শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) এক সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।
প্রাথমিক পর্যায়ে এই কর্মসূচি একটি পাইলট (পরীক্ষামূলক) প্রকল্পের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে। মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী:
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল লেনদেনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি তালিকাভুক্ত পরিবার (ন্যূনতম ৫ সদস্য বিশিষ্ট) প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে সরাসরি নগদ সহায়তা পাবেন। এই অর্থ সুবিধাভোগীদের নিজস্ব মোবাইল ওয়ালেট (বিকাশ/নগদ/রকেট) অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পৌঁছে যাবে, ফলে কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ থাকবে না।
সরকারের মূল লক্ষ্য হলো পর্যায়ক্রমে দেশের ২ কোটি পরিবারকে এই সহায়তার আওতায় নিয়ে আসা। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন জানান:
মাসিক ব্যয়: কর্মসূচিটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলে প্রতি মাসে সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা
বার্ষিক বাজেট: বছরে এই খাতের মোট বরাদ্দ দাঁড়াবে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা।
নির্বাচনী প্রচারণায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি বড় পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরাসরি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। পাইলট প্রকল্পের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে খুব দ্রুত সারা দেশে এটি সম্প্রসারিত করা হবে।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৭১, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। সম্পাদক : মো মাহাদী হাসান মানিক ।
ইমেইল : maniknews1980@gmail.com ।
Copyright © 2026 My Blog. All rights reserved.