রংপুর ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
উপজেলার ২নং কেতকীবাড়ী ইউনিয়নে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ জলঢাকায় ফ‍্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারি ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন নীলফামারী চেম্বারের নির্বাচনে মাহবুব রহমান সভাপতি নির্বাচিত চিলাহাটিতে ৪৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ রেজাউল গ্রেফতার জলঢাকায় দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য ও ষাণ্মাসিক ফলাফল উপলক্ষ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত জলঢাকায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মীরগঞ্জ ইউনিয়ন শ্রমিক দল আহ্বায়ক বহিষ্কৃত, কমিটি বিলুপ্ত মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি, ইসির প্রজ্ঞাপন জারি চিলাহাটিতে এক প্রতিবন্ধী নারীকে সঙ্গবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ চিলাহাটীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতালেব হোসেনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন শিক্ষার আলো জ্বালাতে অসচ্ছল শিক্ষার্থীকে জেলা প্রশাসকের সাইকেল প্রদান

জলঢাকার ডালিয়া রোডে অটোচালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

মো:মোনাব্বেরুল হক মনা  নিজস্ব প্রতিনিধি:

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ডালিয়া রোড এলাকায় অটোচালকদের কাছ থেকে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিম্নআয়ের অটোচালকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগীরা বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডালিয়া রোড এলাকায় যানজট নিরসন এবং অটো চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে পূর্বে পৌরসভার মাধ্যমে সাইফুল ইসলাম ও তার কয়েকজন সহযোগীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সে সময় প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রতিটি অটোরিকশা থেকে নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করা হতো বলে দাবি করেছেন কয়েকজন চালক।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, গত ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর সাইফুল ইসলাম কিছুদিন এলাকায় অনুপস্থিত ছিলেন। তবে সম্প্রতি তিনি আবার এলাকায় সক্রিয় হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি নিজেকে “অটো চেইন মাস্টার” পরিচয় দিয়ে অটোচালকদের কাছ থেকে প্রকাশ্যে টাকা আদায় করছেন।
ভুক্তভোগী কয়েকজন অটোচালক জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা বিভিন্নভাবে আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। এর মধ্যে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কারণে তারা আরও দুর্ভোগে পড়েছেন। তারা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সরেজমিনে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের সঙ্গে কথা বলা হলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হওয়ায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা কিছু খরচ নিচ্ছি।”
অপরদিকে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম এবং পৌরসভার সচিব মোঃ আশরাফুজ্জামান জানান, পৌরসভা বা থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। তারা বলেন, “যদি কেউ স্বঘোষিতভাবে কোনো কমিটি গঠন করে অর্থ আদায় করে থাকে, তাহলে বিষয়টি আইনগতভাবে তদন্ত সাপেক্ষ।”
এদিকে কিছু অটোচালক জানিয়েছেন, নিজেদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য তারা “চেইন খরচ” নামে একটি ব্যবস্থা চালু করেছেন।

Popular Post

উপজেলার ২নং কেতকীবাড়ী ইউনিয়নে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ

জলঢাকার ডালিয়া রোডে অটোচালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

Update Time : ০৩:৫৭:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

মো:মোনাব্বেরুল হক মনা  নিজস্ব প্রতিনিধি:

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ডালিয়া রোড এলাকায় অটোচালকদের কাছ থেকে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিম্নআয়ের অটোচালকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগীরা বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডালিয়া রোড এলাকায় যানজট নিরসন এবং অটো চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে পূর্বে পৌরসভার মাধ্যমে সাইফুল ইসলাম ও তার কয়েকজন সহযোগীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সে সময় প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রতিটি অটোরিকশা থেকে নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করা হতো বলে দাবি করেছেন কয়েকজন চালক।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, গত ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর সাইফুল ইসলাম কিছুদিন এলাকায় অনুপস্থিত ছিলেন। তবে সম্প্রতি তিনি আবার এলাকায় সক্রিয় হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি নিজেকে “অটো চেইন মাস্টার” পরিচয় দিয়ে অটোচালকদের কাছ থেকে প্রকাশ্যে টাকা আদায় করছেন।
ভুক্তভোগী কয়েকজন অটোচালক জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা বিভিন্নভাবে আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। এর মধ্যে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কারণে তারা আরও দুর্ভোগে পড়েছেন। তারা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সরেজমিনে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের সঙ্গে কথা বলা হলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হওয়ায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা কিছু খরচ নিচ্ছি।”
অপরদিকে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম এবং পৌরসভার সচিব মোঃ আশরাফুজ্জামান জানান, পৌরসভা বা থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। তারা বলেন, “যদি কেউ স্বঘোষিতভাবে কোনো কমিটি গঠন করে অর্থ আদায় করে থাকে, তাহলে বিষয়টি আইনগতভাবে তদন্ত সাপেক্ষ।”
এদিকে কিছু অটোচালক জানিয়েছেন, নিজেদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য তারা “চেইন খরচ” নামে একটি ব্যবস্থা চালু করেছেন।