
নীলফামারীতে পুলিশ সুপার মোঃ ফরহাদ হোসেন খাঁনের নেতৃত্বে ভিসা প্রতারণা, অনলাইন ক্যাসিনো, থাই জুয়াসহ বিভিন্ন সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করছে জেলা পুলিশ। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সাইবার নিরাপত্তা আইনে ২২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ৬১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া আরও প্রায় ২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এ বি এম ফয়জুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, নীলফামারী সদর, সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ধারাবাহিক অভিযানে ২২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাগুলোতে ৮১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অনলাইনভিত্তিক ভিসা প্রতারণা, অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনা এবং থাই জুয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এসব মামলা করা হয়েছে।
জেলা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অপরাধচক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ বি এম ফয়জুল ইসলাম বলেন, “পুলিশ সুপার মোঃ ফরহাদ হোসেন খাঁনের সার্বিক দিকনির্দেশনায় নীলফামারী জেলা পুলিশ মাদক, জুয়া, অনলাইন ক্যাসিনো, ভিসা প্রতারণাসহ সকল ধরনের সাইবার অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। এসব অপরাধ পুরোপুরি নির্মূল করা কঠিন হলেও কঠোর অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষকে অনলাইন প্রতারণা, অবৈধ ক্যাসিনো ও থাই জুয়ার মতো অপরাধ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। জেলা পুলিশ অপরাধ দমনে যেমন কঠোর অবস্থানে রয়েছে, তেমনি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও অব্যাহত রাখবে।
পুলিশ সুপার মোঃ ফরহাদ হোসেন খাঁনের নেতৃত্বে নীলফামারী জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।