রংপুর ০১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
নীলফামারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জলঢাকায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে জাসাসকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, নেতাকর্মীদের ক্ষোভ জলঢাকায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নেতৃত্বে বনাঢ়্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা জলঢাকায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারি বিদ‍্যালয়ে সন্ধ্যা পযর্ন্ত পতাকা লাগিয়ে অবমাননা  জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে এ্যাবের শ্রদ্ধা স্বামী-সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে প্রবাসে গিয়ে আগুনে দগ্ধ! জলঢাকার তহমিনা! আজ বেঁচে থাকার আকুতি সৈয়দপুরে চলছে পাঁচ দিনব্যাপী বইমেলা নীলফামারীতে শিক্ষার্থী ও অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করলেন প্রকৌশলী তুহিন সৈয়দপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে শিক্ষিকা নিহত

জলঢাকায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে জাসাসকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, নেতাকর্মীদের ক্ষোভ

  • আবেদ আলী
  • Update Time : ১০:৩৪:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ৩৮ Time View
Advertisement

আবেদ আলী :

Advertisement
নীলফামারীর জলঢাকায় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে।

তবে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাংস্কৃতিক অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর স্থানীয় কমিটির নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ না জানানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংগঠনের ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।

Advertisement

​জানা গেছে, ১৯৭৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের জাতীয় সংস্কৃতি চর্চা ও এর বিকাশের লক্ষ্যে জাসাস প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি ও জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। দিনটি স্মরণে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হয়ে আসছে।

Advertisement

জলঢাকা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঐতিহাসিক এই জাতীয় দিবসটি পালন করা হলেও আয়োজনে ব্রাত্য রাখা হয় জলঢাকার স্থানীয় জাসাসকে। সরকারি ও দলীয় আদর্শের অংশ হিসেবে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন হয়েও মূল অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না পাওয়ায় স্থানীয় জাসাস নেতাকর্মীদের মাঝে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

Advertisement

​সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যে আদর্শ ও চেতনার ওপর ভিত্তি করে ৭ নভেম্বর অর্জিত হয়েছে এবং জাসাস প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই একই ধারার একটি রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক সংগঠনকে সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না জানানো অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রশাসনের এমন উদাসীনতা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

​এ বিষয়ে জলঢাকা উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জাতীয় দিবসগুলোর অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক দলগুলোর অঙ্গসংগঠনকে সম্পৃক্ত করা হলে কর্মসূচি আরও অংশগ্রহণমূলক ও সুন্দর হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপির সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোন ধরেননি।

 

Advertisement

Popular Post

নীলফামারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

জলঢাকায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে জাসাসকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, নেতাকর্মীদের ক্ষোভ

Update Time : ১০:৩৪:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
Advertisement

আবেদ আলী :

Advertisement
নীলফামারীর জলঢাকায় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে।

তবে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাংস্কৃতিক অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর স্থানীয় কমিটির নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ না জানানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংগঠনের ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।

Advertisement

​জানা গেছে, ১৯৭৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের জাতীয় সংস্কৃতি চর্চা ও এর বিকাশের লক্ষ্যে জাসাস প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি ও জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। দিনটি স্মরণে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হয়ে আসছে।

Advertisement

জলঢাকা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঐতিহাসিক এই জাতীয় দিবসটি পালন করা হলেও আয়োজনে ব্রাত্য রাখা হয় জলঢাকার স্থানীয় জাসাসকে। সরকারি ও দলীয় আদর্শের অংশ হিসেবে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন হয়েও মূল অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না পাওয়ায় স্থানীয় জাসাস নেতাকর্মীদের মাঝে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

Advertisement

​সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যে আদর্শ ও চেতনার ওপর ভিত্তি করে ৭ নভেম্বর অর্জিত হয়েছে এবং জাসাস প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই একই ধারার একটি রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক সংগঠনকে সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না জানানো অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রশাসনের এমন উদাসীনতা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

​এ বিষয়ে জলঢাকা উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জাতীয় দিবসগুলোর অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক দলগুলোর অঙ্গসংগঠনকে সম্পৃক্ত করা হলে কর্মসূচি আরও অংশগ্রহণমূলক ও সুন্দর হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপির সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোন ধরেননি।

 

Advertisement