রংপুর ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
শারদীয় দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা জানিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী জগদীশ চন্দ্রের সমর্থন কামনা ছাত্রদল নেতা দিপুর উন্নত চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন আলিয়া মাদ্রাসার মাঠ সংকোচনের প্রতিবাদ,কমিটি পুনর্গঠনের দাবি  রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে ডোমারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান মেধাবী শিক্ষার্থী রাকিবের মরদেহ মিললো নীলফামারীর ডিমলায় জলঢাকায় ৩৮ বছর শিক্ষকতার পর অবসর, রেজাউল করিমকে বিদায় সংবর্ধনা জলঢাকায় শিক্ষক রেজাউল করিম খাঁনের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে নীলফামারীর সাংবাদিকদের মতবিনিময় ডোমারে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক জলঢাকায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা

নীলফামারী বড় মাঠ দখলমুক্ত, অবৈধ দোকান উচ্ছেদে স্বস্তি খেলোয়াড়-শিক্ষার্থীসহ মাঠপ্রেমীদের

নীলফামারী শহরের ঐতিহ্যবাহী বড় মাঠ দখল করে নির্মাণ করা অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মাঠের অবৈধ স্থাপনাগুলো সরিয়ে দেওয়ায় মাঠের একটি বড় অংশ দখলমুক্ত হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে নীলফামারী বড় মাঠের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দখল করে বিভিন্ন ধরনের দোকান স্থাপন করা হয়েছিল। এতে মাঠের স্বাভাবিক পরিবেশ ও সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি খেলোয়াড়দের অনুশীলন ও খেলাধুলার সুযোগও সংকুচিত হয়ে পড়েছিল। বিকেলে মাঠে হাঁটতে ও ঘুরতে আসা সাধারণ মানুষ এবং শিক্ষার্থীদের চলাচলেও সৃষ্টি হচ্ছিল নানা প্রতিবন্ধকতা।
মাঠের খেলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং খেলোয়াড়দের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ.কে.এম শাহ্ আরেফিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব আবু মোহাম্মদ সোয়েমসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব আবু মোহাম্মদ সোয়েম বলেন, ‘অবৈধ দোকানদাররা বড় মাঠের একটি বড় অংশ দখল করে রেখেছিল। এতে দিন দিন মাঠের পরিধি কমে আসছিল। খেলাধুলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের সহযোগিতায় এসব অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে।’
এর আগে গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধ দোকানদারদের স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময় দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব দোকান সরানো হয়নি, বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে সেগুলো উচ্ছেদ করা হয়।
উচ্ছেদ অভিযানের পর স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নীলফামারীর খেলোয়াড়, শিক্ষার্থী, মাঠে ঘুরতে আসা সাধারণ মানুষ এবং বিকেলে হাঁটতে আসা নাগরিকরা। তারা বলেন, বড় মাঠ শুধু খেলাধুলার স্থান নয়, এটি নীলফামারী শহরের মানুষের প্রাণের একটি অংশ। দীর্ঘদিন পর মাঠের একটি বড় অংশ দখলমুক্ত হওয়ায় তারা জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে যেন নতুন করে কেউ মাঠ দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থা নিয়মিত নজরদারি করবে। একই সঙ্গে মাঠের অবশিষ্ট অংশও সুরক্ষিত রেখে খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও সাধারণ মানুষের হাঁটা-চলার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

Popular Post

শারদীয় দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা জানিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী জগদীশ চন্দ্রের সমর্থন কামনা

নীলফামারী বড় মাঠ দখলমুক্ত, অবৈধ দোকান উচ্ছেদে স্বস্তি খেলোয়াড়-শিক্ষার্থীসহ মাঠপ্রেমীদের

Update Time : ১০:৪৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

নীলফামারী শহরের ঐতিহ্যবাহী বড় মাঠ দখল করে নির্মাণ করা অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মাঠের অবৈধ স্থাপনাগুলো সরিয়ে দেওয়ায় মাঠের একটি বড় অংশ দখলমুক্ত হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে নীলফামারী বড় মাঠের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দখল করে বিভিন্ন ধরনের দোকান স্থাপন করা হয়েছিল। এতে মাঠের স্বাভাবিক পরিবেশ ও সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি খেলোয়াড়দের অনুশীলন ও খেলাধুলার সুযোগও সংকুচিত হয়ে পড়েছিল। বিকেলে মাঠে হাঁটতে ও ঘুরতে আসা সাধারণ মানুষ এবং শিক্ষার্থীদের চলাচলেও সৃষ্টি হচ্ছিল নানা প্রতিবন্ধকতা।
মাঠের খেলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং খেলোয়াড়দের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ.কে.এম শাহ্ আরেফিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব আবু মোহাম্মদ সোয়েমসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব আবু মোহাম্মদ সোয়েম বলেন, ‘অবৈধ দোকানদাররা বড় মাঠের একটি বড় অংশ দখল করে রেখেছিল। এতে দিন দিন মাঠের পরিধি কমে আসছিল। খেলাধুলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের সহযোগিতায় এসব অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে।’
এর আগে গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধ দোকানদারদের স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময় দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব দোকান সরানো হয়নি, বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে সেগুলো উচ্ছেদ করা হয়।
উচ্ছেদ অভিযানের পর স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নীলফামারীর খেলোয়াড়, শিক্ষার্থী, মাঠে ঘুরতে আসা সাধারণ মানুষ এবং বিকেলে হাঁটতে আসা নাগরিকরা। তারা বলেন, বড় মাঠ শুধু খেলাধুলার স্থান নয়, এটি নীলফামারী শহরের মানুষের প্রাণের একটি অংশ। দীর্ঘদিন পর মাঠের একটি বড় অংশ দখলমুক্ত হওয়ায় তারা জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে যেন নতুন করে কেউ মাঠ দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থা নিয়মিত নজরদারি করবে। একই সঙ্গে মাঠের অবশিষ্ট অংশও সুরক্ষিত রেখে খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও সাধারণ মানুষের হাঁটা-চলার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।