
নীলফামারীর জলঢাকায় সার বিতরণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। আসন্ন রবি মৌসুমকে সামনে রেখে প্রকৃত কৃষকদের ‘সার কার্ড’-এর মাধ্যমে সার বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সার কার্ডে কৃষকের ছবি, নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জমির পরিমাণসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। প্রতিবার সার নেওয়ার সময় কার্ডে সারের পরিমাণ, ফসলের নাম ও বিতরণের তারিখ উল্লেখ করা হবে। এর ফলে একজন কৃষক তার প্রাপ্যতা অনুযায়ী সার পাচ্ছেন কি না, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সার বিতরণে অনিয়মের সুযোগও কমবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।
ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ব্লকের কৃষকদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে কৃষকদের মধ্যে ‘সার কার্ড’ বিতরণও শুরু হয়েছে। কৃষি বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, উপজেলার প্রত্যেক কৃষককে এ কার্ডের আওতায় আনা হবে। জলঢাকা উপজেলায় কৃষকের সংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি।
কৃষি বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, এর আগে দেশব্যাপী কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড তৈরি করা হলেও পরবর্তী সময়ে ওই তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। এবার রবি মৌসুমের আগে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের নতুন করে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। ওই তালিকার ভিত্তিতে সাময়িক মেয়াদের ‘সার কার্ড’ দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, “জলঢাকা উপজেলায় সার বিতরণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই কৃষকদের সার কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রকৃত কৃষক ছাড়া অন্য কারও সার নেওয়ার সুযোগ কমবে। উপজেলার সকল কৃষককে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে একজন কৃষক কতটুকু সার নিয়েছেন, তার হিসাবও সংরক্ষণ করা হবে। ফলে প্রকৃত কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে প্রয়োজনীয় সার পাবেন।”
ভবদিশ চন্দ্র 


















