
বিকাশের ভুল নম্বরে চলে যাওয়া ৬৭ হাজার টাকা থানা পুলিশের সহায়তায় প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দিয়ে সততার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার সফিকুল আলম। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জলঢাকা থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই টাকা সম্পূর্ণ সততার সঙ্গে ফেরত দেন।
জানা যায়, গত ২৮ অক্টোবর দুপুর ১:৩০ মিনিটে টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার পিরোজপুর কুড়াগ্রামের মো. সোহরাব হোসেনের ছেলে মো. মেহেদী হাসান (২৮) ধনবাড়ীর একটি বিকাশ এজেন্টের দোকান থেকে ০১৮৯০৬৭৭২০৬ এই নম্বরে টাকা পাঠানোর সময় ভুলবশত নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম চাওড়াডাঙ্গী গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে সফিকুল আলমের নম্বরে (০১৭৫৮৩৭৬৯১৪) ৬৭,০০০ টাকা চলে যায়।
রাতে মেহেদী হাসান ভুল নম্বরে টাকা চলে যাওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে সফিকুল আলমের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। সফিকুল আলম টাকা ফেরত দিতে সম্মতি প্রকাশ করেন, তবে প্রক্রিয়াটি আইনসম্মতভাবে করার আগ্রহ দেখান।
এরই প্রেক্ষিতে গত ৩০ অক্টোবর ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান ধনবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং- ১২৭১, তাং- ৩০/১০/২০২৬) করেন। পরবর্তীতে ধনবাড়ী থানা পুলিশের সহযোগিতায় এবং জলঢাকা থানা পুলিশের এসআই মিরাজ শাহের মাধ্যমে সফিকুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
পুলিশের মধ্যস্থতা ও আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় শনিবার সন্ধ্যার পর জলঢাকা থানায় উপস্থিত হয়ে সফিকুল আলম সম্পূর্ণ টাকা প্রকৃত মালিক মেহেদী হাসানের কাছে পাঠান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) জলঢাকা উপজেলা শাখার আহবায়ক সুলতান মাহমুদ ও সফিকুল আলমের ভাই ছাইদুল ইসলাম। পুলিশের সহযোগিতায় ও সফিকুল আলমের সততায় নিজের হারানো টাকা ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান। সফিকুল আলমের এমন সততার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তার ভূয়সী প্রশংসা শুরু হয়।
আবেদ আলী 


















