রংপুর ১২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
উপজেলার ২নং কেতকীবাড়ী ইউনিয়নে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ জলঢাকায় ফ‍্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারি ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন নীলফামারী চেম্বারের নির্বাচনে মাহবুব রহমান সভাপতি নির্বাচিত চিলাহাটিতে ৪৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ রেজাউল গ্রেফতার জলঢাকায় দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য ও ষাণ্মাসিক ফলাফল উপলক্ষ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মীরগঞ্জ ইউনিয়ন শ্রমিক দল আহ্বায়ক বহিষ্কৃত, কমিটি বিলুপ্ত মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি, ইসির প্রজ্ঞাপন জারি চিলাহাটিতে এক প্রতিবন্ধী নারীকে সঙ্গবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ চিলাহাটীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতালেব হোসেনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন শিক্ষার আলো জ্বালাতে অসচ্ছল শিক্ষার্থীকে জেলা প্রশাসকের সাইকেল প্রদান

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাবা-ছেলেসহ দুজনকে মারধরের অভিযোগ, থানায় এজাহার

নীলফামারী সদর উপজেলার চাপড়া সরমজানী ইউনিয়নের পূর্ব চাপড়া শুকানপুকুর এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাবা ও তার ছেলেকে মারধর এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তি নীলফামারী থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পূর্ব চাপড়া শুকানপুকুর গ্রামের বাসিন্দা মো. মজিদুল ইসলাম (৬২) অভিযোগ করেন, তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী তহমিনা বেগম এবং ছেলে রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে তার নামে থাকা জমি নিজেদের নামে লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ জুন সকাল প্রায় ১১টার দিকে অভিযুক্তরা শুকানপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে থাকা তার জমি আমিন দিয়ে মাপজোক করে দখলের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে তিনি সেখানে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তাকে বাঁশের লাঠি, ধারালো অস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তিনি মাথা ও হাতে গুরুতর আহত হন। এ সময় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
এসময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তার ছেলে ওবাইদুল ইসলামকেও মারধর করা হয়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার মাথা ফেটে যায় এবং ঘুষিতে সামনের দুটি দাঁত নড়ে যায় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে নীলফামারী থানা পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ আসার খবর পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আহতদের নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত মজিদুল ইসলাম চিকিৎসাধীন থাকার কারণে তার বড় ছেলে মো. জুবায়ের আহমেদের মাধ্যমে লিখিত এজাহার থানায় জমা দেন।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জমি নিয়ে পরিবারটির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। ঘটনার দিন উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানান।
অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাংবাদিকদের দেখে তারা দ্রুত সরে পড়েন। এ কারণে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ/এজাহার পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Popular Post

উপজেলার ২নং কেতকীবাড়ী ইউনিয়নে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাবা-ছেলেসহ দুজনকে মারধরের অভিযোগ, থানায় এজাহার

Update Time : ১০:০১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
নীলফামারী সদর উপজেলার চাপড়া সরমজানী ইউনিয়নের পূর্ব চাপড়া শুকানপুকুর এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাবা ও তার ছেলেকে মারধর এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তি নীলফামারী থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পূর্ব চাপড়া শুকানপুকুর গ্রামের বাসিন্দা মো. মজিদুল ইসলাম (৬২) অভিযোগ করেন, তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী তহমিনা বেগম এবং ছেলে রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে তার নামে থাকা জমি নিজেদের নামে লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ জুন সকাল প্রায় ১১টার দিকে অভিযুক্তরা শুকানপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে থাকা তার জমি আমিন দিয়ে মাপজোক করে দখলের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে তিনি সেখানে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তাকে বাঁশের লাঠি, ধারালো অস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তিনি মাথা ও হাতে গুরুতর আহত হন। এ সময় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
এসময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তার ছেলে ওবাইদুল ইসলামকেও মারধর করা হয়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার মাথা ফেটে যায় এবং ঘুষিতে সামনের দুটি দাঁত নড়ে যায় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে নীলফামারী থানা পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ আসার খবর পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আহতদের নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত মজিদুল ইসলাম চিকিৎসাধীন থাকার কারণে তার বড় ছেলে মো. জুবায়ের আহমেদের মাধ্যমে লিখিত এজাহার থানায় জমা দেন।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জমি নিয়ে পরিবারটির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। ঘটনার দিন উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানান।
অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাংবাদিকদের দেখে তারা দ্রুত সরে পড়েন। এ কারণে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ/এজাহার পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।