রংপুর ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
নীলফামারী সদরের প্রতিটি ইউনিয়নে অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ কমিটি জলঢাকায় আওয়ামীলীগ কর্মীর মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন  সৈয়দপুর পৌরসভার ৯২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদারে নীলফামারীতে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা ডোমারে ইয়াবাসহ যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ ২১ বছর পর আবারও একসঙ্গে স্কুলজীবনের বন্ধুরা নীলফামারীতে ৬ নভেম্বর এসএসসি ২০০৫ ব্যাচের মিলনমেলা নাশকতার মামলায় সৈয়দপুর সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা বাদল গ্রেফতার জলঢাকায় ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা, থানায় দুই পরিবারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ নীলফামারীতে দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সেমিনার জলঢাকায় এডহক কমিটির সভাপতি মামুনকে সংবর্ধনা দিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ

নীলফামারীর উন্নয়নই আমার অঙ্গীকার: ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন

নীলফামারীর উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন। তিনি বলেছেন, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জেলার সামগ্রিক উন্নয়নই তার প্রধান লক্ষ্য। মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাকে শক্তি হিসেবে নিয়ে তিনি আগামীতেও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকতে চান।
সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, নীলফামারীর উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, কর্মসংস্থান এবং মানবিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে তিনি নিজের অবস্থান থেকে কাজ করে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত রাখবেন।
ইঞ্জিনিয়ার তুহিন বলেন, “নীলফামারী আমার প্রাণের জেলা। এ জেলার মানুষের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। মানুষের পাশে থেকে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সাধ্যমতো কাজ করে যেতে চাই। জেলার উন্নয়নই আমার অঙ্গীকার।”
জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী মহলের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়, গণসংযোগ এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন সময় শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং মানবিক উদ্যোগ নিয়ে তার মতামত ও কার্যক্রমও মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
স্থানীয়দের মতে, উন্নয়ন নিয়ে সুস্পষ্ট অঙ্গীকার এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ একজন জনমুখী নেতৃত্বের পরিচায়ক। তারা মনে করেন, নীলফামারীর সম্ভাবনাকে আরও বিকশিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের পাশাপাশি এমন ইতিবাচক চিন্তা ও অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
উল্লেখ্য, ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন দীর্ঘদিন ধরে নীলফামারীর উন্নয়ন, শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন। জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন ইস্যুতে তার সক্রিয় ভূমিকা স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপকভাবে আলোচিত।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নীলফামারী সদরের প্রতিটি ইউনিয়নে অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ কমিটি

নীলফামারীর উন্নয়নই আমার অঙ্গীকার: ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন

Update Time : ১০:৫২:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীর উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন। তিনি বলেছেন, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জেলার সামগ্রিক উন্নয়নই তার প্রধান লক্ষ্য। মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাকে শক্তি হিসেবে নিয়ে তিনি আগামীতেও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকতে চান।
সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, নীলফামারীর উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, কর্মসংস্থান এবং মানবিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে তিনি নিজের অবস্থান থেকে কাজ করে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত রাখবেন।
ইঞ্জিনিয়ার তুহিন বলেন, “নীলফামারী আমার প্রাণের জেলা। এ জেলার মানুষের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। মানুষের পাশে থেকে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সাধ্যমতো কাজ করে যেতে চাই। জেলার উন্নয়নই আমার অঙ্গীকার।”
জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী মহলের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়, গণসংযোগ এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন সময় শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং মানবিক উদ্যোগ নিয়ে তার মতামত ও কার্যক্রমও মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
স্থানীয়দের মতে, উন্নয়ন নিয়ে সুস্পষ্ট অঙ্গীকার এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ একজন জনমুখী নেতৃত্বের পরিচায়ক। তারা মনে করেন, নীলফামারীর সম্ভাবনাকে আরও বিকশিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের পাশাপাশি এমন ইতিবাচক চিন্তা ও অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
উল্লেখ্য, ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন দীর্ঘদিন ধরে নীলফামারীর উন্নয়ন, শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন। জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন ইস্যুতে তার সক্রিয় ভূমিকা স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপকভাবে আলোচিত।

Advertisement
Advertisement
Advertisement