রংপুর ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
জলঢাকায় জমি নিয়ে বিরোধ : প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ জলঢাকায় এতিমখানা মাদ্রাসার জমির উপর দিয়ে রাস্তা তৈরীর অভিযোগ জলঢাকায় এনসিপির পথসভায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জলঢাকায় এনসিপির পথসভা, বক্তব্য দিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী জলঢাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টি, এনসিপি’র পথসভায় স্থানীয় নির্বাচনে লিয়নকে প্রার্থী ঘোষণা ডোমার উপজেলার ১নং ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নে হিমোগ্লোবিন ও ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইনে জেলা প্রশাসক জলঢাকায় পথরোধ করে উত্ত্যক্তের পর কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গৃহবধূ অপহরণের অভিযোগ ‘ভূমিদস্যু’ আখ্যা দিয়ে একপাক্ষিক সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা দাবি ডোমারে ট্রাকচাপায় ৪ জন নিহতের ঘটনায় ঘাতক চালক বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার জলঢাকায় কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হচ্ছে কাঠের ব্রীজ 

প্রকৃতি বাঁচাতে তরুণদের মহতী উদ্যোগ: জলঢাকায় রোপণ করা হবে ৫০ হাজার গাছ

রুক্ষতা পেরিয়ে জলঢাকা উপজেলাকে এক টুকরো সবুজের সমারোহে রূপ দিতে মাঠে নেমেছে স্থানীয় তরুণরা। জলবায়ু পরিবর্তনের লাগাম টানতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণের এক বিশাল কর্মযজ্ঞের সূচনা হয়েছে।

​বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (৫ জুন) সকালে জলঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই সবুজ বিপ্লবের উদ্বোধন করে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ‘তারুণ্যের জলঢাকা’। শুধু গাছ লাগানোর আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং প্রকৃতিকে ভালোবেসে তাকে আগলে রাখার এক অনন্য বার্তা নিয়ে এই কর্মসূচিতে শামিল হন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, পরিবেশকর্মী এবং নানা বয়সী সচেতন নাগরিক।

​উদ্বোধনী পর্বে বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, অনাবৃষ্টি, তীব্র দাবদাহ আর অসময়ের প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রমাণ করে দিচ্ছে যে আমাদের প্রকৃতি কতটা বিপন্ন। এই সংকট থেকে উত্তরণের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার হলো বৃক্ষরোপণ। তবে বক্তারা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জোর দিয়ে বলেন, প্রতি বছর বহু গাছ লাগানো হলেও যত্নের অভাবে অনেক চারাই অকালে ঝরে যায়। তাই এবার শুধু চারা রোপণই নয়, সেগুলোকে টিকিয়ে রাখার সামাজিক দায়িত্বও সবাইকে ভাগ করে নিতে হবে।

​‘তারুণ্যের জলঢাকা’র প্রতিনিধিরা জানান, ‘একটি গাছ একটি প্রাণ’ এই চেতনাকে বুকে ধারণ করে আগামী পাঁচ বছর ধরে উপজেলার প্রতিটি কোণায় কোণায় সবুজের ছোঁয়া পৌঁছে দেওয়া হবে। বিশেষ করে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ প্রাঙ্গণ, গ্রামীণ সড়কের দুপাশ, ফাঁকা জায়গা এবং লোকালয়ে বেছে বেছে ফলদ, বনজ ও ওষুধি প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে। পরিবেশবান্ধব এই মহাপরিকল্পনাটি সফল করতে তরুণদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কামনা করেছেন আয়োজকেরা।

​অনুষ্ঠানের শেষভাগে উপস্থিত সবার মাঝে বিভিন্ন ওষুধি ও ফলদ গাছের চারা বিতরণ করা হয়, যা পরিবেশ রক্ষার এই আন্দোলনকে প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার প্রতীকী বার্তা বহন করে।

Popular Post

জলঢাকায় জমি নিয়ে বিরোধ : প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

প্রকৃতি বাঁচাতে তরুণদের মহতী উদ্যোগ: জলঢাকায় রোপণ করা হবে ৫০ হাজার গাছ

Update Time : ১১:৫৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

রুক্ষতা পেরিয়ে জলঢাকা উপজেলাকে এক টুকরো সবুজের সমারোহে রূপ দিতে মাঠে নেমেছে স্থানীয় তরুণরা। জলবায়ু পরিবর্তনের লাগাম টানতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণের এক বিশাল কর্মযজ্ঞের সূচনা হয়েছে।

​বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (৫ জুন) সকালে জলঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই সবুজ বিপ্লবের উদ্বোধন করে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ‘তারুণ্যের জলঢাকা’। শুধু গাছ লাগানোর আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং প্রকৃতিকে ভালোবেসে তাকে আগলে রাখার এক অনন্য বার্তা নিয়ে এই কর্মসূচিতে শামিল হন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, পরিবেশকর্মী এবং নানা বয়সী সচেতন নাগরিক।

​উদ্বোধনী পর্বে বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, অনাবৃষ্টি, তীব্র দাবদাহ আর অসময়ের প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রমাণ করে দিচ্ছে যে আমাদের প্রকৃতি কতটা বিপন্ন। এই সংকট থেকে উত্তরণের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার হলো বৃক্ষরোপণ। তবে বক্তারা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জোর দিয়ে বলেন, প্রতি বছর বহু গাছ লাগানো হলেও যত্নের অভাবে অনেক চারাই অকালে ঝরে যায়। তাই এবার শুধু চারা রোপণই নয়, সেগুলোকে টিকিয়ে রাখার সামাজিক দায়িত্বও সবাইকে ভাগ করে নিতে হবে।

​‘তারুণ্যের জলঢাকা’র প্রতিনিধিরা জানান, ‘একটি গাছ একটি প্রাণ’ এই চেতনাকে বুকে ধারণ করে আগামী পাঁচ বছর ধরে উপজেলার প্রতিটি কোণায় কোণায় সবুজের ছোঁয়া পৌঁছে দেওয়া হবে। বিশেষ করে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ প্রাঙ্গণ, গ্রামীণ সড়কের দুপাশ, ফাঁকা জায়গা এবং লোকালয়ে বেছে বেছে ফলদ, বনজ ও ওষুধি প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে। পরিবেশবান্ধব এই মহাপরিকল্পনাটি সফল করতে তরুণদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কামনা করেছেন আয়োজকেরা।

​অনুষ্ঠানের শেষভাগে উপস্থিত সবার মাঝে বিভিন্ন ওষুধি ও ফলদ গাছের চারা বিতরণ করা হয়, যা পরিবেশ রক্ষার এই আন্দোলনকে প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার প্রতীকী বার্তা বহন করে।