• শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
Headline :
জলঢাকায় সাপের কামড়ে একজনের মৃত্যু  নীলফামারীতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত, বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ নীলফামারীতে সড়কে চাঁদাবাজি ও অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ডোমারে ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন এর শুভ উদ্বোধন উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নে এসডিএফ কর্তৃক মার্কেট সেডের শুভ উদ্বোধন জলঢাকায় কলেজ ছাত্র পিয়েল হত্যার বিচারের দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বিজিবিতে সুবেদার মেজর পদে পদোন্নতি পেলেন মোবারক হোসেন (লিটন) জলঢাকায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী, সনদ ও ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের বার্তা, নীলফামারী জেলা পুলিশের বর্ণাঢ্য মাস্টার প্যারেড

জলঢাকায় পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন, থানায় অভিযোগ

মাইদুল হাসান, স্টাফ রির্পোটার / ১৭৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন

মাইদুল হাসান, স্টাফ রির্পোটার : নীলফামারীর জলঢাকায় গভীর রাতে একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রেয়াজুল খান (৫০)।

গত ৭ মার্চ শনিবার দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে উপজেলার ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের চরহলদীবাড়ি নছিমউদ্দিনপাড়া গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী রেয়াজুল খান গণমাধ্যমকে জানান, পার্শ্ববর্তী পাঠানপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে লাজু মিয়া (৩৫), মুন্সিপাড়া গ্রামের আহের উদ্দীনের ছেলে মনারুল ইসলাম (২৪) এবং নছিমউদ্দিনপাড়ার আফাজ উদ্দীনের ছেলে রবিউল ইসলাম (৪০) পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাতের আঁধারে তার ১৫ শতক জমির জলাশয় পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে।

এতে পুকুরের সব মাছ মারা যায় এবং পরে সেগুলো নিয়ে যাওয়া হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

রেয়াজুল খান বলেন, ঘটনার আগের দিন তার ছেলে আরিফুজ্জামান তাদের পরিকল্পনার কথা জানতে পারে। পরে তিনি অভিযুক্তদের ডেকে পুকুরে বিষ প্রয়োগ না করে জাল দিয়ে মাছ ধরার কথা বলেন। কিন্তু তার কথা না শুনে তারা রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করে নিয়ে যায় বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশা করছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মনারুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে ব্যস্ত বলে ফোন কেটে দেন।

পরে যোগাযোগ করলে তিনি দাবি করেন, পুকুরের ভাগ নিয়ে বিরোধের জেরে রেয়াজুল খান নিজেই পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ মেরে নিয়ে গেছেন এবং এখন তাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন।

অপর অভিযুক্ত রবিউল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই (নিরস্ত্র) শাহনেওয়াজ শামীম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানা গেছে, নদীভাঙনের পর সেখানে একটি বড় বিলের সৃষ্টি হয়েছে এবং সেখানে একাধিক ব্যক্তির জমি রয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে স্থানীয়রা সম্মিলিতভাবে ওই জলাশয়ে মাছ ধরে ভাগাভাগি করে নেন। মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে এবং একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন।
তিনি আরও জানান, প্রকৃত জমির মালিকানা সংক্রান্ত নথিপত্র চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category