• শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০২:০১ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
Headline :
জলঢাকার ডালিয়া রোডে অটোচালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা লালমনিরহাট সীমান্তে বেড়া নির্মাণের চেষ্টায় বিএসএফকে বাধা দিল বিজিবি নীলফামারীতে জেলা পরিষদের উদ্যোগে মসজিদ-মাদ্রাসায় সিলিং ফ্যান বিতরণ দুই কর্মকর্তার যোগসাজশে সরকারের দেড় কোটি টাকার ক্ষতির দাবি নীলফামারীতে তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলার সমাপনী রবীন্দ্র-নজরুল জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নীলফামারীতে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ভূমি সেবা অটোমেশনে হয়রানি কমবে, বাড়বে স্বচ্ছতা : জেলা প্রশাসক ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নিমজ্জিত অচল প্রাথমিক শিক্ষা অবস্থা উত্তরণে সকলকে দ্বায়িত্বশীল হতে হবে: এমপি ওবায়দুল্লাহ্ সালাফি জলঢাকায় মসজিদ ভিত্তিক শিশু গণশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের সংবর্ধনা জলঢাকায় কাঁচা রাস্তা পাঁকাকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি

জলঢাকার ডালিয়া রোডে অটোচালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

মো: মোনাব্বেরুল হক মনা / ৭২ Time View
Update : শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০২:০১ পূর্বাহ্ন

মো:মোনাব্বেরুল হক মনা  নিজস্ব প্রতিনিধি:

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ডালিয়া রোড এলাকায় অটোচালকদের কাছ থেকে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিম্নআয়ের অটোচালকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগীরা বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডালিয়া রোড এলাকায় যানজট নিরসন এবং অটো চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে পূর্বে পৌরসভার মাধ্যমে সাইফুল ইসলাম ও তার কয়েকজন সহযোগীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সে সময় প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রতিটি অটোরিকশা থেকে নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করা হতো বলে দাবি করেছেন কয়েকজন চালক।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, গত ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর সাইফুল ইসলাম কিছুদিন এলাকায় অনুপস্থিত ছিলেন। তবে সম্প্রতি তিনি আবার এলাকায় সক্রিয় হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি নিজেকে “অটো চেইন মাস্টার” পরিচয় দিয়ে অটোচালকদের কাছ থেকে প্রকাশ্যে টাকা আদায় করছেন।
ভুক্তভোগী কয়েকজন অটোচালক জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা বিভিন্নভাবে আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। এর মধ্যে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কারণে তারা আরও দুর্ভোগে পড়েছেন। তারা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সরেজমিনে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের সঙ্গে কথা বলা হলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হওয়ায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা কিছু খরচ নিচ্ছি।”
অপরদিকে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম এবং পৌরসভার সচিব মোঃ আশরাফুজ্জামান জানান, পৌরসভা বা থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। তারা বলেন, “যদি কেউ স্বঘোষিতভাবে কোনো কমিটি গঠন করে অর্থ আদায় করে থাকে, তাহলে বিষয়টি আইনগতভাবে তদন্ত সাপেক্ষ।”
এদিকে কিছু অটোচালক জানিয়েছেন, নিজেদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য তারা “চেইন খরচ” নামে একটি ব্যবস্থা চালু করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category