রংপুর ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
গুজবে নীলফামারীতে পেট্রল-অকটেনের হাহাকার, তেলশূন্য একাধিক পাম্প; মাঠে নামছে প্রশাসন পঞ্চগড়ে ৫৬ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় কীটনাশক জব্দ জলঢাকায় উপজেলা কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জলঢাকায় প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন জীবিকার একমাত্র সম্বল হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন অসহায় ভ্যানচালক আতিকুল ইসলাম জলঢাকার কাজিরহাট পান্তাপাড়ায় এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার বেহাল দশা : চলাচলে চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষের নীলফামারী কোর্ট পুলিশ অফিস বার্ষিক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার নীলফামারী জেলা জামায়াতের আয়োজনে ২দিন ব্যাপি উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত নীলফামারীতে কৃষকদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পঞ্চগড়ে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ যুবক আটক

দেশের ২ কোটি পরিবার পাবে মাসিক নগদ সহায়তা: ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ​নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে আরও একধাপ এগিয়ে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১০ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও সরাসরি আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

 

​শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) এক সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।

পাইলট প্রকল্পের বিস্তারিত

​প্রাথমিক পর্যায়ে এই কর্মসূচি একটি পাইলট (পরীক্ষামূলক) প্রকল্পের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে। মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী:

  • উদ্বোধন: ১০ মার্চ, ২০২৬।
  • আওতাভুক্ত এলাকা: দেশের মোট ১৪টি উপজেলায় এই পাইলট প্রকল্প চালু হবে।
  • সময়সীমা: প্রাথমিক পাইলট প্রকল্পটি ৪ মাস মেয়াদী হবে।
  • সুবিধাভোগী: পাইলট পর্যায়ে অন্তত ৬,৫০০ পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনা হচ্ছে।

সহায়তার পরিমাণ ও প্রদান পদ্ধতি

​ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল লেনদেনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি তালিকাভুক্ত পরিবার (ন্যূনতম ৫ সদস্য বিশিষ্ট) প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে সরাসরি নগদ সহায়তা পাবেন। এই অর্থ সুবিধাভোগীদের নিজস্ব মোবাইল ওয়ালেট (বিকাশ/নগদ/রকেট) অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পৌঁছে যাবে, ফলে কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ থাকবে না।

দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য ও বাজেট

​সরকারের মূল লক্ষ্য হলো পর্যায়ক্রমে দেশের ২ কোটি পরিবারকে এই সহায়তার আওতায় নিয়ে আসা। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন জানান:

মাসিক ব্যয়: কর্মসূচিটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলে প্রতি মাসে সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা

বার্ষিক বাজেট: বছরে এই খাতের মোট বরাদ্দ দাঁড়াবে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা

কেন এই কর্মসূচি?

​নির্বাচনী প্রচারণায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি বড় পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরাসরি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। পাইলট প্রকল্পের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে খুব দ্রুত সারা দেশে এটি সম্প্রসারিত করা হবে।

Popular Post

গুজবে নীলফামারীতে পেট্রল-অকটেনের হাহাকার, তেলশূন্য একাধিক পাম্প; মাঠে নামছে প্রশাসন

দেশের ২ কোটি পরিবার পাবে মাসিক নগদ সহায়তা: ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন

Update Time : ০৭:৩৮:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: ​নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে আরও একধাপ এগিয়ে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১০ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও সরাসরি আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

 

​শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) এক সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।

পাইলট প্রকল্পের বিস্তারিত

​প্রাথমিক পর্যায়ে এই কর্মসূচি একটি পাইলট (পরীক্ষামূলক) প্রকল্পের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে। মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী:

  • উদ্বোধন: ১০ মার্চ, ২০২৬।
  • আওতাভুক্ত এলাকা: দেশের মোট ১৪টি উপজেলায় এই পাইলট প্রকল্প চালু হবে।
  • সময়সীমা: প্রাথমিক পাইলট প্রকল্পটি ৪ মাস মেয়াদী হবে।
  • সুবিধাভোগী: পাইলট পর্যায়ে অন্তত ৬,৫০০ পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনা হচ্ছে।

সহায়তার পরিমাণ ও প্রদান পদ্ধতি

​ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল লেনদেনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি তালিকাভুক্ত পরিবার (ন্যূনতম ৫ সদস্য বিশিষ্ট) প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে সরাসরি নগদ সহায়তা পাবেন। এই অর্থ সুবিধাভোগীদের নিজস্ব মোবাইল ওয়ালেট (বিকাশ/নগদ/রকেট) অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পৌঁছে যাবে, ফলে কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ থাকবে না।

দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য ও বাজেট

​সরকারের মূল লক্ষ্য হলো পর্যায়ক্রমে দেশের ২ কোটি পরিবারকে এই সহায়তার আওতায় নিয়ে আসা। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন জানান:

মাসিক ব্যয়: কর্মসূচিটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলে প্রতি মাসে সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা

বার্ষিক বাজেট: বছরে এই খাতের মোট বরাদ্দ দাঁড়াবে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা

কেন এই কর্মসূচি?

​নির্বাচনী প্রচারণায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি বড় পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরাসরি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। পাইলট প্রকল্পের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে খুব দ্রুত সারা দেশে এটি সম্প্রসারিত করা হবে।