নীলফামারী জলঢাকায় গোলনা ইউনিয়নে মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজমুল আলম। গত ২৮শে জুন রবিবার ওসি স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্রে তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। সূত্রমতে জলঢাকা উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নে সমাজিক কর্মকান্ডে সক্রিয় থাকা ব্যক্তি, মানবিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গঠিত ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড ভিত্তিক মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কমিটির আত্মপ্রকাশ করে এলাকায় মাদক সেবনকারী, মাদক বিক্রয়কারী ও অপরাধ প্রবণতা সৃষ্টিকারীদের সনাক্ত করতে থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজমুল আলম ” মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কমিটি গঠন করছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় ৪নং গোলনা ইউনিয়নে আজিজুল ইসলাম সুজনকে সভাপতি ও জামিয়ার রহমানকে সাধারণ সম্পাদক এবং আনিছুর রহমান মমিনকে সাংগঠনিক সম্পাদক পক্ষান্তরে ৬জন উপদেষ্টা ও সমাজকর্মী মিনার আলীকে আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত করে ২৬ সদস্য কার্যনির্বাহী রেখে মোট ৬০ সদস্য বিশিষ্ট মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজমুল আলম।
কমিটি অনুমোদন শেষে সভাপতি আজিজুল ইসলাম সুজন বলেন, একঝাঁক তরুন সমাজকর্মীর সমন্বয়ে গঠিত গোলনা ইউনিয়নে মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কমিটির আত্মপ্রকাশ করায় থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজমুল আলমকে কৃতজ্ঞতার সহিত ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলছি, যে কাংখিত সুফল বয়ে আনতে এ কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন ওসি মহোদয়।
আমরা তার সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখবো। আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মিনার আলী বলেন, গোলনা ইউনিয়নে কোন মাদক কারবারিকে তাদের কর্মকান্ড পরিচালনা করতে দেয়া হবে। আমরা এ কমিটি ওয়ার্ড ভিত্তিক পাড়ায় পাড়ায় মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কল্পে কাজ করবো। যাতে তরুন প্রজন্ম মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে মুক্ত অপরাধ মুলক কর্মকান্ড থেকে বিরত থেকে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করে।
সেই সঙ্গে মাদক কারবারি, সেবনকারীদের সনাক্ত করে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় গোলনা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও মাদক নির্মূল ইউনিয়নে রুপান্তরিত করার অঙ্গিকার করছি।