• সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন |
  • English Version
Headline :
জলঢাকায় ক্লাবের সঞ্চয়ের প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ!   লালমনিরহাটে ট্রাক চাপায় আকিজ বিড়ির শ্রমিক নিহত দুই হাত নেই পা দিয়েই মাস্টার্স পরীক্ষায় আরিফা জলঢাকায় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের কমিটি গঠনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গোঁসাইগঞ্জ বন বিভাগে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড জলঢাকায় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ফ‍্যানের ব‍্যাবস্থা করে দিলেন কর্তৃপক্ষ ডোমারে মাদকাসক্ত ছেলের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৭ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড লালমনিরহাট থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছুটছে শ্রমজীবী মানুষের ঢল জীবিকার সন্ধানে জেলা ছাড়ছেন শত শত মানুষ জলঢাকায় বজ্রপাতে ভ‍্যান চালকের মৃত্যু  চাঁদা দাবী ও হামলার প্রতিবাদে ডোমারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত

দুই হাত নেই পা দিয়েই মাস্টার্স পরীক্ষায় আরিফা

মোঃ রুহুল আমিন রাসেল, স্টাফ রির্পোটার / ৪২ Time View
Update : সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন

জন্ম থেকেই দুই হাত অচল—যেখানে অনেকেই জীবনের শুরুতেই হাল ছেড়ে দেন, সেখানে অসাধারণ দৃঢ়তা, অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রম দিয়ে নিজের ভাগ্য নিজেই লিখেছেন আরিফা খাতুন। হাতের পরিবর্তে পা-ই হয়ে উঠেছে তার কলম, তার শক্তি, তার স্বপ্নপূরণের একমাত্র হাতিয়ার। সকল প্রতিকূলতাকে জয় করে তিনি পা দিয়ে লিখেই পৌঁছে গেছেন উচ্চশিক্ষার শিখরে—মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে।

সমাজের প্রচলিত সীমাবদ্ধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আরিফা খাতুন প্রমাণ করেছেন—ইচ্ছা থাকলে অসম্ভব কিছুই নয়। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তার পথ রোধ করতে পারেনি; বরং প্রতিটি বাধাই তাকে আরও শক্তিশালী করেছে। তার এই সংগ্রামী জীবনের গল্প অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে অসংখ্য তরুণ-তরুণীকে।

এই অসাধারণ মেধাবী ও সংগ্রামী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়েছেন মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি। আজ তিনি স্বশরীরে আরিফা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজখবর নেন এবং তার পড়াশোনার অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান। এসময় তিনি আরিফার অদম্য সাহস ও অধ্যবসায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

মাননীয় মন্ত্রী আরিফার শিক্ষা জীবনকে আরও এগিয়ে নিতে আর্থিক সহায়তা হিসেবে অনুদান প্রদান করেন এবং তাকে ভবিষ্যতে আরও বড় স্বপ্ন দেখার জন্য উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, “আরিফা খাতুন আমাদের সমাজের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার মতো সংগ্রামী মানুষদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সরকার সবসময় মেধাবী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।”

এই মানবিক উদ্যোগ শুধু আরিফা খাতুনের জীবনেই নতুন আশার আলো জ্বালায়নি, বরং সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে—যেখানে ইচ্ছা, সেখানেই পথ; আর পাশে থাকলে রাষ্ট্র ও সমাজ, তখন স্বপ্নগুলো হয়ে ওঠে আরও বাস্তব।

আরিফা খাতুন আজ শুধু একজন শিক্ষার্থী নন—তিনি এক অনুপ্রেরণার নাম, এক সাহসিকতার প্রতীক, যিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন প্রতিকূলতার মধ্যেও জয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category