রংপুর ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
নীলফামারী সদরের প্রতিটি ইউনিয়নে অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ কমিটি জলঢাকায় আওয়ামীলীগ কর্মীর মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন  সৈয়দপুর পৌরসভার ৯২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদারে নীলফামারীতে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা ডোমারে ইয়াবাসহ যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ ২১ বছর পর আবারও একসঙ্গে স্কুলজীবনের বন্ধুরা নীলফামারীতে ৬ নভেম্বর এসএসসি ২০০৫ ব্যাচের মিলনমেলা নাশকতার মামলায় সৈয়দপুর সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা বাদল গ্রেফতার জলঢাকায় ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা, থানায় দুই পরিবারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ নীলফামারীতে দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সেমিনার জলঢাকায় এডহক কমিটির সভাপতি মামুনকে সংবর্ধনা দিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ

লালমনিরহাটে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

লালমনিরহাট সদর উপজেলায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে এক সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। হামলায় আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন জাতীয় দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন ও আলিফ নিউজ-এর লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি মো. রুহুল আমিন রাসেল (৩০)।

Advertisement
Advertisement

ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ, শুক্রবার (১০ জুলাই ২০২৬) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার সাপটিবাড়ি বাজার এলাকায় পূর্বে প্রকাশিত একটি সংবাদের জেরে হারাটি ইউনিয়ন বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী তাকে ডেকে নেন। পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি গোপনে ক্যামেরা চালু রেখে সেখানে যান। একপর্যায়ে কথোপকথনের সময় অভিযুক্তরা তাকে অতর্কিতভাবে মারধর শুরু করেন।

Advertisement

অভিযোগে বলা হয়, হামলায় অংশ নেন হারাটি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ফাতাংটারী গ্রামের বাসিন্দা মো. রফিক মিয়া (৪০), পিতা: মৃত আনছার আলী; কল্লোল আহমেদ (৩৮), পিতা: মৃত জয়নাল আবেদীন; এবং মো. আবু তালেব (৩৮), পিতা: মৃত আব্দুল মুন্সিসহ আরও কয়েকজন। তারা সাংবাদিককে মারধর করতে করতে একটি দোকানের ভেতরে নিয়ে আটকে রাখেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করেন।

পরে সাংবাদিক রুহুল আমিন রাসেল মোবাইল ফোনে লালমনিরহাট সদর থানায় যোগাযোগ করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হামলায় তার বাম চোখের পাশ গুরুতরভাবে জখম হয়েছে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে সাংবাদিক রুহুল আমিন রাসেল বলেন, “বেশ কিছুদিন আগে মো. রফিকের দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়ের নারী-সংক্রান্ত একটি ঘটনার ওপর আমি সংবাদ প্রকাশ করি। ওই সংবাদ প্রকাশে রফিক বাধা দেন। এমনকি আমার ক্যামেরায় আঘাত করে সেটি বন্ধ করতে বলেন। এরপরও আমি সংবাদটি প্রকাশ করি। পরে ওই ব্যক্তিকে পুলিশে সোপর্দ করা হয় এবং আদিতমারী থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। আমার ধারণা, সেই সংবাদ প্রকাশের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে আজ আমার ওপর এই হামলা চালানো হয়েছে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করছি। এছাড়াও লালমনিরহাট জেলার অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর ভাইয়ের কাছেও আমি ন্যায়বিচারের আবেদন জানাচ্ছি।”

এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সাংবাদিককে উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঘটনার পর স্থানীয় সাংবাদিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

Advertisement

নীলফামারী সদরের প্রতিটি ইউনিয়নে অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ কমিটি

লালমনিরহাটে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

Update Time : ০৩:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

লালমনিরহাট সদর উপজেলায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে এক সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। হামলায় আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন জাতীয় দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন ও আলিফ নিউজ-এর লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি মো. রুহুল আমিন রাসেল (৩০)।

Advertisement
Advertisement

ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ, শুক্রবার (১০ জুলাই ২০২৬) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার সাপটিবাড়ি বাজার এলাকায় পূর্বে প্রকাশিত একটি সংবাদের জেরে হারাটি ইউনিয়ন বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী তাকে ডেকে নেন। পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি গোপনে ক্যামেরা চালু রেখে সেখানে যান। একপর্যায়ে কথোপকথনের সময় অভিযুক্তরা তাকে অতর্কিতভাবে মারধর শুরু করেন।

Advertisement

অভিযোগে বলা হয়, হামলায় অংশ নেন হারাটি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ফাতাংটারী গ্রামের বাসিন্দা মো. রফিক মিয়া (৪০), পিতা: মৃত আনছার আলী; কল্লোল আহমেদ (৩৮), পিতা: মৃত জয়নাল আবেদীন; এবং মো. আবু তালেব (৩৮), পিতা: মৃত আব্দুল মুন্সিসহ আরও কয়েকজন। তারা সাংবাদিককে মারধর করতে করতে একটি দোকানের ভেতরে নিয়ে আটকে রাখেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করেন।

পরে সাংবাদিক রুহুল আমিন রাসেল মোবাইল ফোনে লালমনিরহাট সদর থানায় যোগাযোগ করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হামলায় তার বাম চোখের পাশ গুরুতরভাবে জখম হয়েছে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে সাংবাদিক রুহুল আমিন রাসেল বলেন, “বেশ কিছুদিন আগে মো. রফিকের দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়ের নারী-সংক্রান্ত একটি ঘটনার ওপর আমি সংবাদ প্রকাশ করি। ওই সংবাদ প্রকাশে রফিক বাধা দেন। এমনকি আমার ক্যামেরায় আঘাত করে সেটি বন্ধ করতে বলেন। এরপরও আমি সংবাদটি প্রকাশ করি। পরে ওই ব্যক্তিকে পুলিশে সোপর্দ করা হয় এবং আদিতমারী থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। আমার ধারণা, সেই সংবাদ প্রকাশের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে আজ আমার ওপর এই হামলা চালানো হয়েছে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করছি। এছাড়াও লালমনিরহাট জেলার অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর ভাইয়ের কাছেও আমি ন্যায়বিচারের আবেদন জানাচ্ছি।”

এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সাংবাদিককে উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঘটনার পর স্থানীয় সাংবাদিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

Advertisement