রংপুর ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
নীলফামারী সদরের প্রতিটি ইউনিয়নে অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ কমিটি জলঢাকায় আওয়ামীলীগ কর্মীর মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন  সৈয়দপুর পৌরসভার ৯২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদারে নীলফামারীতে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা ডোমারে ইয়াবাসহ যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ ২১ বছর পর আবারও একসঙ্গে স্কুলজীবনের বন্ধুরা নীলফামারীতে ৬ নভেম্বর এসএসসি ২০০৫ ব্যাচের মিলনমেলা নাশকতার মামলায় সৈয়দপুর সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা বাদল গ্রেফতার জলঢাকায় ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা, থানায় দুই পরিবারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ নীলফামারীতে দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সেমিনার জলঢাকায় এডহক কমিটির সভাপতি মামুনকে সংবর্ধনা দিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ

দুই হাত নেই পা দিয়েই মাস্টার্স পরীক্ষায় আরিফা

জন্ম থেকেই দুই হাত অচল—যেখানে অনেকেই জীবনের শুরুতেই হাল ছেড়ে দেন, সেখানে অসাধারণ দৃঢ়তা, অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রম দিয়ে নিজের ভাগ্য নিজেই লিখেছেন আরিফা খাতুন। হাতের পরিবর্তে পা-ই হয়ে উঠেছে তার কলম, তার শক্তি, তার স্বপ্নপূরণের একমাত্র হাতিয়ার। সকল প্রতিকূলতাকে জয় করে তিনি পা দিয়ে লিখেই পৌঁছে গেছেন উচ্চশিক্ষার শিখরে—মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে।

Advertisement
Advertisement

সমাজের প্রচলিত সীমাবদ্ধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আরিফা খাতুন প্রমাণ করেছেন—ইচ্ছা থাকলে অসম্ভব কিছুই নয়। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তার পথ রোধ করতে পারেনি; বরং প্রতিটি বাধাই তাকে আরও শক্তিশালী করেছে। তার এই সংগ্রামী জীবনের গল্প অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে অসংখ্য তরুণ-তরুণীকে।

Advertisement

এই অসাধারণ মেধাবী ও সংগ্রামী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়েছেন মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি। আজ তিনি স্বশরীরে আরিফা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজখবর নেন এবং তার পড়াশোনার অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান। এসময় তিনি আরিফার অদম্য সাহস ও অধ্যবসায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

মাননীয় মন্ত্রী আরিফার শিক্ষা জীবনকে আরও এগিয়ে নিতে আর্থিক সহায়তা হিসেবে অনুদান প্রদান করেন এবং তাকে ভবিষ্যতে আরও বড় স্বপ্ন দেখার জন্য উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, “আরিফা খাতুন আমাদের সমাজের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার মতো সংগ্রামী মানুষদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সরকার সবসময় মেধাবী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।”

এই মানবিক উদ্যোগ শুধু আরিফা খাতুনের জীবনেই নতুন আশার আলো জ্বালায়নি, বরং সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে—যেখানে ইচ্ছা, সেখানেই পথ; আর পাশে থাকলে রাষ্ট্র ও সমাজ, তখন স্বপ্নগুলো হয়ে ওঠে আরও বাস্তব।

আরিফা খাতুন আজ শুধু একজন শিক্ষার্থী নন—তিনি এক অনুপ্রেরণার নাম, এক সাহসিকতার প্রতীক, যিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন প্রতিকূলতার মধ্যেও জয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব।

Advertisement

নীলফামারী সদরের প্রতিটি ইউনিয়নে অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ কমিটি

দুই হাত নেই পা দিয়েই মাস্টার্স পরীক্ষায় আরিফা

Update Time : ০৬:০০:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

জন্ম থেকেই দুই হাত অচল—যেখানে অনেকেই জীবনের শুরুতেই হাল ছেড়ে দেন, সেখানে অসাধারণ দৃঢ়তা, অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রম দিয়ে নিজের ভাগ্য নিজেই লিখেছেন আরিফা খাতুন। হাতের পরিবর্তে পা-ই হয়ে উঠেছে তার কলম, তার শক্তি, তার স্বপ্নপূরণের একমাত্র হাতিয়ার। সকল প্রতিকূলতাকে জয় করে তিনি পা দিয়ে লিখেই পৌঁছে গেছেন উচ্চশিক্ষার শিখরে—মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে।

Advertisement
Advertisement

সমাজের প্রচলিত সীমাবদ্ধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আরিফা খাতুন প্রমাণ করেছেন—ইচ্ছা থাকলে অসম্ভব কিছুই নয়। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তার পথ রোধ করতে পারেনি; বরং প্রতিটি বাধাই তাকে আরও শক্তিশালী করেছে। তার এই সংগ্রামী জীবনের গল্প অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে অসংখ্য তরুণ-তরুণীকে।

Advertisement

এই অসাধারণ মেধাবী ও সংগ্রামী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়েছেন মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি। আজ তিনি স্বশরীরে আরিফা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজখবর নেন এবং তার পড়াশোনার অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান। এসময় তিনি আরিফার অদম্য সাহস ও অধ্যবসায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

মাননীয় মন্ত্রী আরিফার শিক্ষা জীবনকে আরও এগিয়ে নিতে আর্থিক সহায়তা হিসেবে অনুদান প্রদান করেন এবং তাকে ভবিষ্যতে আরও বড় স্বপ্ন দেখার জন্য উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, “আরিফা খাতুন আমাদের সমাজের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার মতো সংগ্রামী মানুষদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সরকার সবসময় মেধাবী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।”

এই মানবিক উদ্যোগ শুধু আরিফা খাতুনের জীবনেই নতুন আশার আলো জ্বালায়নি, বরং সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে—যেখানে ইচ্ছা, সেখানেই পথ; আর পাশে থাকলে রাষ্ট্র ও সমাজ, তখন স্বপ্নগুলো হয়ে ওঠে আরও বাস্তব।

আরিফা খাতুন আজ শুধু একজন শিক্ষার্থী নন—তিনি এক অনুপ্রেরণার নাম, এক সাহসিকতার প্রতীক, যিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন প্রতিকূলতার মধ্যেও জয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব।

Advertisement