রংপুর ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
জলঢাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনে প্রশাসনের অভিযান, জরিমানা ১ লাখ টাকা উপজেলার ২নং কেতকীবাড়ী ইউনিয়নে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ জলঢাকায় ফ‍্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারি ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন নীলফামারী চেম্বারের নির্বাচনে মাহবুব রহমান সভাপতি নির্বাচিত চিলাহাটিতে ৪৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ রেজাউল গ্রেফতার জলঢাকায় দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য ও ষাণ্মাসিক ফলাফল উপলক্ষ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মীরগঞ্জ ইউনিয়ন শ্রমিক দল আহ্বায়ক বহিষ্কৃত, কমিটি বিলুপ্ত মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি, ইসির প্রজ্ঞাপন জারি চিলাহাটিতে এক প্রতিবন্ধী নারীকে সঙ্গবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ চিলাহাটীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতালেব হোসেনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন

নীলফামারীর জলঢাকায় চোরাই সন্দেহে ৩২ মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক গ্যারেজ মালিক

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্যারেজ মালিক আব্বাস আলীকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেল চুরি মামলায় পুলিশ হেফাজতে থাকা কুখ্যাত চোর শাহিনকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার (১৭ মে) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার টেঙ্গনমারী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে পশ্চিম খুটামারা মমিনটলি এলাকার মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে মো. আব্বাস আলীর মোটরসাইকেল গ্যারেজের পেছনে থাকা একটি গোডাউন থেকে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়, যেগুলোকে চোরাই সন্দেহে জব্দ করেছে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আব্বাস আলী পুলিশকে জানান, তিনি শাহিন ও ফরিদুলসহ কয়েকজন চোরচক্রের সদস্যের কাছ থেকে মোটরসাইকেলগুলো ক্রয় করেছেন। পাশাপাশি তিনি পুরাতন মোটরসাইকেল কেনাবেচার ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত বলে স্বীকার করেন। তবে উদ্ধার হওয়া অধিকাংশ মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন তিনি।

এ সময় গ্যারেজ ও গোডাউন থেকে মোটরসাইকেলের মালিকানা সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার একটি চক্র সক্রিয় থাকলেও বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসেনি।

পুলিশের এই অভিযানের মাধ্যমে চোরচক্রের আরও সদস্যদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তারা। জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর প্রকৃত মালিক শনাক্তের কাজ চলছে এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Popular Post

জলঢাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনে প্রশাসনের অভিযান, জরিমানা ১ লাখ টাকা

নীলফামারীর জলঢাকায় চোরাই সন্দেহে ৩২ মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক গ্যারেজ মালিক

Update Time : ০১:১২:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্যারেজ মালিক আব্বাস আলীকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেল চুরি মামলায় পুলিশ হেফাজতে থাকা কুখ্যাত চোর শাহিনকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার (১৭ মে) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার টেঙ্গনমারী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে পশ্চিম খুটামারা মমিনটলি এলাকার মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে মো. আব্বাস আলীর মোটরসাইকেল গ্যারেজের পেছনে থাকা একটি গোডাউন থেকে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়, যেগুলোকে চোরাই সন্দেহে জব্দ করেছে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আব্বাস আলী পুলিশকে জানান, তিনি শাহিন ও ফরিদুলসহ কয়েকজন চোরচক্রের সদস্যের কাছ থেকে মোটরসাইকেলগুলো ক্রয় করেছেন। পাশাপাশি তিনি পুরাতন মোটরসাইকেল কেনাবেচার ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত বলে স্বীকার করেন। তবে উদ্ধার হওয়া অধিকাংশ মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন তিনি।

এ সময় গ্যারেজ ও গোডাউন থেকে মোটরসাইকেলের মালিকানা সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার একটি চক্র সক্রিয় থাকলেও বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসেনি।

পুলিশের এই অভিযানের মাধ্যমে চোরচক্রের আরও সদস্যদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তারা। জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর প্রকৃত মালিক শনাক্তের কাজ চলছে এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।