• মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
Headline :
ভিজিএফ-এর চাল বিতরণে অনিয়মর অভিযোগে জলঢাকায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করে এলাকাবাসীর মানববন্ধন জলঢাকার কদমতলী সড়ক সংস্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন চিলাহাটীতে শিশুশ্রম বন্ধ করে শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করার নিমিত্তে এ্যাডভোকেসী কর্মশালা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নে সুষ্ঠুভাবে ভিজিএফের চাল বিতরণ জলঢাকায় রাস্তা পাকাকরণ কাজ পরিদর্শন করলেন ইউএনও আদিতমারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আগ্রহ প্রকাশ আবু বক্কর সিদ্দিকের লালমনিরহাটে ঈদ সামনে রেখে মার্কেটে ক্রেতাদের ভিড়, জমজমাট জুতার দোকান লালমনিরহাটে সেনাসদস্যের বাড়িতে ৪ দিন ধরে অনশনে তরুণী কবরেও শান্তি নেই: কঙ্কাল চোর চক্রের ভয়াবহ বাণিজ্য, গ্রেফতার ৪ জলঢাকায় দুইদিন ব্যাপী কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত

ভিজিএফ-এর চাল বিতরণে অনিয়মর অভিযোগে জলঢাকায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

আবেদ আলী / ৯৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন

নীলফামারীর জলঢাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারের বিশেষ ভিজিএফ (VGF) কর্মসূচির চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে

সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে ১০নং কাঁঠালী ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী ও সুবিধাভোগীরা।

​বিক্ষোভ চলাকালীন উত্তেজিত জনতা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনকে তার নিজ কক্ষে প্রায় এক ঘণ্টা যাবৎ অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং বঞ্চিতদের চাল দেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

​সুবিধাভোগীদের দাবি, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কার্ডধারী প্রত্যেকের ১০ কেজি করে চাল পাওয়ার কথা। অন্যান্য পরিষদে প্রতি বস্তা চাল তিনজনের মধ্যে বন্টন করা হলেও, কাঁঠালী ইউনিয়নে জনপ্রতি মাত্র ৭ থেকে ৮ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে।

​সুবিধাভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সব জায়গায় নিয়ম মেনে চাল দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু এখানে কেন আমাদের ওজনে কম দিয়ে বঞ্চিত করা হচ্ছে?

​মানববন্ধন চলাকালে দুর্নীতিবাজ জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসারের অপসারণ দাবি করে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। তাদের মধ্যে ছিলেন, ​ইউনিয়ন শ্রমিক দলের আহ্বায়ক নুরনবী, তাঁতীদলের সভাপতি জেনারুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, ​জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মোকছেদুল ইসলাম, ​বিএনপি নেতা মানিকুজ্জামান মানিক, জামায়াত নেতা মাওলানা রাশেদুজ্জামান রাশেদ ও তহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

​বক্তারা বলেন, দরিদ্র মানুষের হকের চাল যারা আত্মসাৎ করছে, তাদের দ্রুত পদত্যাগ করতে হবে এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

​অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন জানান, চাল বিতরণে কিছু ভুলভ্রান্তি হতে পারে। তিনি বলেন, যেসব সুবিধাভোগী এখনো চাল পাননি বা কম পেয়েছেন, গোডাউনে চাল মজুত আছে, তারা অবশ্যই তাদের প্রাপ্য চাল বুঝে পাবেন।

​তবে সরকারি গুদাম থেকে চাল উত্তোলনের পর কেন বিতরণে এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলো, সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর মেলেনি। বর্তমানে এলাকায় এ নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ও সমালোচনা বিরাজ করছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category