রংপুর ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
ছাত্রদল নেতা দিপুর উন্নত চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন আলিয়া মাদ্রাসার মাঠ সংকোচনের প্রতিবাদ,কমিটি পুনর্গঠনের দাবি  রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে ডোমারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান মেধাবী শিক্ষার্থী রাকিবের মরদেহ মিললো নীলফামারীর ডিমলায় জলঢাকায় ৩৮ বছর শিক্ষকতার পর অবসর, রেজাউল করিমকে বিদায় সংবর্ধনা জলঢাকায় শিক্ষক রেজাউল করিম খাঁনের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে নীলফামারীর সাংবাদিকদের মতবিনিময় ডোমারে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক জলঢাকায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা জলঢাকায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রবীন্দ্র-নজরুল জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নীলফামারীতে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নীলফামারীতে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম শুধু বাংলা সাহিত্য নয়, বাঙালির চেতনা, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের অন্যতম পথপ্রদর্শক। তাদের সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবতার শিক্ষা দেয়। তিনি তরুণদের মাঝে রবীন্দ্র ও নজরুলচর্চা আরও বিস্তারের আহ্বান জানান এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ। তিনি বলেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চা সমাজকে সুস্থ ও মানবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের আদর্শ তরুণ সমাজকে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক তার বক্তব্যে বলেন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সাহিত্যকর্ম যুগে যুগে বাঙালিকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহস জুগিয়েছে। তাদের লেখনী আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক এবং সমাজ গঠনে অনুপ্রেরণার উৎস।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা প্রধান হক বাচ্চু বলেন, বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের অবদান অনস্বীকার্য। নতুন প্রজন্মকে তাদের সাহিত্য ও সংগীতের সঙ্গে আরও বেশি পরিচিত করতে পারিবারিক ও সামাজিক উদ্যোগ বাড়াতে হবে।
আলোচনা সভা শেষে স্থানীয় শিল্পীরা রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন। পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

Popular Post

ছাত্রদল নেতা দিপুর উন্নত চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন

রবীন্দ্র-নজরুল জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নীলফামারীতে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

Update Time : ০২:৩৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নীলফামারীতে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম শুধু বাংলা সাহিত্য নয়, বাঙালির চেতনা, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের অন্যতম পথপ্রদর্শক। তাদের সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবতার শিক্ষা দেয়। তিনি তরুণদের মাঝে রবীন্দ্র ও নজরুলচর্চা আরও বিস্তারের আহ্বান জানান এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ। তিনি বলেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চা সমাজকে সুস্থ ও মানবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের আদর্শ তরুণ সমাজকে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক তার বক্তব্যে বলেন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সাহিত্যকর্ম যুগে যুগে বাঙালিকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহস জুগিয়েছে। তাদের লেখনী আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক এবং সমাজ গঠনে অনুপ্রেরণার উৎস।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা প্রধান হক বাচ্চু বলেন, বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের অবদান অনস্বীকার্য। নতুন প্রজন্মকে তাদের সাহিত্য ও সংগীতের সঙ্গে আরও বেশি পরিচিত করতে পারিবারিক ও সামাজিক উদ্যোগ বাড়াতে হবে।
আলোচনা সভা শেষে স্থানীয় শিল্পীরা রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন। পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।