা রাখি অত্র এলাকার মানুষ পানীবন্দি থেকে মুক্তি পাবে। প্রাপ্য তথ্যনুযায়ী জানা যায়, দৌর্ঘ প্রায় ১৬ ফিট ও প্রস্ত ৮ ফিট বিশিষ্ট এ কালভার্টটিতে নির্মান ব্যয় লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ৭০ হাজার টাকার উপরে। এলাকার বাসিন্দা বাহাদুর মিয়া ও আজিজুল ইসলাম জানান, এ কালভার্টটি না থাকায় আমরা দীর্ঘদিন ধরে বর্যা মৌসুমে পানীবন্দী হয়ে পরি। এ সময় চেয়ারম্যানের ভূয়সী প্রশংসা করে স্থানীয়রা বলেন, এমন হৃদয় প্রসস্তকারী চেয়ারম্যানকে পেয়ে আমরা ধন্য।


More News Of This Category