রংপুর ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
ডোমারের মির্জাগঞ্জ স্টেশনে ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ, ৫ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক “জলঢাকায় সার পেতে কৃষকদের হাতে ‘সার কার্ড’, থাকছে সারের হিসাব” নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ডোমারে ২৫ হাজার গ্রাহকের সচল মিটার বিক্রিসহ প্রি পেমেন্ট মিটার স্থাপনের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ রংপুর বিভাগের গুণী শিক্ষক নির্বাচিত সৈয়দপুরের ফাতেমা সৈয়দপুর থানা পুলিশের অভিযানে ১২ মাদক ব্যবসায়ীও সেবী গ্রেপ্তার    শিশু শ্রম হ্রাসে নীলফামারীতে বাই-সাইকেল র‌্যালি জলঢাকায় ইসলামী ব‍‍্যাংকের গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ  সম্পাদকীয় – নারী ও শিশু নির্যাতন: পরিসংখ্যানের আড়ালে যে নির্মম বাস্তবতা বিএমএসএসের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান তোতার ইন্তেকাল নীলফামারীতে জেন্ডার সমতা ও বৈষম্য নিরসনে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের মতবিনিময় সভা

“জলঢাকায় সার পেতে কৃষকদের হাতে ‘সার কার্ড’, থাকছে সারের হিসাব”

 

নীলফামারীর জলঢাকায় সার বিতরণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। আসন্ন রবি মৌসুমকে সামনে রেখে প্রকৃত কৃষকদের ‘সার কার্ড’-এর মাধ্যমে সার বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সার কার্ডে কৃষকের ছবি, নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জমির পরিমাণসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। প্রতিবার সার নেওয়ার সময় কার্ডে সারের পরিমাণ, ফসলের নাম ও বিতরণের তারিখ উল্লেখ করা হবে। এর ফলে একজন কৃষক তার প্রাপ্যতা অনুযায়ী সার পাচ্ছেন কি না, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সার বিতরণে অনিয়মের সুযোগও কমবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ব্লকের কৃষকদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে কৃষকদের মধ্যে ‘সার কার্ড’ বিতরণও শুরু হয়েছে। কৃষি বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, উপজেলার প্রত্যেক কৃষককে এ কার্ডের আওতায় আনা হবে। জলঢাকা উপজেলায় কৃষকের সংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি।

কৃষি বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, এর আগে দেশব্যাপী কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড তৈরি করা হলেও পরবর্তী সময়ে ওই তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। এবার রবি মৌসুমের আগে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের নতুন করে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। ওই তালিকার ভিত্তিতে সাময়িক মেয়াদের ‘সার কার্ড’ দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, “জলঢাকা উপজেলায় সার বিতরণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই কৃষকদের সার কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রকৃত কৃষক ছাড়া অন্য কারও সার নেওয়ার সুযোগ কমবে। উপজেলার সকল কৃষককে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে একজন কৃষক কতটুকু সার নিয়েছেন, তার হিসাবও সংরক্ষণ করা হবে। ফলে প্রকৃত কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে প্রয়োজনীয় সার পাবেন।”

Popular Post

ডোমারের মির্জাগঞ্জ স্টেশনে ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ, ৫ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

“জলঢাকায় সার পেতে কৃষকদের হাতে ‘সার কার্ড’, থাকছে সারের হিসাব”

Update Time : ০১:১১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

নীলফামারীর জলঢাকায় সার বিতরণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। আসন্ন রবি মৌসুমকে সামনে রেখে প্রকৃত কৃষকদের ‘সার কার্ড’-এর মাধ্যমে সার বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সার কার্ডে কৃষকের ছবি, নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জমির পরিমাণসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। প্রতিবার সার নেওয়ার সময় কার্ডে সারের পরিমাণ, ফসলের নাম ও বিতরণের তারিখ উল্লেখ করা হবে। এর ফলে একজন কৃষক তার প্রাপ্যতা অনুযায়ী সার পাচ্ছেন কি না, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সার বিতরণে অনিয়মের সুযোগও কমবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ব্লকের কৃষকদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে কৃষকদের মধ্যে ‘সার কার্ড’ বিতরণও শুরু হয়েছে। কৃষি বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, উপজেলার প্রত্যেক কৃষককে এ কার্ডের আওতায় আনা হবে। জলঢাকা উপজেলায় কৃষকের সংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি।

কৃষি বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, এর আগে দেশব্যাপী কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড তৈরি করা হলেও পরবর্তী সময়ে ওই তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। এবার রবি মৌসুমের আগে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের নতুন করে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। ওই তালিকার ভিত্তিতে সাময়িক মেয়াদের ‘সার কার্ড’ দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, “জলঢাকা উপজেলায় সার বিতরণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই কৃষকদের সার কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রকৃত কৃষক ছাড়া অন্য কারও সার নেওয়ার সুযোগ কমবে। উপজেলার সকল কৃষককে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে একজন কৃষক কতটুকু সার নিয়েছেন, তার হিসাবও সংরক্ষণ করা হবে। ফলে প্রকৃত কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে প্রয়োজনীয় সার পাবেন।”