রংপুর ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
নীলফামারী সদরের প্রতিটি ইউনিয়নে অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ কমিটি জলঢাকায় আওয়ামীলীগ কর্মীর মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন  সৈয়দপুর পৌরসভার ৯২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদারে নীলফামারীতে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা ডোমারে ইয়াবাসহ যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ ২১ বছর পর আবারও একসঙ্গে স্কুলজীবনের বন্ধুরা নীলফামারীতে ৬ নভেম্বর এসএসসি ২০০৫ ব্যাচের মিলনমেলা নাশকতার মামলায় সৈয়দপুর সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা বাদল গ্রেফতার জলঢাকায় ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা, থানায় দুই পরিবারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ নীলফামারীতে দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সেমিনার জলঢাকায় এডহক কমিটির সভাপতি মামুনকে সংবর্ধনা দিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ

জলঢাকায় প্রাথমিক বৃর্ত্তি পরিক্ষায় ৫৪৫ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত

মাইদুল হাসান,  জলঢাকা প্রতিনিধি :

Advertisement

পঞ্চম শ্রেণীর মেধা ভিত্তিক বৃর্ত্তি পরিক্ষায় নীলফামারী জলঢাকায় দুইটি কেন্দ্রের ২১৩০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫শত ৪৫ জন পরিক্ষাই অনুপস্থিত।

Advertisement

গতকাল ১৮ই এপ্রিল শনিবার সমাপনী পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র ভিত্তিক এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে মেধা ভিত্তিক এ বৃর্ত্তি পরিক্ষায় ৫শত ৪৫ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকায় সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে, অভিভাবকদের খামখেয়ালীপনা, শিক্ষকদের ব্যর্থতা নাকি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সঠিক তদারকি না থাকায় মেধামূল্যয়ন ভিত্তিক বৃর্ত্তি পরিক্ষা থেকে পিছিয়ে পরেছে এ সকল শিক্ষার্থী।

সূত্রমতে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মেধা মুল্যয়ন, পড়াশোনায় উৎসাহ্ প্রদান, মেধাবী শিক্ষার্থী বাছাই করণে আর্থিক সহায়তা প্রদান, শিক্ষায় প্রতিযোগিতা মুলক গড়ে তোলাসহ প্রকৃত প্রতিভা বিকাশের জন্য সরকারি উদ্দ্যোগে এবং প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে পঞ্চম শ্রেণীর মেধা ভিত্তিক বৃর্ত্তি পরিক্ষা নেওয়া হয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, বর্তমান সময়ে যে বৃর্ত্তি পরিক্ষাটি হচ্ছে তা মুলতঃ গত বছরের।

শিক্ষার্থীরা পঞ্চম শ্রেণী থেকে উত্তীর্ণ হয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তিস্বরুপ পাঠদান করছেন। তারা ৬ষ্ঠ শ্রেণির পড়ালেখা নিয়েই ব্যস্ত। অভিভাবকদের দাবী ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার্থীরা পঞ্চম শ্রেণীর পরিক্ষা দিতে অসংগতি প্রকাশ করছে। যদি সঠিক সময় মত বৃর্ত্তি পরিক্ষা হতো তবে এ সমস্যা সৃষ্টি হইতো না।

এখন শিক্ষার্থীরা পিছনে ফেলে আশা শ্রেণির পরিক্ষা দিতে অনিহা প্রকাশ করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষক জানান, কিছু কিছু শিক্ষার্থী প্রথম ও দ্বিতীয় পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলো। বাকি পরিক্ষায় তাদের অংশগ্রহণ নেই। বিষয়টি রহস্যজনক। শিক্ষকদের দাবী সঠিক সময়ে বৃর্ত্তি পরিক্ষা না হওয়ায় এমন বিড়ম্বনা সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুস সামাদ যুগের আলোকে জানান, বৃর্ত্তি পরিক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থীরা ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। এ জন্য কোন শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে আবার কেউ করেনি। শিক্ষকদের প্রাণপণ চেষ্টায় ও অভিভাবক মহলের সহযোগিতায় এবারের বৃর্ত্তি পরিক্ষা সুষ্ঠু ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষা অফিসার আব্দুস সামাদ বলেন, চলতি বৃর্ত্তি পরিক্ষায় ৭৫% শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। আমরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কর্তৃক পরিক্ষা কেন্দ্র গুলো পরিদর্শন করেছি এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পরিক্ষা নিয়ন্ত্রণ করেছি। আশা রাখি শিক্ষার্থীরা মেধাভিত্তিক এ বৃর্ত্তি পরিক্ষার সঠিক মুল্যয়ন পাবে।

Advertisement

নীলফামারী সদরের প্রতিটি ইউনিয়নে অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ কমিটি

জলঢাকায় প্রাথমিক বৃর্ত্তি পরিক্ষায় ৫৪৫ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত

Update Time : ১১:৪৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

মাইদুল হাসান,  জলঢাকা প্রতিনিধি :

Advertisement

পঞ্চম শ্রেণীর মেধা ভিত্তিক বৃর্ত্তি পরিক্ষায় নীলফামারী জলঢাকায় দুইটি কেন্দ্রের ২১৩০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫শত ৪৫ জন পরিক্ষাই অনুপস্থিত।

Advertisement

গতকাল ১৮ই এপ্রিল শনিবার সমাপনী পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র ভিত্তিক এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে মেধা ভিত্তিক এ বৃর্ত্তি পরিক্ষায় ৫শত ৪৫ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকায় সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে, অভিভাবকদের খামখেয়ালীপনা, শিক্ষকদের ব্যর্থতা নাকি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সঠিক তদারকি না থাকায় মেধামূল্যয়ন ভিত্তিক বৃর্ত্তি পরিক্ষা থেকে পিছিয়ে পরেছে এ সকল শিক্ষার্থী।

সূত্রমতে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মেধা মুল্যয়ন, পড়াশোনায় উৎসাহ্ প্রদান, মেধাবী শিক্ষার্থী বাছাই করণে আর্থিক সহায়তা প্রদান, শিক্ষায় প্রতিযোগিতা মুলক গড়ে তোলাসহ প্রকৃত প্রতিভা বিকাশের জন্য সরকারি উদ্দ্যোগে এবং প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে পঞ্চম শ্রেণীর মেধা ভিত্তিক বৃর্ত্তি পরিক্ষা নেওয়া হয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, বর্তমান সময়ে যে বৃর্ত্তি পরিক্ষাটি হচ্ছে তা মুলতঃ গত বছরের।

শিক্ষার্থীরা পঞ্চম শ্রেণী থেকে উত্তীর্ণ হয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তিস্বরুপ পাঠদান করছেন। তারা ৬ষ্ঠ শ্রেণির পড়ালেখা নিয়েই ব্যস্ত। অভিভাবকদের দাবী ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার্থীরা পঞ্চম শ্রেণীর পরিক্ষা দিতে অসংগতি প্রকাশ করছে। যদি সঠিক সময় মত বৃর্ত্তি পরিক্ষা হতো তবে এ সমস্যা সৃষ্টি হইতো না।

এখন শিক্ষার্থীরা পিছনে ফেলে আশা শ্রেণির পরিক্ষা দিতে অনিহা প্রকাশ করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষক জানান, কিছু কিছু শিক্ষার্থী প্রথম ও দ্বিতীয় পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলো। বাকি পরিক্ষায় তাদের অংশগ্রহণ নেই। বিষয়টি রহস্যজনক। শিক্ষকদের দাবী সঠিক সময়ে বৃর্ত্তি পরিক্ষা না হওয়ায় এমন বিড়ম্বনা সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুস সামাদ যুগের আলোকে জানান, বৃর্ত্তি পরিক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থীরা ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। এ জন্য কোন শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে আবার কেউ করেনি। শিক্ষকদের প্রাণপণ চেষ্টায় ও অভিভাবক মহলের সহযোগিতায় এবারের বৃর্ত্তি পরিক্ষা সুষ্ঠু ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষা অফিসার আব্দুস সামাদ বলেন, চলতি বৃর্ত্তি পরিক্ষায় ৭৫% শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। আমরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কর্তৃক পরিক্ষা কেন্দ্র গুলো পরিদর্শন করেছি এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পরিক্ষা নিয়ন্ত্রণ করেছি। আশা রাখি শিক্ষার্থীরা মেধাভিত্তিক এ বৃর্ত্তি পরিক্ষার সঠিক মুল্যয়ন পাবে।

Advertisement