রংপুর ১১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
জলঢাকায় সততার অনন্য দৃষ্টান্ত: বিকাশের ভুল নম্বরে যাওয়া ৬৭ হাজার টাকা ফেরত দিলেন সফিকুল লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে আখেরি মোনাজাতে শেষ হলো নীলফামারীর বিশ্বমিনি ইজতেমা সৈয়দপুরে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সৈয়দপুরে সিঁধ কেটে মসজিদের আইপিএস ও ব্যাটারি চুরি ডোমারের চিলাহাটি রেলস্টেশনে ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারী আহত বিভিন্ন দেশের নাগরিকের অংশগ্রহণে নীলফামারীতে জেলা ইজতেমা শুরু ডোমার থানা ওসির সাথে যুব রেড ক্রিসেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জলঢাকায় পল্লি সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় লটারীর মাধ্যমে মহিলাকর্মী নিয়োগ বিশ্ব হাত ধোঁয়া দিবস-২০২৬ ডোমারে উদযাপন “ক্ষতির ভয়ে বিনিয়োগ না করা, জ্ঞান বাড়ানোর সুযোগ হারানো” সৈয়দপুর বিএইউএসটিতে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জলঢাকায় সততার অনন্য দৃষ্টান্ত: বিকাশের ভুল নম্বরে যাওয়া ৬৭ হাজার টাকা ফেরত দিলেন সফিকুল

  • আবেদ আলী
  • Update Time : ১১:১৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩২ Time View
Advertisement
Advertisement

বিকাশের ভুল নম্বরে চলে যাওয়া ৬৭ হাজার টাকা থানা পুলিশের সহায়তায় প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দিয়ে সততার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার সফিকুল আলম। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জলঢাকা থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই টাকা সম্পূর্ণ সততার সঙ্গে ফেরত দেন।

Advertisement

​জানা যায়, গত ২৮ অক্টোবর দুপুর ১:৩০ মিনিটে টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার পিরোজপুর কুড়াগ্রামের মো. সোহরাব হোসেনের ছেলে মো. মেহেদী হাসান (২৮) ধনবাড়ীর একটি বিকাশ এজেন্টের দোকান থেকে ০১৮৯০৬৭৭২০৬ এই নম্বরে টাকা পাঠানোর সময় ভুলবশত নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম চাওড়াডাঙ্গী গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে সফিকুল আলমের নম্বরে (০১৭৫৮৩৭৬৯১৪) ৬৭,০০০ টাকা চলে যায়।

Advertisement

​রাতে মেহেদী হাসান ভুল নম্বরে টাকা চলে যাওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে সফিকুল আলমের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। সফিকুল আলম টাকা ফেরত দিতে সম্মতি প্রকাশ করেন, তবে প্রক্রিয়াটি আইনসম্মতভাবে করার আগ্রহ দেখান।

Advertisement

​এরই প্রেক্ষিতে গত ৩০ অক্টোবর ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান ধনবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং- ১২৭১, তাং- ৩০/১০/২০২৬) করেন। পরবর্তীতে ধনবাড়ী থানা পুলিশের সহযোগিতায় এবং জলঢাকা থানা পুলিশের এসআই মিরাজ শাহের মাধ্যমে সফিকুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

Advertisement

​পুলিশের মধ্যস্থতা ও আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় শনিবার সন্ধ্যার পর জলঢাকা থানায় উপস্থিত হয়ে সফিকুল আলম সম্পূর্ণ টাকা প্রকৃত মালিক মেহেদী হাসানের কাছে পাঠান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) জলঢাকা উপজেলা শাখার আহবায়ক সুলতান মাহমুদ ও সফিকুল আলমের ভাই ছাইদুল ইসলাম। পুলিশের সহযোগিতায় ও সফিকুল আলমের সততায় নিজের হারানো টাকা ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান। সফিকুল আলমের এমন সততার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তার ভূয়সী প্রশংসা শুরু হয়।

 

Advertisement

Popular Post

জলঢাকায় সততার অনন্য দৃষ্টান্ত: বিকাশের ভুল নম্বরে যাওয়া ৬৭ হাজার টাকা ফেরত দিলেন সফিকুল

জলঢাকায় সততার অনন্য দৃষ্টান্ত: বিকাশের ভুল নম্বরে যাওয়া ৬৭ হাজার টাকা ফেরত দিলেন সফিকুল

Update Time : ১১:১৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
Advertisement
Advertisement

বিকাশের ভুল নম্বরে চলে যাওয়া ৬৭ হাজার টাকা থানা পুলিশের সহায়তায় প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দিয়ে সততার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার সফিকুল আলম। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জলঢাকা থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই টাকা সম্পূর্ণ সততার সঙ্গে ফেরত দেন।

Advertisement

​জানা যায়, গত ২৮ অক্টোবর দুপুর ১:৩০ মিনিটে টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার পিরোজপুর কুড়াগ্রামের মো. সোহরাব হোসেনের ছেলে মো. মেহেদী হাসান (২৮) ধনবাড়ীর একটি বিকাশ এজেন্টের দোকান থেকে ০১৮৯০৬৭৭২০৬ এই নম্বরে টাকা পাঠানোর সময় ভুলবশত নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম চাওড়াডাঙ্গী গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে সফিকুল আলমের নম্বরে (০১৭৫৮৩৭৬৯১৪) ৬৭,০০০ টাকা চলে যায়।

Advertisement

​রাতে মেহেদী হাসান ভুল নম্বরে টাকা চলে যাওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে সফিকুল আলমের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। সফিকুল আলম টাকা ফেরত দিতে সম্মতি প্রকাশ করেন, তবে প্রক্রিয়াটি আইনসম্মতভাবে করার আগ্রহ দেখান।

Advertisement

​এরই প্রেক্ষিতে গত ৩০ অক্টোবর ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান ধনবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং- ১২৭১, তাং- ৩০/১০/২০২৬) করেন। পরবর্তীতে ধনবাড়ী থানা পুলিশের সহযোগিতায় এবং জলঢাকা থানা পুলিশের এসআই মিরাজ শাহের মাধ্যমে সফিকুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

Advertisement

​পুলিশের মধ্যস্থতা ও আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় শনিবার সন্ধ্যার পর জলঢাকা থানায় উপস্থিত হয়ে সফিকুল আলম সম্পূর্ণ টাকা প্রকৃত মালিক মেহেদী হাসানের কাছে পাঠান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) জলঢাকা উপজেলা শাখার আহবায়ক সুলতান মাহমুদ ও সফিকুল আলমের ভাই ছাইদুল ইসলাম। পুলিশের সহযোগিতায় ও সফিকুল আলমের সততায় নিজের হারানো টাকা ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান। সফিকুল আলমের এমন সততার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তার ভূয়সী প্রশংসা শুরু হয়।

 

Advertisement