• শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন |
  • English Version
Headline :
নীলফামারীতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন চীনা বিশেষজ্ঞ দল  জলঢাকায় গ্রামীণ শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ : ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন জলঢাকায় গ্রামীণ শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ : ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন লালমনিরহাটে বিজিবির অভিযানে ৩০ লাখ টাকার ভারতীয় প্যান্ট পিস জব্দ বিশ্ব রেড ক্রস রেড ক্রিসেন্ট দিবস উপলক্ষে নীলফামারীতে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা লালমনিরহাটে সাপের কামড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া জলঢাকায় ভুট্টা শুকানোকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রী জখম ॥ থানায় অভিযোগ লালমনিরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ক্লিনিকে জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশ জলঢাকার খেড়কাটি দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত জলঢাকায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত : সাংবাদিকদের সম্মিলিত র‍্যালী ও সমাবেশ

জলঢাকায় গ্রামীণ শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ : ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

আবেদ আলী / ২৬ Time View
Update : শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন

আবেদ আলী : নীলফামারীর জলঢাকায় গ্রামীণ ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মো. হামিদুল হকের বিরুদ্ধে গ্রাহক ও সহকর্মীর বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (০৯ মে) সকালে জলঢাকা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ওই পরিবারের মোছা. মর্জিনা খাতুন এই চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেন।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মর্জিনা খাতুন জানান, তার স্বামী মো. আমজাদ হোসেন গ্রামীণ ব্যাংকের নীলফামারী সদর থানাধীন রামগঞ্জ বাজার শাখায় সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে ওই শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক হামিদুল হকের সাথে তাদের পারিবারিক সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।
এই সুম্পর্কের সুযোগ নিয়ে হামিদুল হক বিভিন্ন সময়ে ব্যক্তিগত প্রয়োজন ও অফিসের অডিট মেলানোর অজুহাত দেখিয়ে মর্জিনা খাতুন ও তার স্বামীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ধার নেন। লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, হামিদুল হক বিভিন্ন কিস্তিতে জমি ক্রয়, বাড়ি নির্মাণ এবং অফিসের অডিটে ক্যাশ ঘাটতি পূরণের কথা বলে ভুক্তভোগী পরিবারের কাছ থেকে সর্বমোট ২৩ লক্ষ ৩১ হাজার ১৮ টাকা গ্রহণ করেন।অভিযোগ করা হয় যে, অডিটের সময় ক্যাশ ঘাটতি লুকাতে হামিদুল হক সহকর্মীদের কাছ থেকে টাকা ধার নিতেন এবং ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে হিসাব সমন্বয় করতেন। এমনকি ব্যাংকের ব্যালেন্স সার্টিফিকেটেও গরমিল করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, হামিদুল হক কেবল এই পরিবারটিকেই নয়, বরং স্থানীয় শিক্ষক রঞ্জিত কুমার রায় এবং হামিদুল ইসলাম ডাক্তার নামে আরও একাধিক ব্যক্তির টাকা আত্মসাৎ করেছেন। পাওনা টাকা ফেরত চাইলে হামিদুল হক ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমজাদ হোসেনকে মানসিকভাবে অসুস্থ সাজিয়ে শাস্তিমূলক বদলি ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ করা হয়। বর্তমানে আমজাদ হোসেনকে ওএসডি করে রাখা হয়েছে।

মর্জিনা খাতুন কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, সুচতুর এই ব্যবস্থাপক আমাদের সারা জীবনের সঞ্চয় হাতিয়ে নিয়ে এখন আমাদেরই উল্টো নানাভাবে হয়রানি করছেন। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ জানালেও তিনি বিভিন্ন প্রভাব খাটিয়ে তদন্ত বাধাগ্রস্ত করছেন।
​সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারটি প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত টাকা উদ্ধার এবং দুর্নীতিপরায়ণ ব্যবস্থাপক হামিদুল হকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এসময় ভুক্তভোগী পরিবার থেকে শরাফত আলী সরু, জরিনা বেগম, ছমেদা বেগম, সাহিদা বেগম ও শাহরিয়ার নাফিজ।
​এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাখা ব্যবস্থাপক হামিদুল হকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, একটি স্বনামধন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া জরুরি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category