• শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
Headline :
জলঢাকায় সাপের কামড়ে একজনের মৃত্যু  নীলফামারীতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত, বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ নীলফামারীতে সড়কে চাঁদাবাজি ও অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ডোমারে ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন এর শুভ উদ্বোধন উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নে এসডিএফ কর্তৃক মার্কেট সেডের শুভ উদ্বোধন জলঢাকায় কলেজ ছাত্র পিয়েল হত্যার বিচারের দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বিজিবিতে সুবেদার মেজর পদে পদোন্নতি পেলেন মোবারক হোসেন (লিটন) জলঢাকায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী, সনদ ও ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের বার্তা, নীলফামারী জেলা পুলিশের বর্ণাঢ্য মাস্টার প্যারেড

লালমনিরহাটে সেনাসদস্যের বাড়িতে ৪ দিন ধরে অনশনে তরুণী

মোঃ রুহুল আমিন রাসেল, স্টাফ রিপোর্টার / ১৯০ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন

লালমনিরহাটে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে তা অস্বীকার করার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এক সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্ত যুবকের বাড়িতে গত চার দিন ধরে অনশন করছেন এক তরুণী। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের সিংগাদ্বার এলাকার বাসিন্দা মঞ্জিরুল ইসলাম (২২) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সৈনিক। তিনি বর্তমানে বগুড়া সেনানিবাসের ৯ বীর মেকানাইজড ব্যাটালিয়নে কর্মরত। তার বাবা এনামুল হক এবং মা মর্জিনা বেগম।
অন্যদিকে একই জেলার হারাটি ইউনিয়নের পশ্চিম আমবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মোনালিসা খাতুন (১৮)। তার বাবা মোজাম্মেল হক ও মা কুলসুম বেগম।
মোনালিসা খাতুনের পরিবারের দাবি, পারিবারিক আলোচনার মাধ্যমে উভয়ের বিয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এ বিষয়ে একটি লিখিত অঙ্গীকারনামাও করা হয়। সেখানে উল্লেখ ছিল, সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার পর এবং চাকরির নির্ধারিত বয়স পূর্ণ হলে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করা হবে। দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ লাখ ১ টাকা।
তবে বর্তমানে মঞ্জিরুল ইসলাম বিয়ের বিষয়ে রাজি নন বলে অভিযোগ করেছেন মেয়ের পরিবারের সদস্যরা।
এ ঘটনার প্রতিবাদে মোনালিসা খাতুন গত চার দিন ধরে অভিযুক্ত যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন বলে জানা গেছে। তার দাবি, পূর্বের লিখিত অঙ্গীকার অনুযায়ী বিয়ে সম্পন্ন করতে হবে।
মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অঙ্গীকারনামা থাকার পরও যদি বিয়ের বিষয়ে অস্বীকৃতি জানানো হয়, তাহলে তারা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান প্রত্যাশা করছেন।
অভিযুক্ত মঞ্জিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি পারিবারিকভাবে বসে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category