রংপুর ০১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
সৈয়দপুরে পুকুর থেকে তাজা ‎‘গ্রেনেড’ উদ্ধার ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল নাসরিনের মরদেহ, হত্যা নাকি আত্মহত্যা? জলঢাকায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীতে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা ডিমলা সীমান্তে ভারতীয় ৩ গরু জব্দ, চোরাকারবারিরা পালিয়েছে খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তায় অ্যাগ্রিভোল্টাইকসের ওপর সেমিনার সৈয়দপুরে রেজোয়ানের কান্নাভেজা চোখে স্বস্তির হাসি ফুটালেন ইউএনও নীলফামারীর মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের বৈষম্য নিরসনে সংবাদ সম্মেলন  নীলফামারীতে সাইবার সেলের তৎপরতায় উদ্ধার ৩০ হারানো মোবাইল জলঢাকায় দিনদুপুরে বাসাবাড়িতে চুরি, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট জলঢাকায় অবৈধ মজুতের ৪৬৪ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা

ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল নাসরিনের মরদেহ, হত্যা নাকি আত্মহত্যা?

নীলফামারীর গৃহবধূ নাসরিন নাহারের মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্তদের স্বজনদের দাবি, নাসরিন নিজেই আত্মহত্যা করেছেন। দুই পরিবারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে এখন পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
চার বছর আগে নীলফামারী শহরের কলেজপাড়া এলাকার আব্দুল জব্বারের মেয়ে নাসরিন নাহারের সঙ্গে সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের লালপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল মান্নানের বিয়ে হয়। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর নাসরিনকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন মান্নান।
গত ২৬ আগস্ট বিকেলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া ও তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে প্রকাশ্যে নাসরিন তাঁর স্বামী আব্দুল মান্নানের মুখে থুতু নিক্ষেপ করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল হান্নান বলেন, বিকেলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হতে দেখেছেন তিনি। একপর্যায়ে নাসরিন তাঁর স্বামীর মুখে থুতু নিক্ষেপ করেন। পরে মান্নান মসজিদে গিয়ে মুখ ধুয়ে নামাজ আদায় করেন। এরপর তিনি বাজারে যাওয়ায় কী ঘটেছে, তা তিনি জানেন না।
ওইদিন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আব্দুল মান্নানের বাড়িতে মিলাদের আয়োজন ও রান্নার প্রস্তুতি চলছিল। এশার নামাজ শেষে বাড়িতে ফিরে স্ত্রী নাসরিনকে ঘরের দরজা খোলার জন্য একাধিকবার ডাকেন মান্নান। তবে ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে রান্নার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদেরও নাসরিনকে ডাকতে বলেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী রাব্বি ইসলাম ও মামুন ইসলাম বলেন, দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় প্রথমে বাইরে থেকে নাসরিনকে ডাকাডাকি করা হয়। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পাওয়ায় আমরা সবাই মিলে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকি। সেখানে ফ্যানের সঙ্গে নাসরিন দাদিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে ওই রাতেই নীলফামারী সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। একই রাতে নাসরিনের বাবা আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে যৌতুকের জন্য তাঁর মেয়েকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর অভিযোগে আব্দুল মান্নানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
তবে মামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্তদের পরিবার। তাদের দাবি, নাসরিন নিজেই আত্মহত্যা করেছেন।
প্রধান অভিযুক্তের মেয়ে তানজিনা আক্তার বলেন, তাঁরা যদি নাসরিনকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখতেন, তাহলে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকার কথা নয় এবং দরজা ভেঙে স্থানীয়দের ঘরে প্রবেশেরও প্রয়োজন হতো না। পরিবারের সদস্যদের দাবি, নাসরিন শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। নিজেই আত্মহত্যা করেছেন।
আরেক অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী তাজমিনা পারভিন বলেন, “আমরা গ্রামের বাড়িতে থাকি না, শহরে থাকি। ঘটনার দিন আমার স্বামী এখানেই ছিলেন না, তিনি শহরে ছিলেন। তারপরও তাঁর নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত চাই।”
অন্যদিকে নাসরিনের পরিবারের দাবি, বিয়ের সময় আব্দুল মান্নানকে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দেওয়া হয়েছিল। বিয়ের কিছুদিন পর আরও তিন লাখ টাকা যৌতুকের জন্য নাসরিনের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ তাঁদের। তাদের অভিযোগ, যৌতুকের দাবির জের ধরে ঘটনার রাতে আব্দুল মান্নান, তাঁর বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন, প্রথম স্ত্রীর ছেলে আলমগীর হোসেন এবং আলমগীরের স্ত্রী আরিফা বেগম নাসরিনকে মারধর করেন। পরে তাঁকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
নাসরিনের বাবা আব্দুল জব্বার বলেন, “যৌতুকের জন্য আমার মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন করা হচ্ছিল। ঘটনার দিনও তিন লাখ টাকা যৌতুকের জন্য চাপ দেওয়া হয়। মেয়ে এর প্রতিবাদ করায় তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
তবে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে মান্নানের পরিবার। প্রধান অভিযুক্তের মেয়ে তাহমিনা বেগম বলেন, “বিয়ের সময় নাসরিনের পরিবারের কাছ থেকে কোনো যৌতুক নেওয়া হয়নি। দেনমোহর হিসেবে ৩০ শতক জমি তাঁর নামে লিখে দেওয়া হয়েছিল। তাঁকে হত্যা করা হয়েছে এমন অভিযোগ সত্য নয়। আমরা চাই, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসুক এবং নির্দোষদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করা হোক।”
নীলফামারী সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) দেওয়ান সাইন জামান বলেন, “প্রাথমিকভাবে শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার পর থেকে মামলার অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে নাসরিনের পরিবার। মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করেছেন বাবা আব্দুল জব্বার। অন্যদিকে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং অভিযুক্তদের পরিবারের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।
Popular Post

সৈয়দপুরে পুকুর থেকে তাজা ‎‘গ্রেনেড’ উদ্ধার

ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল নাসরিনের মরদেহ, হত্যা নাকি আত্মহত্যা?

Update Time : ১২:১৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নীলফামারীর গৃহবধূ নাসরিন নাহারের মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্তদের স্বজনদের দাবি, নাসরিন নিজেই আত্মহত্যা করেছেন। দুই পরিবারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে এখন পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
চার বছর আগে নীলফামারী শহরের কলেজপাড়া এলাকার আব্দুল জব্বারের মেয়ে নাসরিন নাহারের সঙ্গে সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের লালপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল মান্নানের বিয়ে হয়। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর নাসরিনকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন মান্নান।
গত ২৬ আগস্ট বিকেলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া ও তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে প্রকাশ্যে নাসরিন তাঁর স্বামী আব্দুল মান্নানের মুখে থুতু নিক্ষেপ করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল হান্নান বলেন, বিকেলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হতে দেখেছেন তিনি। একপর্যায়ে নাসরিন তাঁর স্বামীর মুখে থুতু নিক্ষেপ করেন। পরে মান্নান মসজিদে গিয়ে মুখ ধুয়ে নামাজ আদায় করেন। এরপর তিনি বাজারে যাওয়ায় কী ঘটেছে, তা তিনি জানেন না।
ওইদিন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আব্দুল মান্নানের বাড়িতে মিলাদের আয়োজন ও রান্নার প্রস্তুতি চলছিল। এশার নামাজ শেষে বাড়িতে ফিরে স্ত্রী নাসরিনকে ঘরের দরজা খোলার জন্য একাধিকবার ডাকেন মান্নান। তবে ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে রান্নার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদেরও নাসরিনকে ডাকতে বলেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী রাব্বি ইসলাম ও মামুন ইসলাম বলেন, দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় প্রথমে বাইরে থেকে নাসরিনকে ডাকাডাকি করা হয়। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পাওয়ায় আমরা সবাই মিলে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকি। সেখানে ফ্যানের সঙ্গে নাসরিন দাদিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে ওই রাতেই নীলফামারী সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। একই রাতে নাসরিনের বাবা আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে যৌতুকের জন্য তাঁর মেয়েকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর অভিযোগে আব্দুল মান্নানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
তবে মামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্তদের পরিবার। তাদের দাবি, নাসরিন নিজেই আত্মহত্যা করেছেন।
প্রধান অভিযুক্তের মেয়ে তানজিনা আক্তার বলেন, তাঁরা যদি নাসরিনকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখতেন, তাহলে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকার কথা নয় এবং দরজা ভেঙে স্থানীয়দের ঘরে প্রবেশেরও প্রয়োজন হতো না। পরিবারের সদস্যদের দাবি, নাসরিন শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। নিজেই আত্মহত্যা করেছেন।
আরেক অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী তাজমিনা পারভিন বলেন, “আমরা গ্রামের বাড়িতে থাকি না, শহরে থাকি। ঘটনার দিন আমার স্বামী এখানেই ছিলেন না, তিনি শহরে ছিলেন। তারপরও তাঁর নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত চাই।”
অন্যদিকে নাসরিনের পরিবারের দাবি, বিয়ের সময় আব্দুল মান্নানকে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দেওয়া হয়েছিল। বিয়ের কিছুদিন পর আরও তিন লাখ টাকা যৌতুকের জন্য নাসরিনের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ তাঁদের। তাদের অভিযোগ, যৌতুকের দাবির জের ধরে ঘটনার রাতে আব্দুল মান্নান, তাঁর বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন, প্রথম স্ত্রীর ছেলে আলমগীর হোসেন এবং আলমগীরের স্ত্রী আরিফা বেগম নাসরিনকে মারধর করেন। পরে তাঁকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
নাসরিনের বাবা আব্দুল জব্বার বলেন, “যৌতুকের জন্য আমার মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন করা হচ্ছিল। ঘটনার দিনও তিন লাখ টাকা যৌতুকের জন্য চাপ দেওয়া হয়। মেয়ে এর প্রতিবাদ করায় তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
তবে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে মান্নানের পরিবার। প্রধান অভিযুক্তের মেয়ে তাহমিনা বেগম বলেন, “বিয়ের সময় নাসরিনের পরিবারের কাছ থেকে কোনো যৌতুক নেওয়া হয়নি। দেনমোহর হিসেবে ৩০ শতক জমি তাঁর নামে লিখে দেওয়া হয়েছিল। তাঁকে হত্যা করা হয়েছে এমন অভিযোগ সত্য নয়। আমরা চাই, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসুক এবং নির্দোষদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করা হোক।”
নীলফামারী সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) দেওয়ান সাইন জামান বলেন, “প্রাথমিকভাবে শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার পর থেকে মামলার অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে নাসরিনের পরিবার। মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করেছেন বাবা আব্দুল জব্বার। অন্যদিকে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং অভিযুক্তদের পরিবারের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।