
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নীলফামারীতে আলোচনা সভা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলার শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য, দর্শন, মানবতাবাদ এবং বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে তাঁর অসামান্য অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজ নুজহাত তাসনীম আওন, জেলা কালচারাল অফিসার মিজ নুঝাত তাবাসসুম রিমু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক, যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা প্রধান হক বাচ্চু, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং জেলার সুধীজন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু বাংলা সাহিত্যের কবি নন, তিনি বাঙালির চিন্তা, চেতনা, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের অন্যতম প্রধান পথপ্রদর্শক। তাঁর সাহিত্যকর্মে মানবপ্রেম, সাম্য, সৌন্দর্য, প্রকৃতি ও অসাম্প্রদায়িকতার যে বার্তা রয়েছে, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তাঁর সৃষ্টিশীল কর্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে অনন্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বক্তারা আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও দর্শন নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও সৃজনশীল সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।
পরে শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে রবীন্দ্রসংগীত, কবিতা আবৃত্তিসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে আবেগঘন ও উৎসবমুখর।
নাসির উদ্দিন শাহ মিলন: বার্তা সম্পাদক 


















