রংপুর ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
ছাত্রদল নেতা দিপুর উন্নত চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন আলিয়া মাদ্রাসার মাঠ সংকোচনের প্রতিবাদ,কমিটি পুনর্গঠনের দাবি  রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে ডোমারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান মেধাবী শিক্ষার্থী রাকিবের মরদেহ মিললো নীলফামারীর ডিমলায় জলঢাকায় ৩৮ বছর শিক্ষকতার পর অবসর, রেজাউল করিমকে বিদায় সংবর্ধনা জলঢাকায় শিক্ষক রেজাউল করিম খাঁনের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে নীলফামারীর সাংবাদিকদের মতবিনিময় ডোমারে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক জলঢাকায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা জলঢাকায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নীলফামারীর জলঢাকায় চোরাই সন্দেহে ৩২ মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক গ্যারেজ মালিক

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্যারেজ মালিক আব্বাস আলীকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেল চুরি মামলায় পুলিশ হেফাজতে থাকা কুখ্যাত চোর শাহিনকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার (১৭ মে) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার টেঙ্গনমারী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে পশ্চিম খুটামারা মমিনটলি এলাকার মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে মো. আব্বাস আলীর মোটরসাইকেল গ্যারেজের পেছনে থাকা একটি গোডাউন থেকে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়, যেগুলোকে চোরাই সন্দেহে জব্দ করেছে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আব্বাস আলী পুলিশকে জানান, তিনি শাহিন ও ফরিদুলসহ কয়েকজন চোরচক্রের সদস্যের কাছ থেকে মোটরসাইকেলগুলো ক্রয় করেছেন। পাশাপাশি তিনি পুরাতন মোটরসাইকেল কেনাবেচার ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত বলে স্বীকার করেন। তবে উদ্ধার হওয়া অধিকাংশ মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন তিনি।

এ সময় গ্যারেজ ও গোডাউন থেকে মোটরসাইকেলের মালিকানা সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার একটি চক্র সক্রিয় থাকলেও বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসেনি।

পুলিশের এই অভিযানের মাধ্যমে চোরচক্রের আরও সদস্যদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তারা। জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর প্রকৃত মালিক শনাক্তের কাজ চলছে এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Popular Post

ছাত্রদল নেতা দিপুর উন্নত চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন

নীলফামারীর জলঢাকায় চোরাই সন্দেহে ৩২ মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক গ্যারেজ মালিক

Update Time : ০১:১২:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় গ্যারেজ মালিক আব্বাস আলীকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেল চুরি মামলায় পুলিশ হেফাজতে থাকা কুখ্যাত চোর শাহিনকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার (১৭ মে) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার টেঙ্গনমারী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে পশ্চিম খুটামারা মমিনটলি এলাকার মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে মো. আব্বাস আলীর মোটরসাইকেল গ্যারেজের পেছনে থাকা একটি গোডাউন থেকে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়, যেগুলোকে চোরাই সন্দেহে জব্দ করেছে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আব্বাস আলী পুলিশকে জানান, তিনি শাহিন ও ফরিদুলসহ কয়েকজন চোরচক্রের সদস্যের কাছ থেকে মোটরসাইকেলগুলো ক্রয় করেছেন। পাশাপাশি তিনি পুরাতন মোটরসাইকেল কেনাবেচার ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত বলে স্বীকার করেন। তবে উদ্ধার হওয়া অধিকাংশ মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন তিনি।

এ সময় গ্যারেজ ও গোডাউন থেকে মোটরসাইকেলের মালিকানা সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার একটি চক্র সক্রিয় থাকলেও বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসেনি।

পুলিশের এই অভিযানের মাধ্যমে চোরচক্রের আরও সদস্যদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তারা। জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর প্রকৃত মালিক শনাক্তের কাজ চলছে এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।