• রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন |
  • English Version
Headline :
জলঢাকায় পথরোধ করে উত্ত্যক্তের পর কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গৃহবধূ অপহরণের অভিযোগ ‘ভূমিদস্যু’ আখ্যা দিয়ে একপাক্ষিক সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা দাবি ডোমারে ট্রাকচাপায় ৪ জন নিহতের ঘটনায় ঘাতক চালক বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার জলঢাকায় কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হচ্ছে কাঠের ব্রীজ  ​কক্সবাজারে বন্যার্তদের পাশে ‘দি মেসেজ ফাউন্ডেশন’ চট্টগ্রামের বানভাসী মানুষের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি সংবাদ প্রকাশের পর নিরবের পাশে নীলফামারী জেলা প্রশাসক নীলফামারীর উন্নয়নই আমার অঙ্গীকার: ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জলঢাকায় জামায়াতের উদ্যোগে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

জলঢাকায় কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হচ্ছে কাঠের ব্রীজ 

স্টাফ রিপোর্টার / ২০ Time View
Update : রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন

 স্টাফ রিপোর্টার—-জনগনের নিজ অর্থায়নে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হচ্ছে  নীলফামারীর জলঢাকা  উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের নেকবক্ত ৪ নং ওয়ার্ডের অবস্থিত ৩৪ টি পিলারে দাড়িয়ে থাকা ৩৭০ ফিট একটি কাঠের ব্রীজ।

উপজেলার ৩ টি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রভায়িত বুড়ি তিস্তা নদী।

বিগত কোন সরকার দৃষ্টি গোচর দেয়নি ঐ এলাকা গুলোতে।

ফলে  দৈন্যেভরা জীবন দশায় নানা প্রতিকুলতা পেরিয়ে জীবন যাপন করতে হয় তাদের।

প্রতি বছর বর্ষা আসলে প্রসস্ততা বেড়ে যায় কয়েক গুন। যেখানে নেই কোন নদীর এপার ওপারে থাকা মানুষের  যোগাযোগ ব্যবস্থা।  মনছারের ঘাট নামক স্থানে একটি নৌকায়  বিভিন্ন হাট বাজার, শিক্ষা, প্রতিষ্ঠান, সরকারি সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে হয় নদীটির ওপারে থাকা প্রায় ৩০ হাজার মানুষের। ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম মুকুল নিজ উদ্যোগে এলাকা বাসিদের সাথে নিয়ে  কাঠের ব্রীজটি নির্মাণের জন্য উদ্যোগ গ্রহন করেন। রাজনৈতিক ইস্যুতে তিনি এখন জেল হাজতে থাকায় চুপসে যায় কাজের গতি।  তার এমন উদ্যোগে বিচলিত না হয়ে এলাকা বাসি ব্রীজটির নির্মাণ কাজ সম্পুর্ন করতে উঠে পড়ে লেগেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন ব্রীজটির কাজ শেষ করতে আমাদের এখনো অনেক অর্থের প্রয়োজন। তার পরেও আমরা আশা বাদি যে, আগামী ১০ দিনের  মধ্যে মানুষ চলা চল করতে পারবে ব্রীজটি দিয়ে।

শনিবার সকালে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাঠ আর লোহার এ্যাঙ্গেল ব্যবহার করে নির্মিত হচ্ছে ব্রীজটি। ব্রীজের দায়িত্ব থাকা আলহাজ্ব নুরুল হকের ছেলে কাদের, ছকমাল আলীর ছেলে আইয়ুব  আলী, , রশিদু হাজী, জসি মাষ্টার,  মোজাফার বানিয়া ও  সজিব হোসেন জানান, চেয়ারম্যান যদি থাকতো তাহলে কাঠ না লোহা দিয়েই পুরো ব্রীজটি হত।

এছাড়াও ব্রীজটি দুই পাড়ের দুই ধাঁরে থাকা কাঁচা রাস্তা গুলো সংকার ব্যবস্থা যদি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ   গ্রহন করতো তাহলে চলা চলের সুবিধা পেত এ অঞ্চলের মানুষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category