রংপুর ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
উপজেলার ২নং কেতকীবাড়ী ইউনিয়নে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ জলঢাকায় ফ‍্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারি ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন নীলফামারী চেম্বারের নির্বাচনে মাহবুব রহমান সভাপতি নির্বাচিত চিলাহাটিতে ৪৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ রেজাউল গ্রেফতার জলঢাকায় দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য ও ষাণ্মাসিক ফলাফল উপলক্ষ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মীরগঞ্জ ইউনিয়ন শ্রমিক দল আহ্বায়ক বহিষ্কৃত, কমিটি বিলুপ্ত মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি, ইসির প্রজ্ঞাপন জারি চিলাহাটিতে এক প্রতিবন্ধী নারীকে সঙ্গবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ চিলাহাটীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতালেব হোসেনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন শিক্ষার আলো জ্বালাতে অসচ্ছল শিক্ষার্থীকে জেলা প্রশাসকের সাইকেল প্রদান

লালমনিরহাটে সেনাসদস্যের বাড়িতে ৪ দিন ধরে অনশনে তরুণী

লালমনিরহাটে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে তা অস্বীকার করার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এক সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্ত যুবকের বাড়িতে গত চার দিন ধরে অনশন করছেন এক তরুণী। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের সিংগাদ্বার এলাকার বাসিন্দা মঞ্জিরুল ইসলাম (২২) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সৈনিক। তিনি বর্তমানে বগুড়া সেনানিবাসের ৯ বীর মেকানাইজড ব্যাটালিয়নে কর্মরত। তার বাবা এনামুল হক এবং মা মর্জিনা বেগম।
অন্যদিকে একই জেলার হারাটি ইউনিয়নের পশ্চিম আমবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মোনালিসা খাতুন (১৮)। তার বাবা মোজাম্মেল হক ও মা কুলসুম বেগম।
মোনালিসা খাতুনের পরিবারের দাবি, পারিবারিক আলোচনার মাধ্যমে উভয়ের বিয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এ বিষয়ে একটি লিখিত অঙ্গীকারনামাও করা হয়। সেখানে উল্লেখ ছিল, সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার পর এবং চাকরির নির্ধারিত বয়স পূর্ণ হলে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করা হবে। দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ লাখ ১ টাকা।
তবে বর্তমানে মঞ্জিরুল ইসলাম বিয়ের বিষয়ে রাজি নন বলে অভিযোগ করেছেন মেয়ের পরিবারের সদস্যরা।
এ ঘটনার প্রতিবাদে মোনালিসা খাতুন গত চার দিন ধরে অভিযুক্ত যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন বলে জানা গেছে। তার দাবি, পূর্বের লিখিত অঙ্গীকার অনুযায়ী বিয়ে সম্পন্ন করতে হবে।
মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অঙ্গীকারনামা থাকার পরও যদি বিয়ের বিষয়ে অস্বীকৃতি জানানো হয়, তাহলে তারা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান প্রত্যাশা করছেন।
অভিযুক্ত মঞ্জিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি পারিবারিকভাবে বসে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

Popular Post

উপজেলার ২নং কেতকীবাড়ী ইউনিয়নে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ

লালমনিরহাটে সেনাসদস্যের বাড়িতে ৪ দিন ধরে অনশনে তরুণী

Update Time : ০৮:৩১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

লালমনিরহাটে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে তা অস্বীকার করার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এক সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্ত যুবকের বাড়িতে গত চার দিন ধরে অনশন করছেন এক তরুণী। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের সিংগাদ্বার এলাকার বাসিন্দা মঞ্জিরুল ইসলাম (২২) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সৈনিক। তিনি বর্তমানে বগুড়া সেনানিবাসের ৯ বীর মেকানাইজড ব্যাটালিয়নে কর্মরত। তার বাবা এনামুল হক এবং মা মর্জিনা বেগম।
অন্যদিকে একই জেলার হারাটি ইউনিয়নের পশ্চিম আমবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মোনালিসা খাতুন (১৮)। তার বাবা মোজাম্মেল হক ও মা কুলসুম বেগম।
মোনালিসা খাতুনের পরিবারের দাবি, পারিবারিক আলোচনার মাধ্যমে উভয়ের বিয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এ বিষয়ে একটি লিখিত অঙ্গীকারনামাও করা হয়। সেখানে উল্লেখ ছিল, সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার পর এবং চাকরির নির্ধারিত বয়স পূর্ণ হলে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করা হবে। দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ লাখ ১ টাকা।
তবে বর্তমানে মঞ্জিরুল ইসলাম বিয়ের বিষয়ে রাজি নন বলে অভিযোগ করেছেন মেয়ের পরিবারের সদস্যরা।
এ ঘটনার প্রতিবাদে মোনালিসা খাতুন গত চার দিন ধরে অভিযুক্ত যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন বলে জানা গেছে। তার দাবি, পূর্বের লিখিত অঙ্গীকার অনুযায়ী বিয়ে সম্পন্ন করতে হবে।
মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অঙ্গীকারনামা থাকার পরও যদি বিয়ের বিষয়ে অস্বীকৃতি জানানো হয়, তাহলে তারা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান প্রত্যাশা করছেন।
অভিযুক্ত মঞ্জিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি পারিবারিকভাবে বসে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।