রংপুর ০৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
সংবাদ প্রকাশের পর প্রতিবন্ধী পরিবারের পাশে শায়লা সাঈদ তম্বী   নীলফামারী মেডিকেল কলেজে ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণাঢ্য আয়োজন জলঢাকায় একগণমাধ্যম কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে মিষ্টি সুরের গানের পাখি দোয়েল ও টুনটুনি সৈয়দপুরে মাদকসহ নারী ব্যবসায়ী আটক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তুহিনের মতবিনিময়, উঠে এলো উন্নয়ন ও সম্ভাবনার কথা নীলফামারীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ গোড়গ্রামে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা নীলফামারীতে ব্যবসায়ীদের ওপর আ.লীগ নেতার হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন নীলফামারীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার হামলা ও মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সংবাদ প্রকাশের পর প্রতিবন্ধী পরিবারের পাশে শায়লা সাঈদ তম্বী  

 

মোসাদ্দেকুর রহমান সাজু, স্টাফ রিপোর্টার, ডোমার নীলফামারীঃ দৈনিক আমাদের প্রতিদিন, দৈনিক ফুলতলা প্রতিদিনসহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকা এবং অনলাইন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর স্বামী নেই, শারীরিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ২ সন্তানসহ অসুস্থ শাশুড়িকে নিয়ে জীবনসংগ্রামের সাথে যুদ্ধ করা সেই হাসিনা বেগমের পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তম্বী।

রোববার ৩০ আগস্ট দুপুরে উপজেলার ১নং ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের গোসাইগঞ্জ ঝাক্কুয়াপাড়া গ্রামে হাসিনা বাড়িতে গিয়ে তার দুই প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য দুটি হুইলচেয়ার, শুকনো খাবারসহ সমাজসেবা অধিদপ্তরের দফতরের দেয়া উপহারসামগ্রী তুলে দেন ইউএন ও শায়লা সাঈদ তম্বী।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের দেয়া উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল বড় কম্বল ২ পিস, ছোট কম্বল ২ পিস, গোসলের সাবান ২ পিস, কাপড়কাচা সাবান ২ পিস, টুথপেষ্ট ২ পিস, টুথব্রাশ ২পিস, নেটের মশারী ৪ পিস, টর্চ লাইট ব্যাটারীসহ ১পিস এবং ওয়াটার প্রুফ কেরি ব্যাগ ১টি।

দীর্ঘ চার বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন হাসিনা বেগম। মানুষের বাড়িতে, কৃষিজমিতে দিনমজুরি করে সন্তান ও অসুস্থ শাশুড়িকে নিয়ে সংসার চালান তিনি। ২০২৩ সালে বিধবা ভাতার জন্য আবেদন করলেও এখনো তা চালু হয়নি। তবে দুই প্রতিবন্ধী সন্তান প্রতিবন্ধী ভাতা চলমান রয়েছে। তবে তার সন্তানেরা অসুস্থ হলে তিনি ওষুধের টাকাও জোগাড় করতে পারেন না তবুও হাল ছেড়ে দেননি এভাবেই জীবন সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন।

হাসিনা বেগম বাড়ি পরিদর্শনে এসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, সংবাদ মাধ্যমে হাসিনা বেগমের সংগ্রামের কথা জানতে পেরে তার সন্তানদের জন্য হুইলচেয়ার, কিছু শুকনা খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে এসেছি। এবং ভবিষ্যতে তাদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এর পাশাপাশি হাসিনা বেগমের সংগ্রামী জীবনের কথা বিভিন্ন পত্র পত্রিকাসহ বিভিন্ন চ্যানেলে তুলে ধরার জন্য গনমাধ্যম কর্মীদের তিনি শুভেচ্ছা জানান।

 

Popular Post

সংবাদ প্রকাশের পর প্রতিবন্ধী পরিবারের পাশে শায়লা সাঈদ তম্বী  

সংবাদ প্রকাশের পর প্রতিবন্ধী পরিবারের পাশে শায়লা সাঈদ তম্বী  

Update Time : ০৭:০৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

 

মোসাদ্দেকুর রহমান সাজু, স্টাফ রিপোর্টার, ডোমার নীলফামারীঃ দৈনিক আমাদের প্রতিদিন, দৈনিক ফুলতলা প্রতিদিনসহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকা এবং অনলাইন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর স্বামী নেই, শারীরিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ২ সন্তানসহ অসুস্থ শাশুড়িকে নিয়ে জীবনসংগ্রামের সাথে যুদ্ধ করা সেই হাসিনা বেগমের পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তম্বী।

রোববার ৩০ আগস্ট দুপুরে উপজেলার ১নং ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের গোসাইগঞ্জ ঝাক্কুয়াপাড়া গ্রামে হাসিনা বাড়িতে গিয়ে তার দুই প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য দুটি হুইলচেয়ার, শুকনো খাবারসহ সমাজসেবা অধিদপ্তরের দফতরের দেয়া উপহারসামগ্রী তুলে দেন ইউএন ও শায়লা সাঈদ তম্বী।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের দেয়া উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল বড় কম্বল ২ পিস, ছোট কম্বল ২ পিস, গোসলের সাবান ২ পিস, কাপড়কাচা সাবান ২ পিস, টুথপেষ্ট ২ পিস, টুথব্রাশ ২পিস, নেটের মশারী ৪ পিস, টর্চ লাইট ব্যাটারীসহ ১পিস এবং ওয়াটার প্রুফ কেরি ব্যাগ ১টি।

দীর্ঘ চার বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন হাসিনা বেগম। মানুষের বাড়িতে, কৃষিজমিতে দিনমজুরি করে সন্তান ও অসুস্থ শাশুড়িকে নিয়ে সংসার চালান তিনি। ২০২৩ সালে বিধবা ভাতার জন্য আবেদন করলেও এখনো তা চালু হয়নি। তবে দুই প্রতিবন্ধী সন্তান প্রতিবন্ধী ভাতা চলমান রয়েছে। তবে তার সন্তানেরা অসুস্থ হলে তিনি ওষুধের টাকাও জোগাড় করতে পারেন না তবুও হাল ছেড়ে দেননি এভাবেই জীবন সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন।

হাসিনা বেগম বাড়ি পরিদর্শনে এসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, সংবাদ মাধ্যমে হাসিনা বেগমের সংগ্রামের কথা জানতে পেরে তার সন্তানদের জন্য হুইলচেয়ার, কিছু শুকনা খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে এসেছি। এবং ভবিষ্যতে তাদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এর পাশাপাশি হাসিনা বেগমের সংগ্রামী জীবনের কথা বিভিন্ন পত্র পত্রিকাসহ বিভিন্ন চ্যানেলে তুলে ধরার জন্য গনমাধ্যম কর্মীদের তিনি শুভেচ্ছা জানান।