
রাশেদুজ্জামান সুমন
সুদর্শন, শ্যামলা, লম্বা, খুব চালক প্রকৃতির কাঞ্চন রায় (২৫)। নীলফামারী জলঢাকা উপজেলার দুন্দিবাড়ি বানিয়াপাড়া এলাকার সুরেষ রায়ের ছেলে সে। পল্লী বিদ্যুতের লাইন ম্যান হওয়ার সুবাদে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। কখনো হিন্দু আবার কখনো মুসলিম সেজে মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে ভোগ করাই যার নেসা। তুলি, প্রমিলা, লিপি মেয়ের সর্বনাশা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এবার নিজ জেলার গন্ডি পেরিয়ে জয়পুরহাট জেলার তানজিলা আক্তার তার শিকার। মোবাইলে ডিস্টার্বের মধ্যে পরিচয়। মুসলিম সেজে প্রেমের সম্পর্ক তিন বছরের। এক সময় তানজিলা জানতে পারে যে তার প্রেমিক কাঞ্চন রায় সনাতন ধর্মের অনুসারীর। সে একজন মুসলিম হয়ে কিভাবে হিন্দু ছেলেকে বিয়ে করবে। তাই সে কাঞ্চন কে তার জীবন থেকে সরে যেতে বলে। কিন্তু নারী লোভী কাঞ্চন তাকে ভোগ করার জন্য গত ১৬ই জুলাই নোটারি পাবলিক আদালতে গিয়ে এফিডভিটের মাধ্যমে হিন্দু থেকে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেন। কাঞ্চন রায় থেকে হয়ে যান জীবন আহমেদ। এবং জুলাই মাসের ২৬ তারিখে নোটারী পাবলিক আদালত জয়পুরহাট গিয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের পর বাসা ভাড়া না নিয়ে আবাসিক হোটেল সহ বিভিন্ন জায়গায় কাঞ্চন তার স্বাধ মিঠিয়ে নিয়ে এখন এখন যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। অসহায় ভোক্তভোগি তানজিলা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, “কাঞ্চন আমার মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে আমাকে খুব ডিস্টার্ব করত। আমি তাকে ব্লক করে দেই। পরে অন্য মোবাইল থেকে আমাকে ফোন দিয়ে আমার সঙ্গে মুসলিম সেজে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরী করে। পরে বুঝতে পারি সে হিন্দু। তখন বিভিন্ন কৌশলে আমাকে ভোগ করার জন্য কোর্টে গিয়ে হিন্দু থেকে মুসলিম হয়। এবং আমাকে বিয়ে করে। সে বাসা ভাড়া না নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। এখন সে এক মাস ধরে আমার খোঁজ খবর নিচ্ছে না। তার ফোনও বন্ধ। কাঞ্চনের অনেক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক তুলি, প্রমিলা সহ আরও আছে। এমনকি তার আপন ভাবির সঙ্গেও পরকীয়া আছে। আমি এসবের প্রতিবাদ করলে আমাকে মারধর করত। আপনাদের ( সাংবাদিক )মাধ্যমে সবাইকে শর্তক করে দিতে চাই এরকম হিন্দু ছেলেদের বিশ্বাস করবেন না। কাঞ্চন আমার জীবনটা শেষ করে দিয়েছে। আল্লাহ্ ওর বিচার করবেন “। কাঞ্চন রায় জানান হিন্দু থেকে মুসলিম হয়েছি আবার বিয়ে করেছি সবি সত্যি। অন্য কারণে যোগাযোগ করছি না। আমার ভাবি আমাকে করেছিল এসএমএস অন্য কারণে সেটা বলা যাবে না। আর বাকী মেয়ে গুলো আমার বেস্ট ফেন্ড হয়
রাশেদুজ্জামান সুমন, নির্বাহী সম্পাদক, 


















