রংপুর ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
নীলফামারীতে সচেতনতা কর্মসূচিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দপুরে পুকুর থেকে তাজা ‎‘গ্রেনেড’ উদ্ধার ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল নাসরিনের মরদেহ, হত্যা নাকি আত্মহত্যা? জলঢাকায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীতে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা ডিমলা সীমান্তে ভারতীয় ৩ গরু জব্দ, চোরাকারবারিরা পালিয়েছে খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তায় অ্যাগ্রিভোল্টাইকসের ওপর সেমিনার সৈয়দপুরে রেজোয়ানের কান্নাভেজা চোখে স্বস্তির হাসি ফুটালেন ইউএনও নীলফামারীর মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের বৈষম্য নিরসনে সংবাদ সম্মেলন  নীলফামারীতে সাইবার সেলের তৎপরতায় উদ্ধার ৩০ হারানো মোবাইল জলঢাকায় দিনদুপুরে বাসাবাড়িতে চুরি, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট

নীলফামারীতে সচেতনতা কর্মসূচিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

পরিবেশ রক্ষায় শুধু আইন প্রয়োগ ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়, এর পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা বাড়িয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোগের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান।
শনিবার নীলফামারীতে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে এবং পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং-এর সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও মান উন্নয়ন এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, পরিবেশ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব এখন আর কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বায়ু, পানি ও মাটিদূষণের পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়ণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনিক তৎপরতার পাশাপাশি জনগণকে পরিবেশ সংরক্ষণে সম্পৃক্ত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। তিনি পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ এবং আইন বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
কর্মসূচিতে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইন বাস্তবায়ন, পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম সম্প্রসারণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজ নুজহাত তাসনীম আওন, জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ্-আল-মামুন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আমন্ত্রিত অতিথি এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়; ব্যক্তি, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ সমাজের প্রতিটি স্তরকে এ কাজে যুক্ত হতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই একটি দূষণমুক্ত ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
বিকল্প শক্তিশালী শিরোনাম:
দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক পদক্ষেপের পাশাপাশি চাই জনসম্পৃক্ততা
পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতার বিকল্প নেই
দূষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বা
Popular Post

নীলফামারীতে সচেতনতা কর্মসূচিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

নীলফামারীতে সচেতনতা কর্মসূচিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

Update Time : ০৭:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পরিবেশ রক্ষায় শুধু আইন প্রয়োগ ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়, এর পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা বাড়িয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোগের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান।
শনিবার নীলফামারীতে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে এবং পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং-এর সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও মান উন্নয়ন এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, পরিবেশ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব এখন আর কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বায়ু, পানি ও মাটিদূষণের পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়ণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনিক তৎপরতার পাশাপাশি জনগণকে পরিবেশ সংরক্ষণে সম্পৃক্ত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। তিনি পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ এবং আইন বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
কর্মসূচিতে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইন বাস্তবায়ন, পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম সম্প্রসারণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজ নুজহাত তাসনীম আওন, জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ্-আল-মামুন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আমন্ত্রিত অতিথি এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়; ব্যক্তি, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ সমাজের প্রতিটি স্তরকে এ কাজে যুক্ত হতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই একটি দূষণমুক্ত ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
বিকল্প শক্তিশালী শিরোনাম:
দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক পদক্ষেপের পাশাপাশি চাই জনসম্পৃক্ততা
পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতার বিকল্প নেই
দূষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বা