• সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
Headline :
জলঢাকায় ৩২টি মটরসাইকেল জব্দ ॥ পিতা-পুত্র আটক জলঢাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে একটি পরিবারের ওপর হামলা, আহত ৫ জলঢাকায় পুলিশের বড় সাফল্য : ৩২টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্যারেজ মালিক গ্রেপ্তার নীলফামারীর জলঢাকায় চোরাই সন্দেহে ৩২ মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক গ্যারেজ মালিক জলঢাকায় মোটরসাইকেল চোর গডফাদারের তথ্যের ভিত্তিতে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার  জলঢাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধসহ আহত ৩ দীর্ঘদিন পর নীলফামারীতে প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লীগের উদ্বোধন জলঢাকায় আস্থা কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন জলঢাকায় জামায়াতের ত্রৈমাসিক সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত নীলফামারীতে ১২৫ অসহায় মানুষের মাঝে জেলা পরিষদের আর্থিক সহায়তা বিতরণ

নীলফামারীর জলঢাকায় চোরাই সন্দেহে ৩২ মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক গ্যারেজ মালিক

আল ইকরাম বিপ্লব, স্টাফ রিপোর্টার / ৩৯ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ন

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্যারেজ মালিক আব্বাস আলীকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেল চুরি মামলায় পুলিশ হেফাজতে থাকা কুখ্যাত চোর শাহিনকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার (১৭ মে) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার টেঙ্গনমারী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে পশ্চিম খুটামারা মমিনটলি এলাকার মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে মো. আব্বাস আলীর মোটরসাইকেল গ্যারেজের পেছনে থাকা একটি গোডাউন থেকে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়, যেগুলোকে চোরাই সন্দেহে জব্দ করেছে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আব্বাস আলী পুলিশকে জানান, তিনি শাহিন ও ফরিদুলসহ কয়েকজন চোরচক্রের সদস্যের কাছ থেকে মোটরসাইকেলগুলো ক্রয় করেছেন। পাশাপাশি তিনি পুরাতন মোটরসাইকেল কেনাবেচার ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত বলে স্বীকার করেন। তবে উদ্ধার হওয়া অধিকাংশ মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন তিনি।

এ সময় গ্যারেজ ও গোডাউন থেকে মোটরসাইকেলের মালিকানা সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার একটি চক্র সক্রিয় থাকলেও বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসেনি।

পুলিশের এই অভিযানের মাধ্যমে চোরচক্রের আরও সদস্যদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তারা। জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর প্রকৃত মালিক শনাক্তের কাজ চলছে এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category