রংপুর ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
নীলফামারী সদরের প্রতিটি ইউনিয়নে অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ কমিটি জলঢাকায় আওয়ামীলীগ কর্মীর মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন  সৈয়দপুর পৌরসভার ৯২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদারে নীলফামারীতে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা ডোমারে ইয়াবাসহ যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ ২১ বছর পর আবারও একসঙ্গে স্কুলজীবনের বন্ধুরা নীলফামারীতে ৬ নভেম্বর এসএসসি ২০০৫ ব্যাচের মিলনমেলা নাশকতার মামলায় সৈয়দপুর সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা বাদল গ্রেফতার জলঢাকায় ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা, থানায় দুই পরিবারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ নীলফামারীতে দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সেমিনার জলঢাকায় এডহক কমিটির সভাপতি মামুনকে সংবর্ধনা দিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ

মানবিক নেতৃত্বের আলোকবর্তিকা: লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান

—মো: মাহাদী হাসান মানিক, সম্পাদক- ডেস্ক রিপোর্ট

Advertisement
Advertisement

কর্মের সফলতায় ইতিহাসে এমন কিছু মানুষ থাকেন, যাদের পরিচয় শুধু একটি পদবি দিয়ে হয় না; তাদের পরিচয় গড়ে ওঠে কর্ম, সততা, মানবিকতা এবং মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসায়। রাশেদুল হক প্রধান তেমনই একজন প্রশাসক, যিনি দায়িত্বকে ক্ষমতার প্রতীক নয়, বরং মানুষের সেবার একটি পবিত্র অঙ্গীকার হিসেবে ধারণ করেছেন।

Advertisement

জলঢাকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি যে সততা, নিষ্ঠা, কর্মদক্ষতা ও মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, তা আজও উপজেলার মানুষের হৃদয়ে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, দ্রুত সমস্যা সমাধান, স্বচ্ছ প্রশাসন নিশ্চিত করা এবং সবার প্রতি সমান আচরণ, এসব গুণ তাকে মানুষের আপনজন করে তুলেছিল। তার বিনয়ী ব্যবহার, আন্তরিকতা এবং নম্র ব্যক্তিত্ব এমন অনেক কঠিন পরিস্থিতির সমাধান করেছে, যেখানে কঠোরতা নয়, মানবিকতাই জয়ী হয়েছে।

নীলফামারী জলঢাকার প্রায় চার লাখ মানুষের হৃদয়ে তিনি রেখে গেছেন ভালোবাসা, আস্থা ও শ্রদ্ধার এক অমূল্য স্মৃতি। আজও অনেক মানুষ বিশ্বাস করেন, একজন সৎ ও মানবিক প্রশাসক চাইলে একটি জনপদের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন, আর সেই বিশ্বাসের অন্যতম প্রতীক রাশেদুল হক প্রধান।

বর্তমানে তিনি লালমনিরহাট জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন কর্মস্থলেও তিনি একই নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার সঙ্গে প্রশাসনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বিশেষ করে মাদকবিরোধী অভিযানে তার দৃঢ় অবস্থান ইতোমধ্যে জেলার মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

একসময় ডালিয়া ব্যারেজ (তিস্তা ব্যারেজ) এলাকা হয়ে যে ফেনসিডিল দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার হওয়ার অভিযোগ ছিল, সেই পথ বন্ধে জেলা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ, কঠোর নজরদারি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিনের একটি বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে।

শুধু মাদক নিয়ন্ত্রণই নয়, আইন-শৃঙ্খলা, সুশাসন, জনবান্ধব প্রশাসন, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে লালমনিরহাটকে একটি আদর্শ জেলা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তার নেতৃত্বে প্রশাসন আরও জনমুখী, জবাবদিহিমূলক এবং কার্যকর হয়ে উঠছে, এমন প্রত্যাশা জেলার মানুষের।

রাশেদুল হক প্রধান প্রমাণ করেছেন, একজন প্রকৃত প্রশাসকের সবচেয়ে বড় শক্তি তার পদ নয়; তার সততা, ন্যায়পরায়ণতা, সাহস, মানবিকতা এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা। তিনি বিশ্বাস করেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি দায়িত্ব মানুষের কল্যাণের জন্য, আর সেই বিশ্বাসই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।

একজন কর্মকর্তা অবসরে যান, বদলি হন কিংবা নতুন দায়িত্বে যোগ দেন; কিন্তু মানুষের হৃদয়ে যে সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার স্থান তৈরি হয়, তা কখনো মুছে যায় না। জলঢাকা থেকে লালমনিরহাট, প্রতিটি কর্মস্থলেই রাশেদুল হক প্রধান তার কর্ম, সততা ও মানবিকতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

মানুষ আশা করে, এমন সৎ, সাহসী ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রশাসকদের হাত ধরেই বাংলাদেশ আরও সুন্দর, মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাবে। আর সেই যাত্রায় রাশেদুল হক প্রধান নিঃসন্দেহে এক অনুপ্রেরণার নাম।

Advertisement

নীলফামারী সদরের প্রতিটি ইউনিয়নে অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ কমিটি

মানবিক নেতৃত্বের আলোকবর্তিকা: লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান

Update Time : ০৪:৪৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

—মো: মাহাদী হাসান মানিক, সম্পাদক- ডেস্ক রিপোর্ট

Advertisement
Advertisement

কর্মের সফলতায় ইতিহাসে এমন কিছু মানুষ থাকেন, যাদের পরিচয় শুধু একটি পদবি দিয়ে হয় না; তাদের পরিচয় গড়ে ওঠে কর্ম, সততা, মানবিকতা এবং মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসায়। রাশেদুল হক প্রধান তেমনই একজন প্রশাসক, যিনি দায়িত্বকে ক্ষমতার প্রতীক নয়, বরং মানুষের সেবার একটি পবিত্র অঙ্গীকার হিসেবে ধারণ করেছেন।

Advertisement

জলঢাকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি যে সততা, নিষ্ঠা, কর্মদক্ষতা ও মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, তা আজও উপজেলার মানুষের হৃদয়ে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, দ্রুত সমস্যা সমাধান, স্বচ্ছ প্রশাসন নিশ্চিত করা এবং সবার প্রতি সমান আচরণ, এসব গুণ তাকে মানুষের আপনজন করে তুলেছিল। তার বিনয়ী ব্যবহার, আন্তরিকতা এবং নম্র ব্যক্তিত্ব এমন অনেক কঠিন পরিস্থিতির সমাধান করেছে, যেখানে কঠোরতা নয়, মানবিকতাই জয়ী হয়েছে।

নীলফামারী জলঢাকার প্রায় চার লাখ মানুষের হৃদয়ে তিনি রেখে গেছেন ভালোবাসা, আস্থা ও শ্রদ্ধার এক অমূল্য স্মৃতি। আজও অনেক মানুষ বিশ্বাস করেন, একজন সৎ ও মানবিক প্রশাসক চাইলে একটি জনপদের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন, আর সেই বিশ্বাসের অন্যতম প্রতীক রাশেদুল হক প্রধান।

বর্তমানে তিনি লালমনিরহাট জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন কর্মস্থলেও তিনি একই নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার সঙ্গে প্রশাসনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বিশেষ করে মাদকবিরোধী অভিযানে তার দৃঢ় অবস্থান ইতোমধ্যে জেলার মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

একসময় ডালিয়া ব্যারেজ (তিস্তা ব্যারেজ) এলাকা হয়ে যে ফেনসিডিল দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার হওয়ার অভিযোগ ছিল, সেই পথ বন্ধে জেলা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ, কঠোর নজরদারি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিনের একটি বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে।

শুধু মাদক নিয়ন্ত্রণই নয়, আইন-শৃঙ্খলা, সুশাসন, জনবান্ধব প্রশাসন, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে লালমনিরহাটকে একটি আদর্শ জেলা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তার নেতৃত্বে প্রশাসন আরও জনমুখী, জবাবদিহিমূলক এবং কার্যকর হয়ে উঠছে, এমন প্রত্যাশা জেলার মানুষের।

রাশেদুল হক প্রধান প্রমাণ করেছেন, একজন প্রকৃত প্রশাসকের সবচেয়ে বড় শক্তি তার পদ নয়; তার সততা, ন্যায়পরায়ণতা, সাহস, মানবিকতা এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা। তিনি বিশ্বাস করেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি দায়িত্ব মানুষের কল্যাণের জন্য, আর সেই বিশ্বাসই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।

একজন কর্মকর্তা অবসরে যান, বদলি হন কিংবা নতুন দায়িত্বে যোগ দেন; কিন্তু মানুষের হৃদয়ে যে সম্মান, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার স্থান তৈরি হয়, তা কখনো মুছে যায় না। জলঢাকা থেকে লালমনিরহাট, প্রতিটি কর্মস্থলেই রাশেদুল হক প্রধান তার কর্ম, সততা ও মানবিকতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

মানুষ আশা করে, এমন সৎ, সাহসী ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রশাসকদের হাত ধরেই বাংলাদেশ আরও সুন্দর, মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাবে। আর সেই যাত্রায় রাশেদুল হক প্রধান নিঃসন্দেহে এক অনুপ্রেরণার নাম।

Advertisement