• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
Headline :
নীলফামারীবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন জেলা পরিষদ প্রশাসক শামীম নীলফামারীবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন জেলা পরিষদ প্রশাসক শামীম নীলফামারীতে অসহায় দুস্থ মানুষের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ জলঢাকার ডালিয়া রোডে অটোচালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা লালমনিরহাট সীমান্তে বেড়া নির্মাণের চেষ্টায় বিএসএফকে বাধা দিল বিজিবি নীলফামারীতে জেলা পরিষদের উদ্যোগে মসজিদ-মাদ্রাসায় সিলিং ফ্যান বিতরণ দুই কর্মকর্তার যোগসাজশে সরকারের দেড় কোটি টাকার ক্ষতির দাবি নীলফামারীতে তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলার সমাপনী রবীন্দ্র-নজরুল জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নীলফামারীতে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ভূমি সেবা অটোমেশনে হয়রানি কমবে, বাড়বে স্বচ্ছতা : জেলা প্রশাসক

শিলাবৃষ্টির তান্ডবে ডোমারে ফসল ও বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

মোসাদ্দেকুর রহমান সাজু,স্টাফ রিপোর্টার, ডোমার নীলফামারী / ২৭৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন

মোসাদ্দেকুর রহমান সাজু, স্টাফ রিপোর্টার,ডোমার নীলফামারীঃ নীলফামারীর ডোমারে কালবৈশাখী ঝড় ও আধা ঘন্টা শিলাবৃষ্টির তান্ডবে কৃষকের ক্ষেতের ফসল ও বাড়িঘরের অপূরণীয় ক্ষতিসাধিত হয়েছে। শিলাবৃষ্টির আঘাতে ঘরের টিন ফুটো হয়ে ম্যাচাকার অবস্থা হয়েছে।

শুক্রবার রাত ১১টা হতে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত শিলা বৃষ্টি ও ঝড়ে কৃষকের মাঠের ফসল মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়, এছাড়াও অনেক মানুষের বসতবাড়ীর ক্ষতিসাধিত হয়েছে।
ফসলের মাঠে বোরো ধান, ভুট্টা, আখ, কলা, বেগুন, মরিচসহ সব ধরনের ফসলের ক্ষতি সাধিত হয়েছে। যা রিকোভার করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।
শনিবার(২৮মার্চ) সকালে সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভুট্টা, মরিচ, বেগুনের গাছগুলো পাতাহীন দাড়িয়ে আছে। বোরো ধান গাছ ছিঁড়ে জমিনে পড়ে আছে। কলাগাছ গুলো দুমড়ে মুছড়ে মাথা নুয়ে কোন রকম দাড়িয়ে আছে।

এবিষয়ে কথা হয় বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বোড়াগাড়ী গ্রামের কৃষক ইব্রাহীম আলীর সাথে, তিনি বলেন আমি দশ বিঘা জমিতে কলা,পাঁচ বিঘা জমিতে ভুট্টা ও একবিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। শিলা বৃষ্টিতে আমার সব আবাদ শেষ হয়ে গেছে। একই এলাকার কৃষক আজিজার রহমান, ইয়াছিন আলী, দিলীপ রায়, অঘোর চন্দ্র রায়, মজিবর রহমান, রবিউল ইসলাম,জয়নাল আবেদীন জানান,ঋন কর্জ ও বাকীতে সার বীজ কিনে আবাদ করেছি। জীবনে প্রথম দেখা এই শিলাবৃষ্টি। নিমিশেই আমাদের সব আবাদ শেষ করে দিয়েছে।আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, যা কোন ভাবেই পুসিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ রফিকুল ইসলাম ও উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব হাসানসহ সকালে ক্ষতিগ্রস্থ ফসলের মাঠ পরিদর্শনে এসে তারা বলেন, উপজেলায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

 

তবে পশ্চিম বোড়াগাড়ী এলাকায় তুলনামুলক ভাবে বেশী ক্ষতি হয়েছে।ধান ১৩ হাজার ২০৮ হেক্টর জমির মধ্যে ১৫০ হেক্টর,ভুট্টা ৪ হাজার ৩৫০হেক্টরের মধ্যে ২০০ হেক্টর,মরিচ ৮ শত হেক্টরের মধ্যে ৩০ হেক্টর,কলা ১৮ হেক্টরের মধ্যে ৫ হেক্টর ও আখ ১২হেক্টরের মধ্যে ৪ হেক্টর জমির আবাদ ক্ষতি হওয়ার ধারণা করছি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category