• শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
Headline :
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আলোচিত হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার বুটেক্সের ৫২তম ব্যাচের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত সংস্কার কাজে বছর যেতেই বুড়ি তিস্তা রক্ষা বাঁধে ধস: বালু সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে জনদুর্ভোগ চরমে জলঢাকায় গোলনা ইউনিয়নে মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কমিটি অনুমোদন দিলেন ওসি জলঢাকায় পথচারী রিক্সা ও ভ্যান চালকদের মাঝে গাছের চারা বিতরন ইসলামিক দাওয়াহ্ সেন্টারের অফিস উদ্বোধন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সড়ক দূর্ঘটনায় ডোমারের এক সাবেক সেনা সদস্যর মৃত্যু ​বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ : ​খেলাধূলা হতে পারে পরিবার ও সমাজে সম্প্রীতির সেতুবন্ধন জলঢাকায় প্রযুক্তিগত অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য বিস্তার প্রতিরোধ বিষয়ক জনসচেতনতা মুলক সভা নীলফামারীতে অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে যুবদলের প্রতিবাদ সমাবেশ, স্বেচ্ছাসেবক দলের শান্তি মিছিল

দুই হাত নেই পা দিয়েই মাস্টার্স পরীক্ষায় আরিফা

মোঃ রুহুল আমিন রাসেল, স্টাফ রির্পোটার / ১৩৮ Time View
Update : শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন

জন্ম থেকেই দুই হাত অচল—যেখানে অনেকেই জীবনের শুরুতেই হাল ছেড়ে দেন, সেখানে অসাধারণ দৃঢ়তা, অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রম দিয়ে নিজের ভাগ্য নিজেই লিখেছেন আরিফা খাতুন। হাতের পরিবর্তে পা-ই হয়ে উঠেছে তার কলম, তার শক্তি, তার স্বপ্নপূরণের একমাত্র হাতিয়ার। সকল প্রতিকূলতাকে জয় করে তিনি পা দিয়ে লিখেই পৌঁছে গেছেন উচ্চশিক্ষার শিখরে—মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে।

সমাজের প্রচলিত সীমাবদ্ধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আরিফা খাতুন প্রমাণ করেছেন—ইচ্ছা থাকলে অসম্ভব কিছুই নয়। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তার পথ রোধ করতে পারেনি; বরং প্রতিটি বাধাই তাকে আরও শক্তিশালী করেছে। তার এই সংগ্রামী জীবনের গল্প অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে অসংখ্য তরুণ-তরুণীকে।

এই অসাধারণ মেধাবী ও সংগ্রামী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়েছেন মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি। আজ তিনি স্বশরীরে আরিফা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজখবর নেন এবং তার পড়াশোনার অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান। এসময় তিনি আরিফার অদম্য সাহস ও অধ্যবসায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

মাননীয় মন্ত্রী আরিফার শিক্ষা জীবনকে আরও এগিয়ে নিতে আর্থিক সহায়তা হিসেবে অনুদান প্রদান করেন এবং তাকে ভবিষ্যতে আরও বড় স্বপ্ন দেখার জন্য উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, “আরিফা খাতুন আমাদের সমাজের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার মতো সংগ্রামী মানুষদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সরকার সবসময় মেধাবী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।”

এই মানবিক উদ্যোগ শুধু আরিফা খাতুনের জীবনেই নতুন আশার আলো জ্বালায়নি, বরং সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে—যেখানে ইচ্ছা, সেখানেই পথ; আর পাশে থাকলে রাষ্ট্র ও সমাজ, তখন স্বপ্নগুলো হয়ে ওঠে আরও বাস্তব।

আরিফা খাতুন আজ শুধু একজন শিক্ষার্থী নন—তিনি এক অনুপ্রেরণার নাম, এক সাহসিকতার প্রতীক, যিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন প্রতিকূলতার মধ্যেও জয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category