• শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন |
Headline :
ডোমারে সাবেক কাউন্সিলর রাজাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে দূর্বৃত্তরা, গ্রেফতার এক সব্দিগঞ্জ ঈদগাঁ ময়দানে লক্ষাধিক মুসল্লীদের উপস্থিতিতে আদায় হলো পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের নামাজ জলঢাকায় এসএসসি ২০০০ ব্যাচের উদ্যোগে রজত জয়ন্তী ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত জলঢাকায় বাংলাদেশ তথ্য ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নীলফামারীর জলঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি নীলফামারীতে শ্রমিক দলের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় জলঢাকায় সংঘর্ষের আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি জলঢাকায় এসএসসি ব্যাচ-২০০১ এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নীলফামারীতে ১৩ বছর পর ডাকবাংলো‌ সার্কিট হাউস ঈদগাহ মাঠে প্রধান ফটক নির্মাণ জলঢাকায় ৫০ জন অসহায় নারী পেল পল্লী উন্নয়ন সংস্থার ঈদ উপহার প্যাকেজ

সম্পাদকীয় – ঈদযাত্রা হোক স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নিরাপদ

মাহাদী হাসান মানিক / ৪৬ Time View
Update : শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন

সবার প্রত্যাশা স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নিরাপদ ঈদযাত্রার। কিন্তু প্রতি বছরই পুরো ভিন্ন পরিস্থিতি দেখা পাওয়াটা খুবই হতাশাব্যঞ্জক।

জানা যায়, এবারও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিভিন্ন রুটে এসি বা নন-এসি বাসের সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ দামে বাসের টিকিট বিক্রি হচ্ছে। টিকিট বিক্রির অনলাইন সাইটগুলোয় দেখানো হচ্ছে কোনো বাসেরই আসন খালি নেই। কিন্তু অনলাইনে না থাকলেও কাউন্টারে বেশি দামে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। দুঃখজনকভাবে পরিবহন মালিকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলেও তা প্রতিরোধে সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না বলে যাত্রীদের অভিযোগ।

যদিও এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ভাষ্য, বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অতিরিক্ত ভাড়া আদায় প্রতিরোধে তৎপর রয়েছে। সংস্থাটি সারা দেশেই নিয়মিত তদারকি করছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সংস্থাটির তদারকির কোনো প্রতিফলন টিকিটের দামে দেখা যাচ্ছে না। অথচ উৎসবের যাত্রা এ ধরনের ভোগান্তি থেকে মুক্ত হওয়া জরুরি ছিল। এছাড়া ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির ভোগান্তি তো রয়েছেই। সাাম্প্রতিক বছরগুলোয় ঈদযাত্রীর সংখ্যার দিকে লক্ষ করলে দেখা যায় এক কোটির বেশি মানুষ ঈদে ঘরে ফেরেন। কিন্তু তার পরও এ যাত্রীদের যাত্রা সেভাবে ভোগান্তিহীন ও নিরাপদ করতে পারেনি কোনো সরকার। ঈদে চাহিদার সমপরিমাণ পরিবহনের ব্যবস্থা করতে পারেনি। আবার যেসব গাড়ি সড়কে নামানো হয় সেগুলোর বেশির ভাগই থাকে ফিটনেসবিহীন।

যদিও ঈদের আগে সড়ক পরিবহনসংশ্লিষ্টদের বলতে শোনা যায়, ফিটনেসবিহীন গাড়ি বা রুট পারমিটবিহীন গাড়ি মহাসড়কে নামতে দেয়া হবে না। কিন্তু বাস্তবায়ন চোখে পড়ে না। অতিরিক্ত ও বেপরোয়া গাড়ির চাপে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা বাড়তে থাকে। ঈদ যাত্রার উল্লিখিত সমস্যাগুলো দূর করা না গেলে ঈদযাত্রা কখনো আরামদায়ক ও নিরাপদ হবে না।

ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর সক্রিয় হওয়া জরুরি। টিকিট পাওয়ার সুব্যবস্থা করা জরুরি। বাড়তি দাম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বাসের ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে ট্রেনের ওপরও চাপ কমতে পারে। এজন্য নজরদারি এবং আইনের প্রয়োগ জোরদার করা আবশ্যক। এছাড়া কীভাবে সড়ক ও মহাসড়কে যানজট নিরসন করা যায় সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

এক্ষেত্রে ঈদের আগে-পরে যেন কোনোভাবেই মহাসড়কে অননুমোদিত ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন উঠতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন সেতু বা এক্সপ্রেসওয়ের টোলপ্লাজাগুলোয় যেন ভোগান্তি না হয় তার কৌশল ঠিক করা যেতে পারে। আর ট্রেনযাত্রায় দুর্ভোগ কমাতে রেলওয়ে ব্যবস্থাকে দুর্নীতিমুক্ত করার বিকল্প নেই। ব্যবস্থাপনাগত ত্রুটিগুলো দূর করা গেলে ভোগান্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category