রংপুর ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
নীলফামারী সদরের প্রতিটি ইউনিয়নে অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ কমিটি জলঢাকায় আওয়ামীলীগ কর্মীর মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন  সৈয়দপুর পৌরসভার ৯২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদারে নীলফামারীতে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা ডোমারে ইয়াবাসহ যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ ২১ বছর পর আবারও একসঙ্গে স্কুলজীবনের বন্ধুরা নীলফামারীতে ৬ নভেম্বর এসএসসি ২০০৫ ব্যাচের মিলনমেলা নাশকতার মামলায় সৈয়দপুর সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা বাদল গ্রেফতার জলঢাকায় ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা, থানায় দুই পরিবারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ নীলফামারীতে দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সেমিনার জলঢাকায় এডহক কমিটির সভাপতি মামুনকে সংবর্ধনা দিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ

জলঢাকায় জমি নিয়ে বিরোধ : প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

  • আবেদ আলী
  • Update Time : ০৪:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • ১০৬ Time View

আবেদ আলী :

Advertisement
Advertisement
নীলফামারীর জলঢাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যক্তি ও তাঁর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মাওলানা নুরুল ইসলাম বিচার চেয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গতকাল নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

Advertisement

​অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার কালকেউট চৌধুরীপাড়া এলাকার মৃত কাছিম উদ্দিনের ছেলে মাওলানা নুরুল ইসলাম স্থানীয় মৌজার ১.৫০ শতক জমি ক্রয় করে দীর্ঘ দিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু ওই এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে মশিয়ার রহমান ও তার চাচা আতিয়ার রহমানসহ ১৫-২০ জন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর ওই জমি জবরদখলের পায়তারা চালান।

​মাওলানা নুরুল ইসলাম জানান, গত ৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে তাঁর বাড়ির সামনে এসে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে মশিয়ার রহমান তাঁকে কিল-ঘুষি মেরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁর স্ত্রী ও সাক্ষী শহিদুল ইসলাম, আইয়ুব আলী এবং রবিউল ইসলাম এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

​নুরুল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন, যে অভিযুক্তরা জমি লিখে দেওয়া অথবা ৩ লাখ ২১ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন। টাকা বা জমি না দিলে পরিবারের সদস্যদের পথেঘাটে মেরে লাশ গুম করা, বাড়িঘরে আগুন দেওয়া এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে।

​ঘটনার সময় নির্যাতনের শিকার হয়ে নুরুল ইসলাম গুরুতর আহত হলে তাঁকে প্রথমে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে বর্তমানে তিনি নিজ বাড়িতে রয়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন, একজন অসহায় মানুষ, সেজন্যই সেই সুযোগ নিয়ে তারা শুধু এই ঘটনাই নয়, আরো তিনবার আমাকে হাটে বাজারে লাঞ্ছিত করেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার কামনা করছি। ​এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাওলানা নুরুল ইসলাম জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Advertisement

নীলফামারী সদরের প্রতিটি ইউনিয়নে অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ কমিটি

জলঢাকায় জমি নিয়ে বিরোধ : প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

Update Time : ০৪:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

আবেদ আলী :

Advertisement
Advertisement
নীলফামারীর জলঢাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যক্তি ও তাঁর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মাওলানা নুরুল ইসলাম বিচার চেয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গতকাল নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

Advertisement

​অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার কালকেউট চৌধুরীপাড়া এলাকার মৃত কাছিম উদ্দিনের ছেলে মাওলানা নুরুল ইসলাম স্থানীয় মৌজার ১.৫০ শতক জমি ক্রয় করে দীর্ঘ দিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু ওই এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে মশিয়ার রহমান ও তার চাচা আতিয়ার রহমানসহ ১৫-২০ জন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর ওই জমি জবরদখলের পায়তারা চালান।

​মাওলানা নুরুল ইসলাম জানান, গত ৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে তাঁর বাড়ির সামনে এসে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে মশিয়ার রহমান তাঁকে কিল-ঘুষি মেরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁর স্ত্রী ও সাক্ষী শহিদুল ইসলাম, আইয়ুব আলী এবং রবিউল ইসলাম এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

​নুরুল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন, যে অভিযুক্তরা জমি লিখে দেওয়া অথবা ৩ লাখ ২১ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন। টাকা বা জমি না দিলে পরিবারের সদস্যদের পথেঘাটে মেরে লাশ গুম করা, বাড়িঘরে আগুন দেওয়া এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে।

​ঘটনার সময় নির্যাতনের শিকার হয়ে নুরুল ইসলাম গুরুতর আহত হলে তাঁকে প্রথমে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে বর্তমানে তিনি নিজ বাড়িতে রয়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন, একজন অসহায় মানুষ, সেজন্যই সেই সুযোগ নিয়ে তারা শুধু এই ঘটনাই নয়, আরো তিনবার আমাকে হাটে বাজারে লাঞ্ছিত করেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার কামনা করছি। ​এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাওলানা নুরুল ইসলাম জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Advertisement