রংপুর ০৮:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নীলফামারীতে জামায়াতের গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল ১নং ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের নতুন কমপ্লেক্স ভবনের শুভ উদ্বোধন জলঢাকায় কৃষি জমির জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খননের দাবিতে মানববন্ধন মাদকের ভয়াল থাবা ও আমাদের বিষণ্ন ভবিষ্যৎ জলঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির অফিস উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল জলঢাকায় আউলিয়াখানা নদী খনন করে চাষাবাদ জমি রক্ষার্থে মানববন্ধন ১৭ বছর পর উন্নয়নের ছোঁয়া: ডিমলার শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজে একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন অগ্নিকাণ্ডে সৈয়দপুরের অগ্নিদগ্ধদের পাশে       দাড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন”সৈয়দপুর সোসাইটি ঢাকা “ এডিপির অর্থায়নে ডোমারে বিভিন্ন সামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ গ্রাম পুলিশকে পোশাক দিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নীলফামারীতে জামায়াতের গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নীলফামারীতে গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখা।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে শহরের ডিসি মোড়ে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাজার ট্রাফিক মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
জেলা জামায়াতের আমীর ও নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতীফ, নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও নীলফামারী পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু, জলঢাকা উপজেলা জামায়াতের আমীর মোখলেছুর রহমান এবং জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি প্রভাষক মনিরুজ্জামান জুয়েলসহ অন্যান্য নেতারা।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেন, “যতক্ষণ পর্যন্ত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও জুলাই সনদের সংস্কার না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত জনগণকে আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে বিরত রাখা যাবে না।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকার এমন কিছু কর্মকাণ্ড শুরু করেছে, যা নতুন করে ফ্যাসিবাদের জন্ম দিচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণ প্রয়োজনে আবারও রক্ত দিতে প্রস্তুত এবং নতুন এই ফ্যাসিবাদ থেকে দেশকে মুক্ত করতে প্রস্তুত রয়েছে।”
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “বিরোধী দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের উপেক্ষা করে রাষ্ট্র পরিচালনা বা উন্নয়নের চিন্তা করলে তা জনগণ মেনে নেবে না। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমেই দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হতে হবে।”
সমাবেশে বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন, গণরায়ের প্রতি সম্মান এবং রাষ্ট্র সংস্কারের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বক্তব্য দেন। সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নীলফামারীতে জামায়াতের গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নীলফামারীতে জামায়াতের গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

Update Time : ০৮:০২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নীলফামারীতে গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখা।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে শহরের ডিসি মোড়ে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাজার ট্রাফিক মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
জেলা জামায়াতের আমীর ও নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতীফ, নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও নীলফামারী পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু, জলঢাকা উপজেলা জামায়াতের আমীর মোখলেছুর রহমান এবং জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি প্রভাষক মনিরুজ্জামান জুয়েলসহ অন্যান্য নেতারা।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেন, “যতক্ষণ পর্যন্ত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও জুলাই সনদের সংস্কার না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত জনগণকে আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে বিরত রাখা যাবে না।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সরকার এমন কিছু কর্মকাণ্ড শুরু করেছে, যা নতুন করে ফ্যাসিবাদের জন্ম দিচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণ প্রয়োজনে আবারও রক্ত দিতে প্রস্তুত এবং নতুন এই ফ্যাসিবাদ থেকে দেশকে মুক্ত করতে প্রস্তুত রয়েছে।”
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “বিরোধী দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের উপেক্ষা করে রাষ্ট্র পরিচালনা বা উন্নয়নের চিন্তা করলে তা জনগণ মেনে নেবে না। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমেই দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হতে হবে।”
সমাবেশে বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন, গণরায়ের প্রতি সম্মান এবং রাষ্ট্র সংস্কারের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বক্তব্য দেন। সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।