• শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন |
  • English Version
Headline :
জলঢাকায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রামীণ ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন নীলফামারীতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন চীনা বিশেষজ্ঞ দল  জলঢাকায় গ্রামীণ শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ : ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন জলঢাকায় গ্রামীণ শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ : ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন লালমনিরহাটে বিজিবির অভিযানে ৩০ লাখ টাকার ভারতীয় প্যান্ট পিস জব্দ বিশ্ব রেড ক্রস রেড ক্রিসেন্ট দিবস উপলক্ষে নীলফামারীতে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা লালমনিরহাটে সাপের কামড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া জলঢাকায় ভুট্টা শুকানোকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রী জখম ॥ থানায় অভিযোগ লালমনিরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ক্লিনিকে জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশ জলঢাকার খেড়কাটি দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত

জলঢাকায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রামীণ ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

মাইদুল হাসান, স্টাফ রির্পোটার / ৩২ Time View
Update : শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন

নীলফামারীর জলঢাকায় প্রায় সাড়ে ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে গ্রামীণ ব্যাংকের গোলনা শাখার ব্যবস্থাপক হামিদুল হকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মর্জিনা বেগম (৪৫)। শনিবার সকালে জলঢাকা প্রেসক্লাব হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মর্জিনা বেগমের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার বড় ছেলে শাহরিয়া নাফিস, ভাতিজির স্ত্রী জরিনা বেগম, ভাবি ছমেদা বেগম, শাহিদা বেগম ও তার ভাই ইউপি সদস্য শরাফত আলী সরু।
লিখিত বক্তব্যে মর্জিনা বেগম জানান, তার স্বামী আমজাদ হোসেন ১৯৯৮ সালের ৩১ মে গ্রামীণ ব্যাংকে চাকরিতে যোগ দেন এবং বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন। চাকরির সুবাদে নীলফামারীর রামগঞ্জ বাজার শাখায় কর্মরত অবস্থায় শাখা ব্যবস্থাপক হামিদুল হকের সঙ্গে তাদের পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে হামিদুল হক ব্যক্তিগত প্রয়োজনে তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা ধার নেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি দাবি করেন, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের বিভিন্ন সময়ে জমি ক্রয়, বাড়ি নির্মাণ ও অন্যান্য প্রয়োজনের কথা বলে একাধিক ধাপে টাকা নেওয়া হয়। এছাড়া অফিস অডিটের সময় ঘাটতি পূরণ ও অন্যান্য খাতের অজুহাতে তার স্বামীর কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ২৩ লাখ ৩১ হাজার ১৮ টাকা পাওনা রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।

মর্জিনা বেগম আরও বলেন, টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত ব্যবস্থাপক সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে একটি চেক দিলেও সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করেননি। পরে বিষয়টি নিয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তার অভিযোগ, হামিদুল হক প্রভাব খাটিয়ে তদন্ত কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করছেন। একই সঙ্গে তার স্বামী আমজাদ হোসেনকে মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবে উপস্থাপন করে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা এরিয়া অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ষড়যন্ত্র চলছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। পাশাপাশি তাদের পাওনা প্রায় ২৪ লাখ টাকা উদ্ধারে সহযোগিতা কামনা করেন।
এ বিষয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের জোনাল অফিসার মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category