রংপুর ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
জলঢাকায় জমি নিয়ে বিরোধ : প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ জলঢাকায় এতিমখানা মাদ্রাসার জমির উপর দিয়ে রাস্তা তৈরীর অভিযোগ জলঢাকায় এনসিপির পথসভায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জলঢাকায় এনসিপির পথসভা, বক্তব্য দিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী জলঢাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টি, এনসিপি’র পথসভায় স্থানীয় নির্বাচনে লিয়নকে প্রার্থী ঘোষণা ডোমার উপজেলার ১নং ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নে হিমোগ্লোবিন ও ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইনে জেলা প্রশাসক জলঢাকায় পথরোধ করে উত্ত্যক্তের পর কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গৃহবধূ অপহরণের অভিযোগ ‘ভূমিদস্যু’ আখ্যা দিয়ে একপাক্ষিক সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা দাবি ডোমারে ট্রাকচাপায় ৪ জন নিহতের ঘটনায় ঘাতক চালক বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার জলঢাকায় কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হচ্ছে কাঠের ব্রীজ 

জলঢাকায় জমি নিয়ে বিরোধ : প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

  • আবেদ আলী
  • Update Time : ০৪:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • ১ Time View

আবেদ আলী : নীলফামারীর জলঢাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যক্তি ও তাঁর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মাওলানা নুরুল ইসলাম বিচার চেয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গতকাল নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

​অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার কালকেউট চৌধুরীপাড়া এলাকার মৃত কাছিম উদ্দিনের ছেলে মাওলানা নুরুল ইসলাম স্থানীয় মৌজার ১.৫০ শতক জমি ক্রয় করে দীর্ঘ দিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু ওই এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে মশিয়ার রহমান ও তার চাচা আতিয়ার রহমানসহ ১৫-২০ জন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর ওই জমি জবরদখলের পায়তারা চালান।

​মাওলানা নুরুল ইসলাম জানান, গত ৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে তাঁর বাড়ির সামনে এসে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে মশিয়ার রহমান তাঁকে কিল-ঘুষি মেরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁর স্ত্রী ও সাক্ষী শহিদুল ইসলাম, আইয়ুব আলী এবং রবিউল ইসলাম এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

​নুরুল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন, যে অভিযুক্তরা জমি লিখে দেওয়া অথবা ৩ লাখ ২১ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন। টাকা বা জমি না দিলে পরিবারের সদস্যদের পথেঘাটে মেরে লাশ গুম করা, বাড়িঘরে আগুন দেওয়া এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে।

​ঘটনার সময় নির্যাতনের শিকার হয়ে নুরুল ইসলাম গুরুতর আহত হলে তাঁকে প্রথমে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে বর্তমানে তিনি নিজ বাড়িতে রয়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন, একজন অসহায় মানুষ, সেজন্যই সেই সুযোগ নিয়ে তারা শুধু এই ঘটনাই নয়, আরো তিনবার আমাকে হাটে বাজারে লাঞ্ছিত করেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার কামনা করছি। ​এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাওলানা নুরুল ইসলাম জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Popular Post

জলঢাকায় জমি নিয়ে বিরোধ : প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

জলঢাকায় জমি নিয়ে বিরোধ : প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

Update Time : ০৪:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

আবেদ আলী : নীলফামারীর জলঢাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যক্তি ও তাঁর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মাওলানা নুরুল ইসলাম বিচার চেয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গতকাল নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

​অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার কালকেউট চৌধুরীপাড়া এলাকার মৃত কাছিম উদ্দিনের ছেলে মাওলানা নুরুল ইসলাম স্থানীয় মৌজার ১.৫০ শতক জমি ক্রয় করে দীর্ঘ দিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু ওই এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে মশিয়ার রহমান ও তার চাচা আতিয়ার রহমানসহ ১৫-২০ জন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর ওই জমি জবরদখলের পায়তারা চালান।

​মাওলানা নুরুল ইসলাম জানান, গত ৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে তাঁর বাড়ির সামনে এসে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে মশিয়ার রহমান তাঁকে কিল-ঘুষি মেরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁর স্ত্রী ও সাক্ষী শহিদুল ইসলাম, আইয়ুব আলী এবং রবিউল ইসলাম এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

​নুরুল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন, যে অভিযুক্তরা জমি লিখে দেওয়া অথবা ৩ লাখ ২১ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন। টাকা বা জমি না দিলে পরিবারের সদস্যদের পথেঘাটে মেরে লাশ গুম করা, বাড়িঘরে আগুন দেওয়া এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে।

​ঘটনার সময় নির্যাতনের শিকার হয়ে নুরুল ইসলাম গুরুতর আহত হলে তাঁকে প্রথমে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে বর্তমানে তিনি নিজ বাড়িতে রয়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন, একজন অসহায় মানুষ, সেজন্যই সেই সুযোগ নিয়ে তারা শুধু এই ঘটনাই নয়, আরো তিনবার আমাকে হাটে বাজারে লাঞ্ছিত করেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার কামনা করছি। ​এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাওলানা নুরুল ইসলাম জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।