• শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন |
Headline :
ডোমারে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সবার পাঠশালা’র শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ডোমারে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সবার পাঠশালার কমিটি গঠন সভাপতি সিহাব সম্পাদক প্রাণহরি ডোমারে সাবেক কাউন্সিলর রাজাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে দূর্বৃত্তরা, গ্রেফতার এক সব্দিগঞ্জ ঈদগাঁ ময়দানে লক্ষাধিক মুসল্লীদের উপস্থিতিতে আদায় হলো পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের নামাজ জলঢাকায় এসএসসি ২০০০ ব্যাচের উদ্যোগে রজত জয়ন্তী ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত জলঢাকায় বাংলাদেশ তথ্য ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নীলফামারীর জলঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি নীলফামারীতে শ্রমিক দলের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় জলঢাকায় সংঘর্ষের আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি জলঢাকায় এসএসসি ব্যাচ-২০০১ এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সম্পাদকীয় – বোরো চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

মাহাদী হাসান মানিক / ৫৯ Time View
Update : শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন

তীব্র ঠাণ্ডায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ। কাজ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। অনেকেই কাজের ফাঁকে শুকনো খড় জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। এদিকে তীব্র শীতে বোরো বীজতলা ও আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। শীত থেকে রক্ষা পেতে অনেকে স্বচ্ছ সাদা রঙের প্লাস্টিকের কাগজ দিয়ে ঢেকে রাখছেন বীজতলা।

আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতিতে জমিতে চারা রোপণের সাহস পাঁচ্ছে না কৃষকেরা। হঠাৎ কয়েক দিন ধরে ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতে কারণে, চারার গোঁড়া বা পাতা পচা রোগ এবং হলুদ বর্ণ ধারণ করে বীজতলা দুর্বল হয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন চাষিরা। এদিকে সূর্যের আলো ঠিকমতো না পাওয়ায় বোরোর বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

এ অবস্থায় বীজতলা রক্ষায় উপজেলা কৃষি কার্যালয় থেকে কৃষকদের পরামর্শসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ করতে বলা হলেও তেমন একটা কাজ হচ্ছে না বলে জানান কৃষকেরা। এ বছর বোরো চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেননা মাঘ মাসের ১৫-২০ দিনের মধ্যেই বোরো চাষ শুরু হবে। বীজতলা থেকে চারা তুলে জমিতে রোপণ করতে হবে।

কিন্তু বীজতলার চারার ৫০-৬০ ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। এতে বোরো চাষ নিয়ে কৃষকেরা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। আবার নতুন করে বীজতলা তৈরি করলেও বোরো আবাদ দেরি হয়ে যাবে। ফলে ধানের ফলন কম হবে। এতে করে কৃষকেরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। তীব্র শীতের কারণেই এমনটি হচ্ছে বলে ধারণা করছেন কৃষকরা।

অনেকে চারা রক্ষায় কোথাও বীজতলায় ছাই ছিটিয়ে, কোথাও ওষুধ ছিটিয়ে চারা রক্ষার চেষ্টা করছেন। বর্তমান যে পরিস্থিতি এতে করে বুঝতে বাকি থাকেনা যে, বোরো বীজতলা ও আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। “বীজতলা এখনো নষ্ট হয়নি। তবে তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকার করনে হয়তো, চারা খাদ্য গ্রহণ করতে না পেরে পাতা হলুদ হয়ে যাচ্ছে।”

ফলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উচিত, বীজতলা নষ্টের হাত থেকে বাঁচাতে প্রতিটি কৃষকদের বাড়তি যত্ন ও সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। যেন কৃষকরা দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পান এবং চরম ক্ষতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হন। এ ছাড়া যারা নিজ কাঁধে পুরো জাতিকে খাওয়ানোর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বহন করছেন, সেই কৃষকদের বাঁচাতে সরকারকে অবশ্যই আরও জোরালো ভূমিকা নিতে হবে। কারণ, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।


More News Of This Category