আল ইকরাম বিপ্লব, স্টাফ রিপোর্টার: নীলফামারীর জলঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বাসের হেলপারের চিকিৎসা ও খোঁজখবর না নেওয়ার অভিযোগে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী একটি বাস আটক করেছেন এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার ৩রা নভেম্বর রাতে ডিমলা থেকে ছেড়ে আসা যমুনা লাইন পরিবহনের একটি ঢাকাগামী যাত্রীবাহী চেয়ারকোচ উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের শালনগ্রাম এলাকাবাসী আটক করেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শালনগ্রাম এলাকার জসিয়ার রহমানের ছেলে রাব্বি ইসলাম যমুনা লাইন পরিবহনের হেলপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
গত ২২ অক্টোবর ডিমলা উপজেলা থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিলে সাভার থানা এলাকায় বাসটির দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে বেশ কয়েকজন যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হন। তবে গুরুতর আহত হন হেলপার রাব্বি। প্রথমে তাঁকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অর্থসংকটের কারণে তাঁর বাবা-মা উন্নত চিকিৎসার আশায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাব্বির একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। অপর পাটিও গুরুতর অবস্থায় রয়েছে।
এদিকে রাব্বির বাবা জসিয়ার রহমান অন্যের জমিতে বসতবাড়ি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, দুর্ঘটনার ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও বাস কোম্পানির মালিকের পক্ষ থেকে তাঁর ছেলের কোনো খোঁজখবর নেওয়া হয়নি।
এমনকি চিকিৎসার বিষয়েও কোনো সহযোগিতা করা হয়নি। রাব্বির এমন অসহায় অবস্থার কথা জানতে পেরে ক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠেন এলাকাবাসী। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার রাতে ডোমার-ডিমলা সড়কে যমুনা লাইন পরিবহনের একটি বাস আটক করেন তাঁরা। এ সময় বাসটি নিজেদের হেফাজতে রেখে কোম্পানির মালিককে রাব্বির চিকিৎসা ও সার্বিক দেখভালের দায়িত্ব নেওয়ার দাবি জানান এলাকাবাসী।