
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের নীলফামারী এরিয়া প্রোগ্রামের সমাপনী ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান হয়েছে। আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নীলফামারী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নায়িরুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সিনিয়র ডিরেক্টর-অপারেশনস চন্দন জেড. গমেজ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুল ও উত্তরীয় দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে পবিত্র কোরআন, গীতা ও বাইবেল পাঠ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং সফলতার গল্প নিয়ে প্রকাশিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এ ছাড়া ওয়ার্ল্ড ভিশনের বিভিন্ন কার্যক্রমের ওপর একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে নীলফামারী এরিয়া প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিশু, যুব, পরিবার ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও অর্জন তুলে ধরা হয়। উপকারভোগীদের কয়েকজন তাঁদের অভিজ্ঞতা ও পরিবর্তনের গল্প তুলে ধরেন।
এ সময় বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ডেপুটি ডিরেক্টর-ফিল্ড অপারেশনস রাজু উইলিয়াম রোজারিও, নীলফামারী জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এ বি এম মঞ্জুরুল আলম সিয়াম, পলাশবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম তালুকদার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক আহমেদ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ডিরেক্টর-অপারেশনস অ্যান্ড টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম লিমা হান্না দারিং। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের নীলফামারীর সিনিয়র ম্যানেজার অনুকুল চন্দ্র বর্মন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. নায়িরুজ্জামান বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও টেকসই পরিবর্তন নিশ্চিত করা। শিশু ও তরুণদের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
সভাপতির বক্তব্যে চন্দন জেড. গমেজ বলেন, নীলফামারী এরিয়া প্রোগ্রামের সাফল্য স্থানীয় জনগোষ্ঠী, শিশু, যুব, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও অংশীদারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।
অনুষ্ঠানে প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। পরে নীলফামারী এরিয়া প্রোগ্রামের আনুষ্ঠানিক সমাপনী ঘোষণা করা হয়।
নাসির উদ্দিন শাহ মিলন: বার্তা সম্পাদক 
















