
রাশেদুজ্জামান সুমন : নীলফামারী জলঢাকায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করে সন্ধ্যা পযর্ন্ত লাগিয়ে রাখা হয়েছে একটি সরকারি বিদ্যালয়ে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ওই শিক্ষকদের নিয়ম অনুযায়ী শাস্তির দাবি জানান। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার শৌলমারি সিংরিয়া গুরুদাশ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। শনিবার সন্ধ্যায় সরেজমিনে গিয়ে লক্ষ্য করা যায় বিদ্যালয়ের কাঁচা ঘর গুলো বন্ধ আছে কেউ ওখানে নেই । শুধুমাত্র বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাটি ঝুলছে সেখানে। যে পতাকায় জরিয়ে আছে বাংলাদেশের ইতিহাস,ঐতিহ্য, দুঃখ, বেদনার গল্প। সেই পতাকা সন্ধ্যা পযর্ন্ত লাগিয়ে রেখে সকল সহীদের অপমানিত করা নয় কি? সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে শুধুমাত্র বিদ্যালয় চলা কালিন সময় পতাকা লাগনোর নিয়ম আছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক অভিভাবক জানান এখানে পাঁচজন শিক্ষক থাকলেও লেখাপড়া সেরকম হয় না দায় সারা ভাবে চলে এই বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। আজকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে কিভাবে ওই শিক্ষকরা সন্ধ্যা পযর্ন্ত পতাকা লাগিয়ে রাখে? ওনাদের কাছে কি আমাদের জাতীয় পতাকার কোনো সন্মান নেই। শিক্ষকরাই যদি পতাকার সন্মান না করে তাহলে তাহলে সাধারণ মানুষ কি করবে। আমারা এর সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে দোষী শিক্ষকের আইন আনুক ব্যাবস্থা নেয়ার দাবী জানাচ্ছি। স্কুলের পাশে বাড়ি সহকারী শিক্ষক কবিতা রানী জানান আমি আজকে ছুটিতে ছিলাম আমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা। প্রধান শিক্ষক প্রকাশ চন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায় নি। উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলাম জানান স্কুল টাইম ব্যাথিত অন্য সময় পতাকা লাগানোর কোনো নিয়ম নেই এই বলে লাইন কেটে দেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপির সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।