ডেস্ক রিপোর্ট : নীলফামারী জলঢাকায় আলোর দিশারী ক্লাবের সদস্যদের সঞ্চয়কৃত প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা। এ আত্মসাত প্রক্রিয়ায় জরিত ক্লাবের সভাপতি, সম্পাদক সহ আরও তিন জনকে জড়িয়ে লিখিত অভিযোগ করেছে তারা।

বিভিন্ন দপ্তরে দ্বায়েরকৃত অভিযোগে বলা হয়েছে, বিগত ২০২০ সালের ২৯শে অক্টোবর উপজেলার কৈমারি ইউনিয়নের গাবরোল তশিলদার পাড়ায় এলাকার ৩০ জন কে নিয়ে আলোর দিশারী ক্লাব নামের একটি সমিতি আত্মপ্রকাশ করে। যার উদ্দেশ্য ছিল সঞ্চয় করে স্বাবলম্বী হওয়া। এ লক্ষ্যে প্রতি সপ্তাহে জনপ্রতি সদস্য ১০০ টাকা করে সঞ্চয় জমা করে। জমাকৃত অর্থের দ্বায়ীত্বে ছিলেন ক্লাবের সভাপতি পাঠান পাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জহুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সফিয়ার রহমান ও কোষাধ্যক্ষ মোনাব্বেরুল ইসলাম। সেই অর্থ ব্যাংকে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা জমা করে এবং পড়ে উক্ত টাকা আবারও উত্তলন করে সদস্যদের না জানিয়ে। পরবর্তীতে অভিযুক্তরা জমাকৃত সঞ্চয়ের ১৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা পাচঁজন মিলে ভাগ বাটোয়ারা নেন বলে সাংবাদিকদের জানান ভুক্তভোগী সদস্যরা। ভুক্তভোগীদের মধ্যে দেলোয়ার হোসেন, রানা হোসেন, রবিউল ইসলাম সহ অনেকে একই অভিযোগ করে বলেন, সভাপতি জহুরুল ইসলামের কাছে টাকা চাইতে গেলে তিনি আমাদের মারধর সহ মামলা হামলার হুমকি দেন। এই ক্লাবের অন্যতম সদস্য ডাক্তার মোজাম্মেল হক বলেন ” ওরা ক্লাবের প্রায় চৌদ্দ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছে। এটা নিয়ে অনেক বার সালিস হয়েছিল কিন্তু ওরা টালবাহানা করে সময় পার করে কিন্তু টাকা দেয়না। এখন ক্লাবে তালা লাগিয়েছে, সাইনবোর্ড নিয়ে গেছে। এমনকি সমিতির পাশ বই নিয়ে গেছে। আমি একটি পাশ বই উদ্ধার করেছি। যা সদস্য নং ২৭।এখানে যারা সদস্য তারা দিন মজুরের কাজ করে। এই টাকা উদ্ধারের জন্য আপনাদের ( সাংবাদিকদের ) মাধ্যমে উপর মহলের দৃষ্টি আর্কষণ করছি।” এই বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক ও ক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি এরিয়ে যান। উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার আশরাফুজ্জামান জানান ‘ অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্হা গ্রহণ করা হবে।”