জলঢাকায় পল্লি চিকিৎসকের আড়ালে গোপন তান্ত্রিকতার মাধ্যমে মুসলিম তরুনীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণা করার দায়ে আলোচিত সেই হিন্দু তান্ত্রিক কবিরাজকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার করে জেলা জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন জলঢাকা থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় প্রতারণার স্বীকার তরুনীর পিতা মিজানুর রহমান (৪৫) শুক্রবার বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে মর্মে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজমুল আলম। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ মেয়ের পরিচয়ে চিকিৎসা করার কথা থাকলেও কবিরাজ তান্ত্রিকতা করে অনৈতিক কার্যকলাপ বাস্তবায়নের জন্য আমার মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণা করেছে। পরে মেয়ের পরিবার কবিরাজকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে মন্ত্রশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার আহবান জানায়।
এ ঘটনা মুহুর্তেই ছড়িয়ে পরলে উৎশুক জনতা একনজর ওই কবিরাজকে দেখার জন্য ভীর জমায় শৌলমারী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড ডিলারপাড়া গ্রামের মিজানুর রহমানের বাড়িতে। উৎশুক জনতার চাপে গত বৃহস্পতিবার রাতেই থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হয় ভন্ড কবিরাজকে।
এ বিষয়ে জলঢাকা থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজমুল আলম যুগের আলোকে জানান, মেয়ের বাড়ি থেকে ওই কবিরাজকে আটককৃত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আশা হয় এবং মেয়ের পিতা মিজানুর রহমান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ এর (১) ধারায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে।
যার মামলা নং ০৩, উক্ত মামলায় শুক্রবার বিকালে কবিরাজকে জেলা জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য থাকে যে, ওই ভন্ড কবিরাজের শুধু এ ঘটনাই নয় বরং এর আগে তার নিজ সালার বউকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ভাগিয়ে নিয়ে আড়াই বছর পলাতক ছিল এবং গত আড়াই বছর পূর্বে নিজ এলাকার একজন মুসলিম তরুনীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণা করে।
সে বিষয়ে একটি ধর্ষন মামলা চলমান রয়েছে। এর মধ্যেই পুনরায় একজন মুসলিম তরুনীকে তান্ত্রিকতার জ্বালে বস করে আলোচনায় উঠে আসে। সচেতন মহলের দাবী বারংবার এই নারী লোভি কবিরাজ একটি করে ঘটনার সূত্রপাত ঘটায়। এর মত কবিরাজের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী এলাকাবাসী সহ সচেতন মহলের।