রংপুর ০৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
উপজেলার ২নং কেতকীবাড়ী ইউনিয়নে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ জলঢাকায় ফ‍্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারি ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন নীলফামারী চেম্বারের নির্বাচনে মাহবুব রহমান সভাপতি নির্বাচিত চিলাহাটিতে ৪৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ রেজাউল গ্রেফতার জলঢাকায় দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য ও ষাণ্মাসিক ফলাফল উপলক্ষ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মীরগঞ্জ ইউনিয়ন শ্রমিক দল আহ্বায়ক বহিষ্কৃত, কমিটি বিলুপ্ত মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি, ইসির প্রজ্ঞাপন জারি চিলাহাটিতে এক প্রতিবন্ধী নারীকে সঙ্গবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ চিলাহাটীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতালেব হোসেনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন শিক্ষার আলো জ্বালাতে অসচ্ছল শিক্ষার্থীকে জেলা প্রশাসকের সাইকেল প্রদান

শিলাবৃষ্টির তান্ডবে ডোমারে ফসল ও বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

মোসাদ্দেকুর রহমান সাজু, স্টাফ রিপোর্টার,ডোমার নীলফামারীঃ নীলফামারীর ডোমারে কালবৈশাখী ঝড় ও আধা ঘন্টা শিলাবৃষ্টির তান্ডবে কৃষকের ক্ষেতের ফসল ও বাড়িঘরের অপূরণীয় ক্ষতিসাধিত হয়েছে। শিলাবৃষ্টির আঘাতে ঘরের টিন ফুটো হয়ে ম্যাচাকার অবস্থা হয়েছে।

শুক্রবার রাত ১১টা হতে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত শিলা বৃষ্টি ও ঝড়ে কৃষকের মাঠের ফসল মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়, এছাড়াও অনেক মানুষের বসতবাড়ীর ক্ষতিসাধিত হয়েছে।
ফসলের মাঠে বোরো ধান, ভুট্টা, আখ, কলা, বেগুন, মরিচসহ সব ধরনের ফসলের ক্ষতি সাধিত হয়েছে। যা রিকোভার করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।
শনিবার(২৮মার্চ) সকালে সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভুট্টা, মরিচ, বেগুনের গাছগুলো পাতাহীন দাড়িয়ে আছে। বোরো ধান গাছ ছিঁড়ে জমিনে পড়ে আছে। কলাগাছ গুলো দুমড়ে মুছড়ে মাথা নুয়ে কোন রকম দাড়িয়ে আছে।

এবিষয়ে কথা হয় বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বোড়াগাড়ী গ্রামের কৃষক ইব্রাহীম আলীর সাথে, তিনি বলেন আমি দশ বিঘা জমিতে কলা,পাঁচ বিঘা জমিতে ভুট্টা ও একবিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। শিলা বৃষ্টিতে আমার সব আবাদ শেষ হয়ে গেছে। একই এলাকার কৃষক আজিজার রহমান, ইয়াছিন আলী, দিলীপ রায়, অঘোর চন্দ্র রায়, মজিবর রহমান, রবিউল ইসলাম,জয়নাল আবেদীন জানান,ঋন কর্জ ও বাকীতে সার বীজ কিনে আবাদ করেছি। জীবনে প্রথম দেখা এই শিলাবৃষ্টি। নিমিশেই আমাদের সব আবাদ শেষ করে দিয়েছে।আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, যা কোন ভাবেই পুসিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ রফিকুল ইসলাম ও উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব হাসানসহ সকালে ক্ষতিগ্রস্থ ফসলের মাঠ পরিদর্শনে এসে তারা বলেন, উপজেলায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

 

তবে পশ্চিম বোড়াগাড়ী এলাকায় তুলনামুলক ভাবে বেশী ক্ষতি হয়েছে।ধান ১৩ হাজার ২০৮ হেক্টর জমির মধ্যে ১৫০ হেক্টর,ভুট্টা ৪ হাজার ৩৫০হেক্টরের মধ্যে ২০০ হেক্টর,মরিচ ৮ শত হেক্টরের মধ্যে ৩০ হেক্টর,কলা ১৮ হেক্টরের মধ্যে ৫ হেক্টর ও আখ ১২হেক্টরের মধ্যে ৪ হেক্টর জমির আবাদ ক্ষতি হওয়ার ধারণা করছি।

 

Popular Post

উপজেলার ২নং কেতকীবাড়ী ইউনিয়নে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ

শিলাবৃষ্টির তান্ডবে ডোমারে ফসল ও বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

Update Time : ০১:১০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

মোসাদ্দেকুর রহমান সাজু, স্টাফ রিপোর্টার,ডোমার নীলফামারীঃ নীলফামারীর ডোমারে কালবৈশাখী ঝড় ও আধা ঘন্টা শিলাবৃষ্টির তান্ডবে কৃষকের ক্ষেতের ফসল ও বাড়িঘরের অপূরণীয় ক্ষতিসাধিত হয়েছে। শিলাবৃষ্টির আঘাতে ঘরের টিন ফুটো হয়ে ম্যাচাকার অবস্থা হয়েছে।

শুক্রবার রাত ১১টা হতে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত শিলা বৃষ্টি ও ঝড়ে কৃষকের মাঠের ফসল মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়, এছাড়াও অনেক মানুষের বসতবাড়ীর ক্ষতিসাধিত হয়েছে।
ফসলের মাঠে বোরো ধান, ভুট্টা, আখ, কলা, বেগুন, মরিচসহ সব ধরনের ফসলের ক্ষতি সাধিত হয়েছে। যা রিকোভার করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।
শনিবার(২৮মার্চ) সকালে সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভুট্টা, মরিচ, বেগুনের গাছগুলো পাতাহীন দাড়িয়ে আছে। বোরো ধান গাছ ছিঁড়ে জমিনে পড়ে আছে। কলাগাছ গুলো দুমড়ে মুছড়ে মাথা নুয়ে কোন রকম দাড়িয়ে আছে।

এবিষয়ে কথা হয় বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বোড়াগাড়ী গ্রামের কৃষক ইব্রাহীম আলীর সাথে, তিনি বলেন আমি দশ বিঘা জমিতে কলা,পাঁচ বিঘা জমিতে ভুট্টা ও একবিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। শিলা বৃষ্টিতে আমার সব আবাদ শেষ হয়ে গেছে। একই এলাকার কৃষক আজিজার রহমান, ইয়াছিন আলী, দিলীপ রায়, অঘোর চন্দ্র রায়, মজিবর রহমান, রবিউল ইসলাম,জয়নাল আবেদীন জানান,ঋন কর্জ ও বাকীতে সার বীজ কিনে আবাদ করেছি। জীবনে প্রথম দেখা এই শিলাবৃষ্টি। নিমিশেই আমাদের সব আবাদ শেষ করে দিয়েছে।আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, যা কোন ভাবেই পুসিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ রফিকুল ইসলাম ও উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব হাসানসহ সকালে ক্ষতিগ্রস্থ ফসলের মাঠ পরিদর্শনে এসে তারা বলেন, উপজেলায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

 

তবে পশ্চিম বোড়াগাড়ী এলাকায় তুলনামুলক ভাবে বেশী ক্ষতি হয়েছে।ধান ১৩ হাজার ২০৮ হেক্টর জমির মধ্যে ১৫০ হেক্টর,ভুট্টা ৪ হাজার ৩৫০হেক্টরের মধ্যে ২০০ হেক্টর,মরিচ ৮ শত হেক্টরের মধ্যে ৩০ হেক্টর,কলা ১৮ হেক্টরের মধ্যে ৫ হেক্টর ও আখ ১২হেক্টরের মধ্যে ৪ হেক্টর জমির আবাদ ক্ষতি হওয়ার ধারণা করছি।