রংপুর ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
ছাত্রদল নেতা দিপুর উন্নত চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন আলিয়া মাদ্রাসার মাঠ সংকোচনের প্রতিবাদ,কমিটি পুনর্গঠনের দাবি  রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে ডোমারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান মেধাবী শিক্ষার্থী রাকিবের মরদেহ মিললো নীলফামারীর ডিমলায় জলঢাকায় ৩৮ বছর শিক্ষকতার পর অবসর, রেজাউল করিমকে বিদায় সংবর্ধনা জলঢাকায় শিক্ষক রেজাউল করিম খাঁনের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে নীলফামারীর সাংবাদিকদের মতবিনিময় ডোমারে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক জলঢাকায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা জলঢাকায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

শিলাবৃষ্টির তান্ডবে ডোমারে ফসল ও বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

মোসাদ্দেকুর রহমান সাজু, স্টাফ রিপোর্টার,ডোমার নীলফামারীঃ নীলফামারীর ডোমারে কালবৈশাখী ঝড় ও আধা ঘন্টা শিলাবৃষ্টির তান্ডবে কৃষকের ক্ষেতের ফসল ও বাড়িঘরের অপূরণীয় ক্ষতিসাধিত হয়েছে। শিলাবৃষ্টির আঘাতে ঘরের টিন ফুটো হয়ে ম্যাচাকার অবস্থা হয়েছে।

শুক্রবার রাত ১১টা হতে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত শিলা বৃষ্টি ও ঝড়ে কৃষকের মাঠের ফসল মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়, এছাড়াও অনেক মানুষের বসতবাড়ীর ক্ষতিসাধিত হয়েছে।
ফসলের মাঠে বোরো ধান, ভুট্টা, আখ, কলা, বেগুন, মরিচসহ সব ধরনের ফসলের ক্ষতি সাধিত হয়েছে। যা রিকোভার করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।
শনিবার(২৮মার্চ) সকালে সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভুট্টা, মরিচ, বেগুনের গাছগুলো পাতাহীন দাড়িয়ে আছে। বোরো ধান গাছ ছিঁড়ে জমিনে পড়ে আছে। কলাগাছ গুলো দুমড়ে মুছড়ে মাথা নুয়ে কোন রকম দাড়িয়ে আছে।

এবিষয়ে কথা হয় বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বোড়াগাড়ী গ্রামের কৃষক ইব্রাহীম আলীর সাথে, তিনি বলেন আমি দশ বিঘা জমিতে কলা,পাঁচ বিঘা জমিতে ভুট্টা ও একবিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। শিলা বৃষ্টিতে আমার সব আবাদ শেষ হয়ে গেছে। একই এলাকার কৃষক আজিজার রহমান, ইয়াছিন আলী, দিলীপ রায়, অঘোর চন্দ্র রায়, মজিবর রহমান, রবিউল ইসলাম,জয়নাল আবেদীন জানান,ঋন কর্জ ও বাকীতে সার বীজ কিনে আবাদ করেছি। জীবনে প্রথম দেখা এই শিলাবৃষ্টি। নিমিশেই আমাদের সব আবাদ শেষ করে দিয়েছে।আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, যা কোন ভাবেই পুসিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ রফিকুল ইসলাম ও উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব হাসানসহ সকালে ক্ষতিগ্রস্থ ফসলের মাঠ পরিদর্শনে এসে তারা বলেন, উপজেলায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

 

তবে পশ্চিম বোড়াগাড়ী এলাকায় তুলনামুলক ভাবে বেশী ক্ষতি হয়েছে।ধান ১৩ হাজার ২০৮ হেক্টর জমির মধ্যে ১৫০ হেক্টর,ভুট্টা ৪ হাজার ৩৫০হেক্টরের মধ্যে ২০০ হেক্টর,মরিচ ৮ শত হেক্টরের মধ্যে ৩০ হেক্টর,কলা ১৮ হেক্টরের মধ্যে ৫ হেক্টর ও আখ ১২হেক্টরের মধ্যে ৪ হেক্টর জমির আবাদ ক্ষতি হওয়ার ধারণা করছি।

 

Popular Post

ছাত্রদল নেতা দিপুর উন্নত চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন

শিলাবৃষ্টির তান্ডবে ডোমারে ফসল ও বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

Update Time : ০১:১০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

মোসাদ্দেকুর রহমান সাজু, স্টাফ রিপোর্টার,ডোমার নীলফামারীঃ নীলফামারীর ডোমারে কালবৈশাখী ঝড় ও আধা ঘন্টা শিলাবৃষ্টির তান্ডবে কৃষকের ক্ষেতের ফসল ও বাড়িঘরের অপূরণীয় ক্ষতিসাধিত হয়েছে। শিলাবৃষ্টির আঘাতে ঘরের টিন ফুটো হয়ে ম্যাচাকার অবস্থা হয়েছে।

শুক্রবার রাত ১১টা হতে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত শিলা বৃষ্টি ও ঝড়ে কৃষকের মাঠের ফসল মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়, এছাড়াও অনেক মানুষের বসতবাড়ীর ক্ষতিসাধিত হয়েছে।
ফসলের মাঠে বোরো ধান, ভুট্টা, আখ, কলা, বেগুন, মরিচসহ সব ধরনের ফসলের ক্ষতি সাধিত হয়েছে। যা রিকোভার করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।
শনিবার(২৮মার্চ) সকালে সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভুট্টা, মরিচ, বেগুনের গাছগুলো পাতাহীন দাড়িয়ে আছে। বোরো ধান গাছ ছিঁড়ে জমিনে পড়ে আছে। কলাগাছ গুলো দুমড়ে মুছড়ে মাথা নুয়ে কোন রকম দাড়িয়ে আছে।

এবিষয়ে কথা হয় বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বোড়াগাড়ী গ্রামের কৃষক ইব্রাহীম আলীর সাথে, তিনি বলেন আমি দশ বিঘা জমিতে কলা,পাঁচ বিঘা জমিতে ভুট্টা ও একবিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। শিলা বৃষ্টিতে আমার সব আবাদ শেষ হয়ে গেছে। একই এলাকার কৃষক আজিজার রহমান, ইয়াছিন আলী, দিলীপ রায়, অঘোর চন্দ্র রায়, মজিবর রহমান, রবিউল ইসলাম,জয়নাল আবেদীন জানান,ঋন কর্জ ও বাকীতে সার বীজ কিনে আবাদ করেছি। জীবনে প্রথম দেখা এই শিলাবৃষ্টি। নিমিশেই আমাদের সব আবাদ শেষ করে দিয়েছে।আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, যা কোন ভাবেই পুসিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ রফিকুল ইসলাম ও উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব হাসানসহ সকালে ক্ষতিগ্রস্থ ফসলের মাঠ পরিদর্শনে এসে তারা বলেন, উপজেলায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

 

তবে পশ্চিম বোড়াগাড়ী এলাকায় তুলনামুলক ভাবে বেশী ক্ষতি হয়েছে।ধান ১৩ হাজার ২০৮ হেক্টর জমির মধ্যে ১৫০ হেক্টর,ভুট্টা ৪ হাজার ৩৫০হেক্টরের মধ্যে ২০০ হেক্টর,মরিচ ৮ শত হেক্টরের মধ্যে ৩০ হেক্টর,কলা ১৮ হেক্টরের মধ্যে ৫ হেক্টর ও আখ ১২হেক্টরের মধ্যে ৪ হেক্টর জমির আবাদ ক্ষতি হওয়ার ধারণা করছি।