রংপুর ১১:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
শারদীয় দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা জানিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী জগদীশ চন্দ্রের সমর্থন কামনা ছাত্রদল নেতা দিপুর উন্নত চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন আলিয়া মাদ্রাসার মাঠ সংকোচনের প্রতিবাদ,কমিটি পুনর্গঠনের দাবি  রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে ডোমারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান মেধাবী শিক্ষার্থী রাকিবের মরদেহ মিললো নীলফামারীর ডিমলায় জলঢাকায় ৩৮ বছর শিক্ষকতার পর অবসর, রেজাউল করিমকে বিদায় সংবর্ধনা জলঢাকায় শিক্ষক রেজাউল করিম খাঁনের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে নীলফামারীর সাংবাদিকদের মতবিনিময় ডোমারে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক জলঢাকায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা

নীলফামারীতে সড়কে চাঁদাবাজি ও অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা থেকে কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া পর্যন্ত সড়কে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ, অনুমতিবিহীন যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়া বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা সড়ক পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে নীলফামারী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপ এবং জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের যৌথ আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি আরেফ রব্বানী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত রাসেল, জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি নূর আলম এবং জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক জামিয়ার রহমান।
বক্তারা বলেন, গত ৫ জুলাই জলঢাকায় কয়েকজন পরিবহন মালিক অবৈধ চাঁদা আদায়ের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন ও পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেন। তবে পূর্ব আলোচনা ছাড়াই যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করায় সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বলে তারা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ঈদুল আজহার পর থেকে ডিমলা-জলঢাকা-কিশোরগঞ্জ সড়কের মাগুড়া স্ট্যান্ড এলাকায় একটি অস্থায়ী স্ট্যান্ড গড়ে তুলে বৈধ যানবাহন থেকে ২০০ টাকা এবং বাইরের অনুমতিবিহীন যানবাহন থেকে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন বক্তারা।
তারা আরও অভিযোগ করেন, যাদের বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে, তারাই নিজেদের নিরপেক্ষ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করছেন। এছাড়া কিছু পরিবহন মালিক ও একটি শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে জেলার পরিবহন খাতকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে, যা স্থানীয় বৈধ পরিবহন মালিকদের ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে ডিমলা থেকে কিশোরগঞ্জের মাগুড়া পর্যন্ত সড়কে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ, অনুমতিবিহীন যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়া বাস্তবায়নে তদন্তসাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা।
এ সময় জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের অর্থ সম্পাদক আবু তাহের, জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য আফজাল হোসেন, আবু গোফরানসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Popular Post

শারদীয় দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা জানিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী জগদীশ চন্দ্রের সমর্থন কামনা

নীলফামারীতে সড়কে চাঁদাবাজি ও অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০৩:০০:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা থেকে কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া পর্যন্ত সড়কে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ, অনুমতিবিহীন যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়া বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা সড়ক পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে নীলফামারী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপ এবং জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের যৌথ আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি আরেফ রব্বানী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত রাসেল, জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি নূর আলম এবং জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক জামিয়ার রহমান।
বক্তারা বলেন, গত ৫ জুলাই জলঢাকায় কয়েকজন পরিবহন মালিক অবৈধ চাঁদা আদায়ের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন ও পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেন। তবে পূর্ব আলোচনা ছাড়াই যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করায় সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বলে তারা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ঈদুল আজহার পর থেকে ডিমলা-জলঢাকা-কিশোরগঞ্জ সড়কের মাগুড়া স্ট্যান্ড এলাকায় একটি অস্থায়ী স্ট্যান্ড গড়ে তুলে বৈধ যানবাহন থেকে ২০০ টাকা এবং বাইরের অনুমতিবিহীন যানবাহন থেকে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন বক্তারা।
তারা আরও অভিযোগ করেন, যাদের বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে, তারাই নিজেদের নিরপেক্ষ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করছেন। এছাড়া কিছু পরিবহন মালিক ও একটি শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে জেলার পরিবহন খাতকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে, যা স্থানীয় বৈধ পরিবহন মালিকদের ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে ডিমলা থেকে কিশোরগঞ্জের মাগুড়া পর্যন্ত সড়কে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ, অনুমতিবিহীন যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়া বাস্তবায়নে তদন্তসাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা।
এ সময় জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের অর্থ সম্পাদক আবু তাহের, জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য আফজাল হোসেন, আবু গোফরানসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।