রংপুর ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তায় অ্যাগ্রিভোল্টাইকসের ওপর সেমিনার সৈয়দপুরে রেজোয়ানের কান্নাভেজা চোখে স্বস্তির হাসি ফুটালেন ইউএনও নীলফামারীর মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের বৈষম্য নিরসনে সংবাদ সম্মেলন  নীলফামারীতে সাইবার সেলের তৎপরতায় উদ্ধার ৩০ হারানো মোবাইল জলঢাকায় দিনদুপুরে বাসাবাড়িতে চুরি, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট জলঢাকায় অবৈধ মজুতের ৪৬৪ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা সৈয়দপুরে পার্কে অসামাজিক কার্যক্রম বন্ধের দাবি জেলা প্রশাসকের কাছে এলাকাবাসীর লিখিত আবেদন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে এ্যাবের শ্রদ্ধা নীলফামারীতে প্রকৌশলীদের আলোচনা সভা ‘দেশের উন্নয়নে প্রকৌশলীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে’ নীলফামারীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

নীলফামারীর মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের বৈষম্য নিরসনে সংবাদ সম্মেলন 

 

জয়নাল আবেদীন হিরো,স্টাফ রিপোর্টারঃ 
সৈয়দপুরে দীর্ঘদিনের পরিবহন সংকট নিরসনে ৯ দফা দাবি জানিয়েছে নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি ও বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন। দাবির মধ্যে রয়েছে আন্তঃজেলা রুটে বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি,অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ,সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংস্কার এবং বন্ধ থাকা কয়েকটি রুটে পুনরায় বাস চলাচল চালু করা।এসব দাবি আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের প্রতি আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সৈয়দপুরে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠন দুটির নেতারা এসব দাবি তুলে ধরেন। নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি ও জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল গফুর সরকারের সভাপতিত্বে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সরকার।

নেতারা অভিযোগ করেন,রংপুর-দিনাজপুর এবং রংপুর-ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় রুটে যাত্রীর তুলনায় বাসের সংখ্যা অপ্রতুল। রংপুর-দিনাজপুর রুটের দুই প্রান্তে রংপুর ও দিনাজপুরের ২৫টি করে মোট ৫০টি বাস চলাচল করলেও নীলফামারী জেলার বাস রয়েছে মাত্র ১২টি। ফলে সৈয়দপুরের যাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে রংপুর ও দিনাজপুর-উভয় প্রান্ত থেকে নীলফামারী জেলার অন্তত ১০টি করে বাস এবং ঠাকুরগাঁও প্রান্তে আরও দুটি বাসের সিরিয়াল দেওয়ার দাবি জানানো হয়।একই সঙ্গে সন্ধ্যার পর রংপুর ও দিনাজপুর থেকে সৈয়দপুরগামী যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত বাস চালু এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধের দাবি জানানো হয়।

এছাড়া সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের জরুরি সংস্কার,বাইপাস বাস চলাচলে বাধা দূরীকরণ,সৈয়দপুর-রাজশাহী ও নীলফামারী-সৈয়দপুর-বগুড়া রুট পুনরায় চালু এবং সড়ক-মহাসড়কে অবৈধ অটোরিকশা ও সিএনজি চলাচল

বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে।

নেতারা আরও অভিযোগ করেন,বাসের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে রংপুর ও দিনাজপুর মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনার জন্য একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।তবে ঠাকুরগাঁও মালিক সমিতি ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাবেক সভাপতি মো.শাহনওয়াজ হোসেন শানু,সিনিয়র সহ-সভাপতি মো.আনোয়ারুল হাফিজ,সহ-সভাপতি মো.মোফাক্খার আলী স্বপন,সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম মজনু,কোষাধ্যক্ষ মো.এহসান রসুল বিন্ধু,সাংগঠনিক সম্পাদক মো.মোস্তফা কামাল,মো.আরমান হামিদসহ মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো.জাহাঙ্গীর আলম,সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী উপস্থিত থেকে  বক্তব্য রাখেন ৷

সভা পরিচালনা করেন নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো.আনোয়ারুল হাফিজ।

১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নীলফামারী জেলা মালিক সমিতি বৈষম্য নিরসনসহ ৯ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে রংপুর-দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও রুটে যাত্রীবাহী বাস চলাচলে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হলে তার দায় মালিক-শ্রমিক সংগঠন নেবে না বলে সাংবাদিক সম্মেলনে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

 

Popular Post

খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তায় অ্যাগ্রিভোল্টাইকসের ওপর সেমিনার

নীলফামারীর মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের বৈষম্য নিরসনে সংবাদ সম্মেলন 

Update Time : ০৬:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

জয়নাল আবেদীন হিরো,স্টাফ রিপোর্টারঃ 
সৈয়দপুরে দীর্ঘদিনের পরিবহন সংকট নিরসনে ৯ দফা দাবি জানিয়েছে নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি ও বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন। দাবির মধ্যে রয়েছে আন্তঃজেলা রুটে বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি,অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ,সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংস্কার এবং বন্ধ থাকা কয়েকটি রুটে পুনরায় বাস চলাচল চালু করা।এসব দাবি আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের প্রতি আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সৈয়দপুরে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠন দুটির নেতারা এসব দাবি তুলে ধরেন। নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি ও জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল গফুর সরকারের সভাপতিত্বে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সরকার।

নেতারা অভিযোগ করেন,রংপুর-দিনাজপুর এবং রংপুর-ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় রুটে যাত্রীর তুলনায় বাসের সংখ্যা অপ্রতুল। রংপুর-দিনাজপুর রুটের দুই প্রান্তে রংপুর ও দিনাজপুরের ২৫টি করে মোট ৫০টি বাস চলাচল করলেও নীলফামারী জেলার বাস রয়েছে মাত্র ১২টি। ফলে সৈয়দপুরের যাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে রংপুর ও দিনাজপুর-উভয় প্রান্ত থেকে নীলফামারী জেলার অন্তত ১০টি করে বাস এবং ঠাকুরগাঁও প্রান্তে আরও দুটি বাসের সিরিয়াল দেওয়ার দাবি জানানো হয়।একই সঙ্গে সন্ধ্যার পর রংপুর ও দিনাজপুর থেকে সৈয়দপুরগামী যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত বাস চালু এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধের দাবি জানানো হয়।

এছাড়া সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের জরুরি সংস্কার,বাইপাস বাস চলাচলে বাধা দূরীকরণ,সৈয়দপুর-রাজশাহী ও নীলফামারী-সৈয়দপুর-বগুড়া রুট পুনরায় চালু এবং সড়ক-মহাসড়কে অবৈধ অটোরিকশা ও সিএনজি চলাচল

বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে।

নেতারা আরও অভিযোগ করেন,বাসের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে রংপুর ও দিনাজপুর মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনার জন্য একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।তবে ঠাকুরগাঁও মালিক সমিতি ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাবেক সভাপতি মো.শাহনওয়াজ হোসেন শানু,সিনিয়র সহ-সভাপতি মো.আনোয়ারুল হাফিজ,সহ-সভাপতি মো.মোফাক্খার আলী স্বপন,সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম মজনু,কোষাধ্যক্ষ মো.এহসান রসুল বিন্ধু,সাংগঠনিক সম্পাদক মো.মোস্তফা কামাল,মো.আরমান হামিদসহ মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো.জাহাঙ্গীর আলম,সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী উপস্থিত থেকে  বক্তব্য রাখেন ৷

সভা পরিচালনা করেন নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো.আনোয়ারুল হাফিজ।

১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নীলফামারী জেলা মালিক সমিতি বৈষম্য নিরসনসহ ৯ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে রংপুর-দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও রুটে যাত্রীবাহী বাস চলাচলে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হলে তার দায় মালিক-শ্রমিক সংগঠন নেবে না বলে সাংবাদিক সম্মেলনে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।