
মাইদুল হাসান :
অভিযোগের ভিত্তিতে মূল অভিযুক্ত পলাতক থাকলেও তার বাবা শফিকুল ইসলাম (৫৫)-কে আটক করেছে জলঢাকা থানা পুলিশ। রোববার সকালে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
অভিযোগকারী আবু সাঈদ জানান, তার বোন নাজমিন আক্তার (২৬), যিনি দুই সন্তানের জননী, দীর্ঘদিন ধরে কৈমারী ইউনিয়নের গাবরোল ক্ষেতুপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে মিলন মিয়া (৩০)-এর দ্বারা বিভিন্ন সময় বাড়ির আশপাশ ও চলাচলের পথে উত্ত্যক্তের শিকার হন। তিনি অশালীন মন্তব্য ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি পরিবারকে জানালে তারা নাজমিনকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৭ জুলাই নাজমিন আক্তার তার ছোট বোনের শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে টেংগোনমারী বাজারে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ৪-৫ জন ব্যক্তি একটি অটোরিকশাযোগে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরিবারের দাবি, পুরো ঘটনাটি চলচ্চিত্রের দৃশ্যের মতো সংঘটিত হয় এবং এর নেতৃত্ব দেন মিলন মিয়া।
ঘটনার দিনই জলঢাকা থানায় তিনজনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযুক্তদের একজনের বাবা শফিকুল ইসলামকে আটক করে।
আবু সাঈদ বলেন, “আমার বোন বর্তমানে কোথায় এবং কী অবস্থায় আছে, তা আমরা জানি না। তার সুখের সংসার আজ অনিশ্চয়তার মুখে। আমরা দ্রুত তাকে উদ্ধার এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।”
এ বিষয়ে জলঢাকা থানার তদন্ত কর্মকর্তা কাজল কুমার রায় বলেন, “অভিযোগে শফিকুল ইসলামের নাম থাকায় তাকে আটক করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।”
মাইদুল হাসান, বিশেষ প্রতিনিধি 









